kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

কোপা দেল রেও পেল না বার্সা

২৭ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কোপা দেল রেও পেল না বার্সা

রিয়াল মাদ্রিদের কিছু না জেতা মৌসুমে ট্রেবলের স্বপ্ন দেখছিল বার্সেলোনা। কিন্তু হায়! লিগ ছাড়া শেষ পর্যন্ত তাদেরও যে কিছু জোটেনি। লিভারপুলের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায়ের পর পরশু কোপা দেল রের ফাইনালও হেরে গেছে বার্সা ভ্যালেন্সিয়ার কাছে। সেভিয়ার মাঠ বেনিতো ভিয়ামারিনে প্রথমার্ধেই ২-০তে লিড নেওয়া ভ্যালেন্সিয়া শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি জিতেছে ২-১ গোলে।

লিভারপুলের মাঠে ৪-০ গোলে হারের ম্যাচটাই যেন প্রলম্বিত হচ্ছিল এদিন। প্রতিপক্ষের আক্রমণের মুখে কাতালানদের সেই একই রকম নাজুক ডিফেন্স। ম্যাচ শুরুর পঞ্চম মিনিটেই ক্লেমেন্ত লেংলেটের ভুল পাস ধরে রদ্রিগো ভ্যালেন্সিয়াকে এগিয়ে দিয়েছিলেন প্রায়, গোললাইন থেকে সেভ করে জেরার্দ পিকে সে যাত্রা বাঁচিয়েছেন। তবে এর ১৬ মিনিট পর কেভিন গামেইরোকে রুখতে পারেননি কেউ। বাঁ-দিক থেকে বক্সের একটু ভেতর বল পেয়ে অসাধারণ এক শটে লক্ষ্য ভেদ করেছেন সাবেক অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ স্ট্রাইকার। ৩৩ মিনিটে কাউন্টার অ্যাটাকে আরো একবার অসহায় জেরার্দ পিকেরা। ডান দিক থেকে কার্লোস সোলারের ক্রসে রদ্রিগোর হেড পৌঁছে যায় জালে। গোল শোধে মরিয়া বার্সা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান কমাতে পারত, কিন্তু দুর্ভাগ্যও এদিন সঙ্গী কাতালানদের। লিওনেল মেসির ডান পায়ের শট তাই ফিরে আসে পোস্টে লেগে। ৭৩ মিনিটে সেই ব্যবধান কমান অবশ্য মেসিই। লেংলেটের হেডে ক্রসবারে লেগে ফিরে আসার পর ট্যাপ ইনে বল জালে জড়ান আর্জেন্টাইন তারকা। কিন্তু সমতা ফেরানো গোলটি আর পাওয়া হয়নি বার্সার, উল্টো ভ্যালেন্সিয়াই শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল। ২০০৭-০৮-এর পর এই প্রথম আবার স্প্যানিশ কাপ জিতল লস চে’রা। বার্সেলোনার সুযোগ ছিল তা টানা পঞ্চমবারের মতো জেতার। শেষ পর্যন্ত হতাশাই সঙ্গী হয়েছে তাদের। চ্যাম্পিয়নস লিগে লিভারপুলের কাছে ৩-০ গোলের লিড হারানোর পর এই হার এর্নেস্তো ভালভের্দের চাকরিও অনিশ্চিত করে দিয়েছে বার্সায়।

ওদিকে জার্মান কাপ জিতে নিকো কোবাচ বায়ার্ন মিউনিখে এখন হিরো। পরশু আরবি লিপজিগকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে তাঁর দল ডিএফবি পোকালের ফাইনালে। টানা সপ্তম লিগ শিরোপার পর কাপও জেতায় ২০১৫-এর পর আবার ডাবল জিতল বাভারিয়ানরা। বার্লিনের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে হওয়া ফাইনালে রবার্ত লেভানদোস্কি করেছেন জোড়া গোল ২৯ ও ৮৫ মিনিটে, মাঝখানে লক্ষ্য ভেদ করেছেন কিংসলে কোম্যান। গোলডটকম

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা