kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

প্রথম বিশ্বকাপই হতে পারে শেষ

ঋষভ পান্টের হতাশা কাটছেই না। দীনেশ কার্তিকের অভিজ্ঞতা প্রাধান্য দিয়ে এই তরুণকে বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ দিয়েছেন ভারতীয় নির্বাচকরা। পান্টের তবু বয়স আছে। তবে এমন কজন খেলোয়াড় আছেন যাঁদের এটাই প্রথম বিশ্বকাপ, হতে পারে এটা শেষ বিশ্বকাপও। এমন পাঁচজনকে নিয়ে এই আয়োজন।

১৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ঋষভ পান্টের হতাশা কাটছেই না। দীনেশ কার্তিকের অভিজ্ঞতা প্রাধান্য দিয়ে এই তরুণকে বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ দিয়েছেন ভারতীয় নির্বাচকরা। পান্টের তবু বয়স আছে। তবে এমন কজন খেলোয়াড় আছেন যাঁদের এটাই প্রথম বিশ্বকাপ, হতে পারে এটা শেষ বিশ্বকাপও। এমন পাঁচজনকে নিয়ে এই আয়োজন।

শন মার্শ (অস্ট্রেলিয়া) : সেই ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখা। এর মাঝে চলে গেছে দুটি বিশ্বকাপ। চোট আর ধারাবাহিকতার অভাবে কোনোটিতে সুযোগ হয়নি শন মার্শের। ৩৬ বছর ছুঁই ছুঁই বয়সে সুযোগ হয়েছে ইংল্যান্ডে। ৭১ ওয়ানডেতে ৭ সেঞ্চুরি আর ১৫ ফিফটি এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানের। গড় ৪১.৬২। ছন্দটা ধরে রাখতে পারলে স্মরণীয় হতে পারে শন মার্শের প্রথম বিশ্বকাপ। পরের আসরে বয়স ৪০ ছাড়িয়ে যাবে মার্শের, তাই বলা যায় এটাই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ।

শ্যানন গ্যাব্রিয়েল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) : গতি আর বাউন্স দিয়ে বিশ্বের যেকোনো ব্যাটিং লাইনআপ কাঁপিয়ে দিতে পারেন শ্যানন গ্যাব্রিয়েল। মাঝের ওভারে ক্যারিবীয় বোলাররা উইকেট নিতে পারছিলেন না খুব বেশি। গ্যাব্রিয়েলের সেই ক্ষমতাটা আছে। এ জন্য তাঁকে ৩১ বছর বয়সে ডাকা হয়েছে বিশ্বকাপ দলে। ইংল্যান্ডে যে খারাপ করবেন না, এর প্রমাণ দিয়েছেন ত্রিদেশীয় সিরিজে। ফাইনালের আগে খেলা ৩ ম্যাচে উইকেট ৬টি। বারবার ইনজুরিতে পড়েন বলে এটাই হয়তো তাঁর প্রথম ও শেষ বিশ্বকাপ। আগামী বিশ্বকাপে গ্যাব্রিয়েলের বয়স ছাড়িয়ে যাবে ৩৫ বছর। সেই বয়সে পেসাররা গতি হারিয়ে ফেলেন এমনিতে।

 

কলিন মুনরো (নিউজিল্যান্ড) : ২০১৩ সালে অভিষেক কলিন মুনরোর। দেশের মাটিতে হওয়া গত বিশ্বকাপ দলে জায়গা হয়নি এই ব্যাটসম্যানের। ওয়ানডে ক্যারিয়ার ৫১ ম্যাচের, এর বেশির ভাগই কোনো তারকার চোটের কারণে। ব্রেন্ডন ম্যাককালামের অবসরের পর অবশ্য সুযোগ বেড়েছে মুনরোর। ৩২ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যানের স্ট্রাইক রেট ১০৫.৫২। তবে সব শেষ ২০ ইনিংসে ফিফটি মাত্র ২টি। পরের বিশ্বকাপে বয়স ছাড়িয়ে যাবে ৩৬। বলাই যায় ইংল্যান্ডে প্রথম ও শেষ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন মুনরো।

কেদার যাদব (ভারত) : বিশ্বকাপ খেলা হবে তো কেদার যাদবের? অনিশ্চয়তার মেঘ কাটেনি এখনো। শেষ পর্যন্ত খেললেও ৩৪ বছর বয়সী এই মিডল অর্ডারের নিশ্চিতভাবে এটা প্রথম ও শেষ বিশ্বকাপ হয়ে থাকবে। সুরেশ রায়না ও যুবরাজ সিংয়ের পর মিডল অর্ডারে একজন নির্ভরতার নাম খুঁজছিলেন ভারতীয় নির্বাচকরা। ছয় নম্বর পজিশনে তাঁর গড় ৫৬। করতে পারেন কার্যকরী স্পিন। শেষ পর্যন্ত তাঁর বিশ্বকাপ খেলা হবে কি না, বড় প্রশ্ন এটাই।

জেফরি ভেন্ডারসে (শ্রীলঙ্কা) : ২০১৭ সালে শেষ ওয়ানডে খেলেছিলেন জেফরি ভেন্ডারসে। দুই বছর দলের বাইরে থাকা এই লেগ স্পিনারকে বিস্ময়করভাবে বিশ্বকাপ দলে রেখেছেন লঙ্কান নির্বাচকরা। ১১ ম্যাচে ৪৩.০০ গড়ে ১০ উইকেট ভেন্ডারসের। ধনঞ্জয়া, এমবুলদিনিয়ার মতো তরুণরা পরিণত হওয়ায় আগামী বিশ্বকাপে ভেন্ডারসের সুযোগ নেই বললেই চলে। ক্রিকেটনেক্সট

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা