kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

নিজেদের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারছিল না ইতালিয়ানরা

১৫ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিজেদের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারছিল না ইতালিয়ানরা

সুনামি কিংবা ভূমিকম্পের মতো অকম্মাৎ নয়, ইতালি ফুটবলের এই দুর্দিন যে ধেয়ে আসছে সেটা আঁচ করা যাচ্ছিল আগে থেকেই। সুইডেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপে খেলতে না পারাটা আসলে চূড়ান্ত সতর্কবার্তার ঘণ্টাধ্বনি। এখান থেকেই ব্যবস্থা না নিলে সামনে হয়তো আরো খারাপ দিনই দেখতে হবে আজ্জুরিদের। সান সিরোর ৮০ হাজার দর্শক আর টিভিতে খেলা দেখা ১৪.৮ মিলিয়ন ইতালিয়ান নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারেনি। এই অবিশ্বাস্য ফল বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে ফুটবলসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন ব্যবস্থাপনার ত্রুটি ও ফুটবল প্রশাসনের অযোগ্যতাকেই।

ইতালির ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কার্লো তাভেচ্চিও হারের পর প্রতিক্রিয়ায় জানিয়েছেন, ‘আমরা খুবই মর্মাহত ও হতাশায় নিমজ্জিত। এই ক্রীড়া বিপর্যয়ের সমাধানে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’ তবে তাভেচ্চিওর কথায় মন গলছে না অনেকেরই, তাদেরই একজন রোমের সাবেক মেয়র ওয়াল্টার ভেতোরনি। তিনি ফুটবল প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের সবার পদত্যাগ চান, ‘এটা ৬০ বছরে ইতালির ক্রীড়াঙ্গনে সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা। এটা শুধুই কোচের ওপর দায়ভার চাপানো যাবে না। জাতীয় পর্যায়, ক্লাব, তৃণমূল—কোথাও সাফল্য নেই। ইতালির ফুটবল প্রশাসনেই সমস্যা আছে, ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত। নতুন কোচ ও প্রেসিডেন্ট দরকার। দেল পিয়েরো ও ফ্রাঞ্চেসকা তোত্তির পর কেউই উঠে আসেনি।’ ইতালির কোচ গিয়াপপিয়েরো ভেঞ্চুরার বরখাস্ত হওয়ার গুজব ছড়িয়ে পড়েছে, তবে তিনি এখনো পদ ছাড়েননি বলেই জানিয়েছেন, ‘সরে দাঁড়িয়েছি? আমি জানি না। আমাকে অনেক কিছু ভেবে দেখতে হবে। এখনো প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা হয়নি। এটা তো শুধু আমার ওপর নির্ভর করে না; আর আমি এখন এ রকম প্রশ্ন শুনতেও আগ্রহী নই।’ রোমের বাসিন্দাদের একজন কার্লো আক্ষেপ করেই বললেন, ‘সত্যি কথাটা হচ্ছে, আমরা রবার্তো বাজ্জিও, দেল পিয়েরো, তোত্তিদের মতো খেলোয়াড়দের বিকল্প খুঁজে পাইনি। ওই রকম কেউ এখন নেই।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা