kalerkantho

সোমবার। ২৭ মে ২০১৯। ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬। ২১ রমজান ১৪৪০

বোল্টের চেয়েও দ্রুতগতির এমবাপ্পে!

২৪ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বোল্টের চেয়েও দ্রুতগতির এমবাপ্পে!

ট্র্যাকের রাজা উসাইন বোল্ট। স্বভাবতই ফুটবল মাঠে তাঁর মতো গতির ঝড় তুলতে পারার কথা নয় কারো। এই যেমন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, গ্যারেথ বেল, লিরয় সানেরা প্রায়ই গতিতে চমকে দেন প্রতিপক্ষকে। সেই তাঁরাও যোজন যোজন পিছিয়ে বোল্টের চেয়ে। তবে কিলিয়ান এমবাপ্পে যা করেছেন, এককথায় অবিশ্বাস্য। বিশ্বকাপে মাঝমাঠ থেকে দৌড়ে আর্জেন্টিনার বিপদসীমানায় ঢুকে পড়া এই তরুণকে ফাউল করে আটকাতে হয়েছিল মার্কোস রোহোকে। ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে সব শেষ খেলা ম্যাচে মোনাকোর ডিফেন্ডাররা পারেননি সেটাও। ৩-১ ব্যবধানে জেতা ম্যাচে প্রথম গোলটির সময় এমবাপ্পের গড় গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৮ কিলোমিটার। অথচ ২০০৯ সালে বার্লিনে ৯.৫৮ সেকেন্ডে ১০০ মিটারের বিশ্বরেকর্ডের সময় উসাইন বোল্টেরও গড় গতি ছিল ঘণ্টায় ৩৭.৫৮ কিলোমিটার। মানে বোল্টকেও গতিতে হারিয়েছেন বোল্ট!

গত সপ্তাহে সাবেক ক্লাব মোনাকোর বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেছিলেন এমবাপ্পে। প্রথম গোলটির সময় এই ফরাসি মাঝমাঠে পাস বাড়ান সতীর্থ মুসা দিয়াবিকে। এরপরই চিতার গতিতে মোনাকোর ডি বক্সের দিকে এগিয়ে যান। আর ফিরতি পাস পেয়ে বল জালে জড়ানো। ফরাসি একটি টেলিভিশন চ্যানেল বিশ্লেষণ করে দেখেছে, সে সময় ঘণ্টায় ৩৮ কিলোমিটার গতিতে দৌড়েছিলেন এমবাপ্পে। ২০০৯ সালে ১০০ মিটারের বিশ্বরেকর্ডের সময় উসাইন বোল্টের দৌড়ের সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ৪৪.৭২ কিলোমিটার। তবে ইতিহাস গড়া দৌড়ের গড় গতি ঘণ্টায় ৩৭.৫৮ কিলোমিটার।

ফুটবল শুধু দৌড়ানোর খেলা নয়, এমবাপ্পেরও জানা সেটা। গতির মতো গোল করার দক্ষতায়ও অনন্য এই তরুণ। এবারের ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে এই মৌসুমে করে ফেলেছেন সর্বোচ্চ ৩০ গোল। এত কম বয়সে ফরাসি লিগে ৩০ গোলের মাইলফলকে পা রাখতে পারেননি আর কেউ। তাতে ইউরোপিয়ান গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে পৌঁছেছেন লিওনেল মেসির কাছে। বার্সেলোনার জার্সিতে লা লিগায় মেসি এই মৌসুমে ৩৩ গোল করে পেছনে ফেলেছেন সবাইকে। দুইয়ে থাকা এমবাপ্পের তাঁকে স্পর্শ করা অসম্ভব নয় একেবারে। দুঃসময় পেছনে ফেলতে রিয়াল মাদ্রিদেরও দরকার এ ধরনের কাউকে। তবে বরাবরের মতো এমবাপ্পে খুশি পিএসজিতে। আরো একবার রিয়ালে যোগ দেওয়ার গুজব উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি, ‘জিনেদিন জিদান রিয়ালে ফেরায় খুশি আমি। শুভাকাঙ্ক্ষি হিসেবে রিয়ালের ম্যাচ দেখি। আমি ভালো আছি পিএসজিতেই, আর থাকতে চাই এখানে।’ ডেইলি মেইল

মন্তব্য