kalerkantho


বেলফোর্টকে নিল আবাহনী

১৬ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০



বেলফোর্টকে নিল আবাহনী

ক্রীড়া প্রতিবেদক : বসুন্ধরা কিংসের হয়ে খেলার জন্যই ঢাকায় এসেছিলেন কেরভেনস বেলফোর্ট। হাইতি জাতীয় দলের এই স্ট্রাইকারের ঠিকানা হলো শেষ পর্যন্ত ঢাকা আবাহনী। কাল দলবদলের শেষ দিনে বেলফোর্টসহ গত লিগে খেলা সানডে চিজোবা, কোরিয়ান মিডফিল্ডার মিন হায়েক কো ও আফগান ডিফেন্ডার মাসি সাইগানিকে নিয়ে নতুন মৌসুমের দল চূড়ান্ত করেছে চ্যাম্পিয়নরা।

জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ডিফেন্ডার টুটুল হোসেন, ওয়ালি ফয়সাল ও নাবিব নেওয়াজকে তারা ধরে রেখেছে। ফিরেছেন আরেক স্টপার তপু বর্মণ। গত মৌসুমে চট্টগ্রাম আবাহনীতে খেলা মামুনুল ইসলামও মাঠে নামবেন এবার আকাশি-নীল জার্সিতে। দলটি অবশ্য এখনো কোচই চূড়ান্ত করেনি। গত মৌসুমের শেষ দিকে জর্জ কোটান ফিরে গেলে স্থানীয় কোচিং স্টাফ মিলেই শিরোপা এনে দেন। এএফসি কাপে দায়িত্বে ছিলেন সাইফুল বারী। নতুন মৌসুমের জন্য বিজেএমসির সাবেক কোচ জাকারিয়া বাবু এখন খেলোয়াড়দের অনুশীলন করাচ্ছেন। ম্যানেজার সত্যজিৎ দাস রুপু জানিয়েছেন, লিগের আগেই তারা বিদেশি কোচ আনবেন। দলবদলেও চ্যাম্পিয়নদের সেভাবে সক্রিয় দেখা যায়নি। কিংসের ছেড়ে দেওয়া দুই ফুটবলারকে নিল তারা শেষ মুহূর্তে। প্রিমিয়ারের নতুন ক্লাবটির হয়ে নীলফামারীতে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছিলেন বেলফোর্ট। মালদ্বীপের নিউ রেডিয়েন্টের বিপক্ষে সেই ম্যাচে গোল করেছেন, করিয়েছিলেনও। কিন্তু কিংস শেষ পর্যন্ত তাঁকে দলে না নিয়ে নাম্বার ৯ পজিশনে উড়িয়ে আনে ব্রাজিলিয়ান মার্কোস ভিনিসিয়াসকে। ক্লাব সভাপতি ইমরুল হাসান বলেছেন দলের সমন্বয়ের প্রয়োজনেই হাইতিয়ান স্ট্রাইকারকে তারা বিসর্জন দিয়েছেন, ‘বেলফোর্ট খুবই ভালো মানের ফরোয়ার্ড, কোনো সন্দেহ নেই। তবে আমাদের কোচ চাইছিলেন একেবারে প্রথাগত নাম্বার নাইন। বেলফোর্ট তুলনামূলক বল হোল্ড করে, ড্রিবলিংয়ের চেষ্টা করে। ব্রুজন মনে করেছেন তাঁর চেয়ে বরং একজন জেনুইন স্কোরার প্রয়োজন আমাদের।’

আবাহনীতে সেই স্কোরিংয়ের দায়িত্বে আছেন সানডে। গত লিগে ১০ ম্যাচে ৯ গোল করেছিলেন এই স্ট্রাইকার। কিংস নীলফামারী ম্যাচে আফগান ডিফেন্ডার মাসেইকেও খেলিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত দলে নিয়েছে তারা স্প্যানিশ সেন্টারব্যাক  হোর্হে গোতরকে। বেলফোর্টের সঙ্গে ডিফেন্সে ওই মাসিকেই দলে নিয়েছে আবাহনী। কাল সন্ধ্যা পর্যন্ত অবশ্য বিদেশি চারজন চূড়ান্ত করতে তারা দ্বিধায়। কোরিয়ান কো-এর পাশাপাশি ফিলিপাইন লিগে খেলা নাইজেরিয়ান আরেক স্ট্রাইকারকেও বিবেচনায় রেখেছিল দলটি।  আকাশি-নীলরা স্থানীয়দের মধ্যে গত মৌসুমের খেলোয়াড়দেরই মূলত ধরে রাখতে চেয়েছে। গোলরক্ষক শহীদুল আলমই আছেন পোস্টে, ডিফেন্সে ওয়ালি, তপু, টুটুলদের সঙ্গে মামুন মিয়া, রায়হান হাসান। মিডফিল্ডে মামুনুলের সঙ্গে সোহেল রানা, প্রাণতোষ। উইঙ্গার আছেন রুবেল মিয়া, জুয়েল রানা। এবার শক্তিশালী দল গড়েছে বসুন্ধরা কিংস, শেখ রাসেল। শেখ জামালও ছেড়ে কথা বলবে না। আবাহনী তাদের মাঝেও এবার অন্যতম ফেভারিট। শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে নামবে দলটি।



মন্তব্য