• ই-পেপার

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল হালান্ডের নরওয়ে!

তিন অর্ধশতকে অজিদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
তিন অর্ধশতকে অজিদের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিল বাংলাদেশ
ছবি : মীর ফরিদ, মিরপুর থেকে

এক যুগের বেশি সময় পর ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ সফরে এসেছে অস্ট্রেলিয়া দল। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দারুণ সূচনা করল টাইগাররা। তামজিদ-শান্ত-মোসাদ্দেকের অর্ধশতকে অজিদের ২৮৪ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডেতে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অষ্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জশ ইংলিস। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৮৪ রান সংগ্রহ করেছে স্বাগতিকরা। 

টস হেরে আগে ব্যাট নেমে ম্যাচের ২য় ওভারে অস্ট্রেলিয়ার পেসার এলিসের অফ স্টেম্পের বাইরে ডেলিভারি বল শক্ত হাতে খেলতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লেগে দ্বিতীয় স্লিপে লাবুশানের তালুবন্দি হন ওপেনার সাইফ। প্রথমে উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় টাইগাররা।

প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দিয়ে ওপেনার তামজিদকে নিয়ে অর্ধশতক রানের একটা কার্যকর জুটি গড়েন নাজমুল শান্ত। ম‍্যাথু শর্টের বলে সিঙ্গেল নিয়ে নিজের অর্ধশত পূরণ করেন এই বাঁহাতি ওপেনার। ৪১ বলে ছয়টি চার ও একটি ছক্কায় হাফ সেঞ্চুরি করেন তানজিদ। ১৬ ওভারে বাংলাদেশের রান ১ উইকেটে ১০২। এদিকে ৫০ বলে আট চার ও এক ছক্কায় ৪৬ রানে ক্রিজে থিতু হয়েছেন শান্ত।

১৭তম ওভারে তানজিদকে আউট করে এই জুটি ভাঙেন এলিস। আউট হওয়ার আগে ৪৪ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন এই বাঁহাতি।

চারে নেমে লিটন দাস ব্যর্থ হয়েছেন। ৯ বলে ৭ রান করে ম্যাট রেনশর বলে তার হাতেই ক্যাচ দেন। এর কিছুক্ষণ পর শান্তও বিদায় নেন। তার আগে অবশ্য হাঁকিয়েছেন অর্ধশতক। ৮৬ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় ৬৭ রান করে রেনশর দ্বিতীয় শিকার হন টাইগার অধিনায়ক।

শান্তর বিদায়ের পর নামেন মোসাদ্দেক। ২০২২ এর আগস্টের পর এটিই জাতীয় দলের হয়ে তার প্রথম ওয়ানডে। তবে দলে ফিরে মানিয়ে নিতে সময় নেননি এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার। ব্যাট হাতে তুলেছেন ঝড়। অন্যদিকে তাওহীদ হৃদয় বেশ মন্থর ব্যাটিং করেছেন। এই জুটিতে যোগ হয় ৭৫ রান।

৫১ বলে মাত্র ১ চারে ৩১ রান করে বার্টলেটের বলে আউট হন তাওহীদ।

দুই ওভার পর বিদায় নেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। স্কটের বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে ১২ বলে করেন ৩ রান। তানভীর বিদায় নেন ৫ রান করে।

অষ্টম উইকেট জুটিতে তাসকিনকে সঙ্গী করে ৪৫ রান যোগ করেন মোসাদ্দেক। তাসকিন ১৬ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় ২০ রান করেন।

৪ বছর পর দলে ফেরা মোসাদ্দেক শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান করেন। তার ৭০ বলে খেলা ৮৬ রানের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৩টি ছক্কা।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে এলিস মাত্র ৩৮ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করেন। লিয়াম স্কট ও রেনশ ২টি করে এবং বার্টলেট ১টি উইকেট শিকার করেন। 

বিশ্বকাপের আগে ‘সাপ’ আতঙ্কে সুইজারল্যান্ড, লাল সতর্কতা জারি

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের আগে ‘সাপ’ আতঙ্কে সুইজারল্যান্ড, লাল সতর্কতা জারি
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের আগে যেকোনো দল সাধারণত কৌশল, খেলোয়াড়দের ফিটনেস, ভ্রমণসূচি কিংবা আবহাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ড দলকে এমন এক অদ্ভুত বিষয়ে সতর্ক থাকতে হচ্ছে, যা ফুটবল ইতিহাসে বেশ বিরল। আর সেই বিষয়টি হলো—সাপ!

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় দলটির বিশ্বকাপ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ঠিক পাশেই একটি বিশেষ ‘সাপ প্রবণ এলাকা’ চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামী ১৩ জুন কাতারের বিরুদ্ধে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচের আগে সুইজারল্যান্ড শিবিরের প্রস্তুতিতে এটি এক অপ্রত্যাশিত অস্বস্তি ও বাড়তি সতর্কতা যোগ করেছে।

টুর্নামেন্ট শুরুর আগে গরম আবহাওয়া এবং নতুন পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে সুইজারল্যান্ড জাতীয় দল বর্তমানে সান ডিয়েগোর শহরতলি ‘কারমেল ভ্যালি’-তে ক্যাম্প করেছে। সব ঠিকঠাকই চলছিল, কিন্তু সম্প্রতি দলটির অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট শেয়ার করার পর বিষয়টি সামনে আসে।

