kalerkantho

সোমবার। ১৭ জুন ২০১৯। ৩ আষাঢ় ১৪২৬। ১৩ শাওয়াল ১৪৪০

৪৬ বলের কমেও শতরান করা সম্ভব

সীমিত ওভারের খেলায় ইংল্যান্ডের ব্যাটিংটা বদলে দেওয়ার অন্যতম প্রধান কারিগর জশ বাটলার। এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের বিস্ফোরক ব্যাটিংই ইংল্যান্ডকে বেশির ভাগ সময় সাহায্য করেছে বড় সংগ্রহ স্কোরবোর্ডে জমা করতে। দ্য ক্রিকেটার ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাটলার জানিয়েছেন বিশ্বকাপ ভাবনার কথা

১৮ মে, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



৪৬ বলের কমেও শতরান করা সম্ভব

প্রশ্ন : আপনার ব্যাটের হাতলের ওপরে নাকি লেখা আছে ‘ধুত্তুরি ছাই’! এটা কি সত্যি?

জশ বাটলার : ইংল্যান্ড দলের মনোবিদ মার্ক বাউডেনের সঙ্গে নানা আলাপে এই কথাটা বেরিয়ে এসেছে! আমরা আলোচনা করে বের করেছি, আমার মন তখনই সবচেয়ে ভালো থাকে যখন আমি খুব বেশি ভাবনা-চিন্তা না করে ‘ধুত্তুরি ছাই’ মনোভাব নিয়ে খেলতে থাকি। আমি নিজেকে বিশ্বাস করি আর নিজের সামর্থ্যে আস্থা রেখে খুব বেশি ভাবনা-চিন্তা করি না। কারণ যা হওয়ার তা হবেই।

প্রশ্ন : রাজস্থান রয়্যালসে খেলার সময় শেন ওয়ার্নকে নাকি গুরু মেনেছেন আপনি?

বাটলার : তার কথা শুনতে ভালোবাসি আমি। শেন দারুণ দারুণ সব গল্প বলতে পারে। খেলাটার প্রতি তার অন্য রকম একটা দৃষ্টিভঙ্গি আছে। সে সব কিছু ভিন্নভাবে দেখে। সে আমাকে প্রচুর আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে, সেটা কিন্তু আমার কাছে মিথ্যে মনে হয়নি। জীবনে সেটা একটা বড় ঘটনা। টেস্ট দলে যখন আবার ডাক পেলাম, তখন খুশিও লেগেছিল আবার খানিকটা ভয়ও কাজ করছিল। তখন শেন বলল, ‘উপভোগ করো, নিজের মতো খেলো আর ব্যাপারটা সাহসের সঙ্গে মোকাবেলা করো। নিজের প্রতি সৎ থাকো, তোমার সামর্থ্য আছে।’ তার মতো একজনের কাছ থেকে পাওয়া এই সাহসটা আমাকে খুবই অনুপ্রাণিত করেছে।

প্রশ্ন : আসছে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের একটা শক্তির জায়গা মনে করা হচ্ছে আপনার ব্যাটিংটা। নিজে কিভাবে দেখছেন ব্যাপারটা?

বাটলার : গত কয়েক বছরে আমার দারুণ কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে। বয়সটা কয়েক বছর বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি কয়েকটা ব্যাপার আরো ভালোভাবে সামলাতে শিখেছি। শিখেছি কী করে খেলায় অভিজ্ঞতাটা কাজে লাগাতে হয়। বুঝেছি কী করে ধারাবাহিক হতে হয়, সব সময় নিজের আগের পারফরম্যান্সকে ছাড়িয়ে যেতে চেয়েছি। সেটা যখন কয়েকবার করা হয়ে যাবে, তখন আপনাতেই নিজের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।

প্রশ্ন : ৫০ বলে শতরান আছে আপনার, আছে ৪৬ বলেও। এর চেয়েও কম বলে কি শতরান করা সম্ভব আপনার পক্ষে?

বাটলার : অবশ্যই সম্ভব। আমরা দেখেছি বিশ্বের অন্যান্য ক্রিকেটাররা এর চেয়েও কম বলে শতরান করেছে। তাই আমার পক্ষেও খুবই সম্ভব।

প্রশ্ন : বিশ্বকাপের উইকেট কেমন হবে মনে করছেন আর সে রকম উইকেটে আপনার কাছে দলের প্রত্যাশা কী?

বাটলার : প্রথাগতভাবে সাউদাম্পটনে আর ট্রেন্টব্রিজে বড় রান হয়, সেখানকার উইকেট ব্যাটিং সহায়ক থাকে। ২০১৩ আর ২০১৭ সালে যখন চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলেছিলাম, তখন কয়েকটি ম্যাচে শুকনো উইকেট পেয়েছিলাম। বিশ্বকাপটা একটা লম্বা আসর। তাই একটা পর্যায়ে গিয়ে শুকনো, ব্যবহৃত উইকেটে খেলতে হবে।

প্রশ্ন : প্রথমবারের মতো বাবা হলেন, শতরানের পর বাচ্চা দোলানোর ভঙ্গিমায় উদ্‌যাপনও করলেন। রাতে ঘুম হচ্ছে তো ভালো করে?

বাটলার : হ্যাঁ, এখন ভালোই ঘুম হচ্ছে। তিন সপ্তাহ খেলার বাইরে ছিলাম। আমি খেলা থেকে বিরতি নেওয়াটাও উপভোগ করি। আসলে লোইস আর জর্জিয়া (বাটলারের স্ত্রী ও কন্যা) উল্টোদিকে বসেছিল, তাই ওদের দেখিয়ে উদ্‌যাপনটা করলাম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা