kalerkantho

৪ উইকেট

কান্নার পর আগুনে তাসকিন

২০ এপ্রিল, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কান্নার পর আগুনে তাসকিন

ক্রীড়া প্রতিবেদক : মেঘ জমে, বিদ্যুৎ চমকায়, এরপর বৃষ্টি নামে। তাসকিন আহমেদের বেলায় একটু ব্যতিক্রম হলো। মনে অভিমানের মেঘ জমে বৃষ্টি হয়ে নামল দুচোখ বেয়ে। এরপর হাতে চমকাল বিদ্যুৎ। নির্বাচকদের কাছে উপেক্ষিত তাসকিন কাল আগুন ঝরালেন বিকেএসপির মাঠে। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে খেলতে নেমে ৫৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন। দারুণ বোলিং সাইফউদ্দিনেরও, মিরপুরে প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে ৩২ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। ফতুল্লায় নুরুল হাসানের অপরাজিত ৮৩ রানে ভর করে মোহামেডানকে হারিয়েছে শেখ জামাল।

বিশ্বকাপ দল ঘোষণার দিন অনেকটা চমক হিসেবেই মিনহাজুল আবেদীনের কণ্ঠে শোনা গিয়েছিল আবু জায়েদ রাহির নাম। তাসকিন চোটগ্রস্ত থাকায় একটিও ওয়ানডে না খেলা রাহিকে নেওয়া হয় বিশ্বকাপ দলে। অথচ এরপরই বুড়ো আঙুলে চোট পান রাহি, খেলতে পারেননি প্রাইম ব্যাংকের বিপক্ষে ম্যাচে। কাল বিকেএসপিতে মুখোমুখি তাসকিনের লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ ও রাহির প্রাইম দোলেশ্বর। ম্যাচে দলীয় ও ব্যক্তিগত, দুই লড়াইতেই জয়ী তাসকিন। ৯ ওভারে ৫৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন তাসকিন; তাঁর শিকার সাইফ হাসান, সৈকত আলী, মার্শাল আইয়ুব ও তাইবুর রহমান। প্রাইম দোলেশ্বর অল আউট হয়েছে ২০৫ রানে। রূপগঞ্জের বিপক্ষে ২০৫ রানের পুঁজি বাঁচাতে রাহি বল করেছেন ৩ ওভার, দিয়েছেন ১৬ রান। এরপর অধিনায়ক মার্শাল আইয়ুব আর তাঁকে বোলিংই দেননি। শাহরিয়ার নাফীসের অপরাজিত ১১৩ রানে ভর করে ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় রূপগঞ্জ।

মিরপুরে আবাহনীর মোড়কে যেন নেমেছিল বাংলাদেশের বিশ্বকাপগামী দলটাই! মাশরাফি, মিরাজ, সৌম্য, সাব্বির, মিথুন, মোসাদ্দেক, সাইফউদ্দিন—সবাই তো আবাহনীতেই। সাইফের ৩২ রানে ৫ উইকেটের পরও যে প্রাইম ব্যাংক ২২৬ রান তুলতে পারল, সেটা অলক কাপালির ৮০ রানের ইনিংসে ভর করে। প্রায় জাতীয় দলের বোলিং আক্রমণ সামলে, বিপর্যয়ের মুখে ৬ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় ৮০ রানের ইনিংস খেলেছেন অলক। অফস্পিনার নাঈম হাসানও খেলেছেন ৫১ রানের ইনিংস। ১০ ওভারে ৫০ রানে ২ উইকেট মাশরাফির, সৌম্য ২ উইকেট নিতে খরচ করেছেন ৪২ রান। নাজমুল হোসেন শান্তর অপরাজিত ৭৭ রানের সঙ্গে ভারতীয় টেস্ট ক্রিকেটার ওয়াসিম জাফরের ৬৪ রানের ইনিংসে জয় পায় আবাহনী। ম্যাচসেরা সাইফউদ্দিন।

ফতুল্লায় মোহামেডানকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি। তানবীর হায়দারের ৪ উইকেটে মোহামেডান অল আউট হয় ১৫৯ রানে। জবাবে ইমতিয়াজ হোসেনের ৫৩ ও নুরুল হাসানের অপরাজিত ৮৩ রানে ৩৩.৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় শেখ জামাল। নুরুল হাসান হয়েছেন ম্যাচসেরা।

মন্তব্য