প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের সুযোগ-সুবিধার একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে সুইস কর্তৃপক্ষ। সেখানে মূল মাঠ, জিম, ড্রেসিংরুম এবং গোলকিপিং জোনের পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট অংশকে আলাদাভাবে হাইলাইট করা হয়েছে। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে থাকা ক্যাম্পের ঠিক প্রান্তের ওই অংশটি উজ্জ্বল লাল রঙে চিহ্নিত করে বড় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে—‘সাপ প্রবণ এলাকা’।

অনুশীলন সেশনের সময় খেলোয়াড় বা কোচিং স্টাফরা যাতে ভুলে বা অসাবধানতাবশত পাহাড়ের ওই ঢালের খুব কাছাকাছি চলে না যান, সেজন্যই এই লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এই সতর্কতা কিন্তু মোটেও হালকাভাবে নেওয়ার মতো নয়। কারমেল ভ্যালি এলাকাটি বন্যপ্রাণীর জন্য বেশ পরিচিত, বিশেষ করে এর আশেপাশের পাহাড়ি অঞ্চলে বিষাক্ত ‘র‌্যাটলস্নেক’-এর অবাধ বিচরণ রয়েছে। অতীতে এই এলাকায় ট্র্যাকিং বা হাইকিং করতে গিয়ে সাপের কামড় খেয়েছেন এমন নজিরও আছে। ফলে এটিকে কেবল রসিকতা হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই, বরং এটি খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য একটি বাস্তবসম্মত ও গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।

যদিও এখন পর্যন্ত সুইজারল্যান্ড স্কোয়াডের কেউ কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি, তবুও এই ঘটনা মনে করিয়ে দিচ্ছে যে—বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবল মাঠের বাইরেও কখনো কখনো এমন অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়।

সাপের উপদ্রব নিয়ে মাঠের বাইরে কিছুটা আলোচনা থাকলেও, মাঠের মূল প্রস্তুতিতে কোনো কমতি রাখছে না সুইসরা। ‘গ্রুপ বি’-তে থাকা দলটি ইতিমধ্যেই তাদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচটি খেলে ফেলেছে। নিজেদের ক্যাম্প থেকে মাত্র ১৯ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত স্ন্যাপড্রাগন স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করেছে তারা।

ফিরলেন হৃদয়, মোসাদ্দেকের ফিফটি

ক্রীড়া ডেস্ক
ফিরলেন হৃদয়, মোসাদ্দেকের ফিফটি
ছবি : মীর ফরিদ

তামিম, শান্তর পর ফিফটি করলেন মোসাদ্দেক হোসেনও। ফিফটি করতে মোসাদ্দেক খেলেন ৪৯ বল, তিন চার ও দুই ছক্কায় সাজান নিজের ফিফটি। এর আগে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও ওয়ান ডাউনে নেমে ফিফটি করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

মোসাদ্দেক ফিফটি করলে জাভিয়ের বার্টলেটের বলে নাথান এলিসের হাতে ক্যাচ তুলে আউট হন হৃদয়। ফেরার আগে খেলেন ৫১ বলে ৩১ রানের ইনিংস।

স্কোর : ৪২ ওভার, ২১৭ রান, ৫ উইকেট।

ইরানীদের কি তাহলে কোন দেশপ্রেম নেই— প্রশ্ন নট আউট নোমানের

ক্রীড়া ডেস্ক
ইরানীদের কি তাহলে কোন দেশপ্রেম নেই— প্রশ্ন নট আউট নোমানের

মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া নিয়ে বিতর্কের পর গেলো টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে যায়নি বাংলাদেশ। অথচ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ চলাকালীন কানাডা, মেক্সিকো ও মার্কিন মুল্লুকে হতে যাওয়া ফুটবল বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে ইরান। এরপরই সামাজিক মাধ্যমে এর তীব্র সমালোচনা করেন ক্রীড়া সাংবাদিক নোমান মোহাম্মদ।

নোমান বলেন, ‘আমি বুঝলাম না ইরানীদের কি তাহলে কোন দেশপ্রেম নেই। আধিপত্যবাদের বিপক্ষে তাদের লড়াই কি থেমে গেল? সেটা যদি না হবে তাহলে যে দেশের বিপক্ষে তারা যুদ্ধ করছে, সেই যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে গিয়ে ইরান বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্তটা কিভাবে নেয়?’

নোমান আরো বলেন, ‘আপনার মনে হতে পারে আহা একজন ডক্টর আসিফ নজরুলের অভাবে একজন আমিনুল ইসলাম বুলবুলের অভাবে ইরানীদের আজ এই দশা। তাদের ভেতরে সেই দেশপ্রেমটা নেই আধিপত্যবাদের বিপক্ষে লড়াই নেই।’

বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না যাওয়া নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আবারও বলছি, বাংলাদেশ যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেনি সেটা শুধু রাজনৈতিক ফায়দার জন্য। এই আসিফ নজরুল-আমিনুল ইসলাম বুলবুল গংরা আমাদের বিশ্বকাপকে, আমাদের ক্রিকেটকে জিম্মি করে আমাদের একটা বিশ্বকাপ খেলতে দেয়নি।