kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৫ জুন ২০১৯। ১১ আষাঢ় ১৪২৬। ২২ শাওয়াল ১৪৪০

মুখোমুখি প্রতিদিন

হতাশা কাটিয়ে শৃঙ্খলায় ফিরেছি

২১ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হতাশা কাটিয়ে শৃঙ্খলায় ফিরেছি

জাতীয় দল থেকে ব্রাত্য হয়েছেন। ক্লাবেও নিজের অবস্থান হারিয়ে ফেলেছিলেন প্রায়। পরশু আবাহনীর বিপক্ষে বড় ম্যাচ দিয়েই সেই হেমন্ত ভিনসেন্ট নিজেকে আবার জানান দিয়েছেন। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে এ প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন তিনি

 

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : অনেক দিন পর মাঠে ফিরলেন আপনি...

হেমন্ত ভিনসেন্ট : হ্যাঁ, অনেক দিন পর, অনেক সমস্যা পেরিয়ে আবার মাঠে নামলাম। দেখুন, আমার শুরুটা অনেক ভালো ছিল। বিকেএসপির ছাত্র ছিলাম, এরপর অনূর্ধ্ব-১৯ খেলেই জাতীয় দলে এলাম। ইনজুরির কারণে একটা পর্যায়ে মাঠের বাইরে চলে যাই। তা ছাড়া কিছু ভুল সিদ্ধান্ত আমাকে ভুগিয়েছে। বাড়িতেও কিছু সমস্যা ছিল। সব মিলিয়ে হতাশার মধ্যে পড়ে গিয়েছিলাম। ক্লাবে একটা পর্যায়ে কোচ আমাকে বহিষ্কারের হুমকি দেন। অনুশীলন থেকে বাইরে রাখেন। এরপর আমারও বোধোদয় হয় যে আমাকে ফিরতে হবে শৃঙ্খলার মধ্যে। আমি তখন দ্বিগুণ পরিশ্রম শুরু করি। অবশেষে কোচকে সন্তুষ্ট করেই আমি ফিরতে পেরেছি।

প্রশ্ন : হ্যাঁ, ম্যাচ শেষে কোচ অস্কার ব্রুজোন আপনার প্রশংসাও করেছেন...

হেমন্ত : নীলফামারীতে শেখ জামালের বিপক্ষে আমি প্রথম মাঠে নামি সুশান্তের জায়গায়। যেকোনো পজিশনে খেলে হলেও ফিরতে চাচ্ছিলাম আমি। সেই ম্যাচটা ভালো খেলি। এরপর কোচ আবাহনীর বিপক্ষে এই বড় ম্যাচেও আমার ওপর আস্থা রেখেছেন। এদিন বলে দিয়েছিলেন সুন্দর ফুটবলের দরকার নেই, যেকোনো উপায়ে ৩ পয়েন্ট নেওয়াটাই ছিল লক্ষ্য। সেভাবেই আমরা খেলেছি।

প্রশ্ন : আপনার ফেরার পাশাপাশি এই জয়, নিজেকে কি এখন কিছুটা নির্ভার লাগছে?

হেমন্ত : তা-তো লাগছেই। পরিশ্রম করে যে আমি ফিরেছি। হতাশাও কাটিয়ে উঠেছি এখন, মনে হচ্ছে সামনের ম্যাচগুলোও একইভাবে ভালো করতে পারব।

প্রশ্ন : নিজের পজিশনে ফেরার চেষ্টা করবেন না?

হেমন্ত : দলের স্বর্থে যেকোনো পজিশনেই এখন আমাকে খেলতে হবে। আমাদের দলের অনেকেই তা করছে। সবাই এটাকে ইতিবাচকভাবেই নিয়েছে যে, প্রতিভা থাকলে যেকোনো পজিশনেই ভালো করা সম্ভব। দলের সাফল্যটাকেই আমরা আগে রাখছি। আর চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে আমার জন্যও তো এটা ইতিহাস হয়ে থাকবে। একসময় দলের অংশই মনে হচ্ছিল না, এখন অবদানও রাখতে পারছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা