kalerkantho

রবিবার। ১৬ জুন ২০১৯। ২ আষাঢ় ১৪২৬। ১২ শাওয়াল ১৪৪০

সবাই আরো বেশি বেশি ছক্কা দেখতে চায়

এবারের বিশ্বকাপ দিয়েই ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়াবেন ক্রিস গেইল। টি-টোয়েন্টির ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে সবচেয়ে বেশি চাহিদা এই ‘সিক্স মেশিন’-এর! ইংল্যান্ডে চলে এসেছেন ‘ইউনিভার্স বস’, মাঠে নামার আগে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গেইল জানালেন শেষটা স্মরণীয় করে রাখার কথা।

২৩ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সবাই আরো বেশি বেশি ছক্কা দেখতে চায়

প্রশ্ন : ওয়েস্ট ইন্ডিজের তো মধুর সমস্যা! উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে শাই হোপ, সুনীল অ্যাম্বরিসরা অনেকেই রান পাচ্ছেন। এতে করে কি নিজের ওপর খানিকটা চাপ আসছে?

ক্রিস গেইল : তরুণদের কথা আমার মাথাতেও আছে। তাদের কাজটা আগের মতো কঠিন হবে না, কারণ আগে আমি আরো অনেক দ্রুত রান করতাম। তবে তাদের ভেতর একটা ভয় থাকবে। কারণ তারা জানে ‘ইউনিভার্স বস’ কী করতে পারে! আমি নিশ্চিত তাদেরও মাথার ভেতর এটা কাজ করে যে ‘এই লোকটা হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক ব্যাটসম্যান।’

প্রশ্ন : সব প্রতিপক্ষ কি আপনাকে ভয় পায়?

গেইল : উত্তরটা কি জানা নেই! জিজ্ঞেস করেই দেখুন, ক্যামেরার সামনে জিজ্ঞেস করুন। ক্যামেরায় বলবে যে তারা একদমই ভয় পায় না। আর আড়ালে জিজ্ঞেস করে দেখুন, বলবে ‘ওই লোকটা, ওই লোকটাই সবচেয়ে বিপজ্জনক।’ যদিও ক্যামেরার সামনে কেউই কথাটা স্বীকার করবে না। ব্যাপারটা আমি অবশ্য উপভোগই করি। বিশেষ করে ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষে লড়াইটা আমি সব সময়ই উপভোগ করি। এটা ভালো, মাঝে মাঝে ব্যাটসম্যান হিসেবে এটা আমাকে বাড়তি তাগিদ দেয়।

প্রশ্ন : বয়স হয়ে যাচ্ছে চল্লিশ ছুঁই ছুঁই। আপনার চেয়ে কম বয়সী অনেকেই এখন কোচিং, ধারাভাষ্যের মতো অন্যান্য কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে। ঠিক কোন জিনিসটা আপনাকে মাঠে রেখেছে এখনো?

গেইল : সত্যি কথা বলতে কি, আমাকে এখনো মাঠে ধরে রেখেছে দর্শকের ভালোবাসা, খেলাটার প্রতি ভালোবাসা। আসলে অনেক সময় অনেক ক্রীড়াবিদই বুঝতে পারে না ঠিক কখন খেলাটা ছাড়তে হবে। তারা মনে করে এখনো তারা সামর্থ্যের চূড়ায় আছে। তবে একটা সময় তো খেলাটা ছাড়তেই হয়। যতক্ষণ খেলাটা উপভোগ করছি, মাঠে গিয়ে অনেক মজা পাচ্ছি, ততক্ষণ খেলাটা চালিয়ে যাওয়া সহজ।

প্রশ্ন : এবার তো আপনি সহ-অধিনায়ক। এবার নিশ্চয়ই সতীর্থরা আরো একটু বেশি ভরসাই করবে আপনার ওপর?

গেইল : ড্রেসিংরুমটা সব সময়ই খেলায় একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দারুণ কয়েকজন ক্রিকেটারকে সতীর্থ হিসেবে পেয়েছি আমি। তারা আমাকে সব সময় আরো বেশি ভালো করার জন্য উদ্দীপ্ত করে। সমর্থকরাও সব সময় আমার কাছ থেকে আরো বেশি বেশি ছক্কা দেখতে চায়। সেটাও আমাকে বাড়তি প্রেরণা জোগায়।

প্রশ্ন : এটাই তাহলে হতে যাচ্ছে আপনার শেষ বিশ্বকাপ। শেষটা কেমন হলে খুশি হবেন?

গেইল : এত দিন ধরে খেলার পর নতুন করে আর কিছু প্রমাণ করার নেই। একটা অর্জন হলেই সব কিছু পূর্ণ হয়, সেটা হচ্ছে বিশ্বকাপ জেতা।

প্রশ্ন : কোনো ব্যক্তিগত লক্ষ্য কি স্থির করেছেন?

গেইল : আমি এখনো ভালো ছন্দে আছি। ইংল্যান্ডের সঙ্গে ঘরের মাঠের সিরিজটা ভালো কাটার পর আইপিএলটাও আমার খুব একটা খারাপ কাটেনি। আমার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারটা হচ্ছে আমি এখনো খেলা চালিয়ে যাচ্ছি। বেশ কিছু ম্যাচ খেলে ইংল্যান্ডে এসেছি, এরপর এখানে প্রস্তুতি ম্যাচও আছে। দেখি কত দূর কী করা যায়।

প্রশ্ন : সমাপ্তিটা কেমন হলে আপনি খুশি হবেন?

গেইল : খুব লম্বা একটা টুর্নামেন্ট। আমার লক্ষ্য হচ্ছে যতটা সম্ভব বেশি ম্যাচ খেলা আর সঠিক মানসিকতা নিয়ে ব্যাট করে যাওয়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা