• ই-পেপার

ইরানীদের কি তাহলে কোন দেশপ্রেম নেই— প্রশ্ন নট আউট নোমানের

বিশ্বকাপের আগে ‘সাপ’ আতঙ্কে সুইজারল্যান্ড, লাল সতর্কতা জারি

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের আগে ‘সাপ’ আতঙ্কে সুইজারল্যান্ড, লাল সতর্কতা জারি
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের আগে যেকোনো দল সাধারণত কৌশল, খেলোয়াড়দের ফিটনেস, ভ্রমণসূচি কিংবা আবহাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকে। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে সুইজারল্যান্ড দলকে এমন এক অদ্ভুত বিষয়ে সতর্ক থাকতে হচ্ছে, যা ফুটবল ইতিহাসে বেশ বিরল। আর সেই বিষয়টি হলো—সাপ!

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় দলটির বিশ্বকাপ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ঠিক পাশেই একটি বিশেষ ‘সাপ প্রবণ এলাকা’ চিহ্নিত করা হয়েছে। আগামী ১৩ জুন কাতারের বিরুদ্ধে নিজেদের উদ্বোধনী ম্যাচের আগে সুইজারল্যান্ড শিবিরের প্রস্তুতিতে এটি এক অপ্রত্যাশিত অস্বস্তি ও বাড়তি সতর্কতা যোগ করেছে।

টুর্নামেন্ট শুরুর আগে গরম আবহাওয়া এবং নতুন পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে সুইজারল্যান্ড জাতীয় দল বর্তমানে সান ডিয়েগোর শহরতলি ‘কারমেল ভ্যালি’-তে ক্যাম্প করেছে। সব ঠিকঠাকই চলছিল, কিন্তু সম্প্রতি দলটির অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট শেয়ার করার পর বিষয়টি সামনে আসে।

প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের সুযোগ-সুবিধার একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে সুইস কর্তৃপক্ষ। সেখানে মূল মাঠ, জিম, ড্রেসিংরুম এবং গোলকিপিং জোনের পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট অংশকে আলাদাভাবে হাইলাইট করা হয়েছে। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে থাকা ক্যাম্পের ঠিক প্রান্তের ওই অংশটি উজ্জ্বল লাল রঙে চিহ্নিত করে বড় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে—‘সাপ প্রবণ এলাকা’।

অনুশীলন সেশনের সময় খেলোয়াড় বা কোচিং স্টাফরা যাতে ভুলে বা অসাবধানতাবশত পাহাড়ের ওই ঢালের খুব কাছাকাছি চলে না যান, সেজন্যই এই লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এই সতর্কতা কিন্তু মোটেও হালকাভাবে নেওয়ার মতো নয়। কারমেল ভ্যালি এলাকাটি বন্যপ্রাণীর জন্য বেশ পরিচিত, বিশেষ করে এর আশেপাশের পাহাড়ি অঞ্চলে বিষাক্ত ‘র‌্যাটলস্নেক’-এর অবাধ বিচরণ রয়েছে। অতীতে এই এলাকায় ট্র্যাকিং বা হাইকিং করতে গিয়ে সাপের কামড় খেয়েছেন এমন নজিরও আছে। ফলে এটিকে কেবল রসিকতা হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই, বরং এটি খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য একটি বাস্তবসম্মত ও গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।

যদিও এখন পর্যন্ত সুইজারল্যান্ড স্কোয়াডের কেউ কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি, তবুও এই ঘটনা মনে করিয়ে দিচ্ছে যে—বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবল মাঠের বাইরেও কখনো কখনো এমন অপ্রত্যাশিত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়।

সাপের উপদ্রব নিয়ে মাঠের বাইরে কিছুটা আলোচনা থাকলেও, মাঠের মূল প্রস্তুতিতে কোনো কমতি রাখছে না সুইসরা। ‘গ্রুপ বি’-তে থাকা দলটি ইতিমধ্যেই তাদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচটি খেলে ফেলেছে। নিজেদের ক্যাম্প থেকে মাত্র ১৯ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত স্ন্যাপড্রাগন স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করেছে তারা।

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল হালান্ডের নরওয়ে!

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল হালান্ডের নরওয়ে!
ছবি : রয়টার্স

ফুটবল বিশ্বকাপে খেলতে না পারা দল হলেও বিশ্বকাপের সময় সবসময়ই সমর্থনের কারণে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনায় থাকে বাংলাদেশ। গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থকদের সমর্থনে মুগ্ধতার সাগরে ভেসেছিল আর্জেন্টিনা। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ফেডারেশনের পক্ষ থেকে করা হয়েছিল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ! 

আবারও দুয়ারে বিশ্বকাপ। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নিয়ে ইতোমধ্যে উন্মাদনায় মেতেছে জনতা। তবে এবার এই সমর্থনের ভাগ চেয়ে বসেছে আর্লিং হালান্ডের দেশ নরওয়ে। 

সামাজিক মাধ্যমে দারুণ এক পোস্টে ঢাকায় অবস্থিত রয়্যাল নরওয়েজিয়ান অ্যাম্বাসি তাদের দলের প্রতি বাংলাদেশি ফুটবল ভক্তদের সমর্থন চেয়েছে। 

নরওয়েজিয়ান অ্যাম্বাসির ফেসবুক পোস্টটির অনুবাদ কালের কণ্ঠের পাঠকদের জন্য তুলে দেওয়া হল—

“ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ বাংলাদেশের উচিত নরওয়েকে সমর্থন করা! কেন, জানতে চান?

কারণ, আমাদের ফুটবলপ্রেমী দেশ দুটির মধ্যে কেবল ফুটবলই নয়, আরও অনেক বেশি কিছু ভাগাভাগির সম্পর্ক রয়েছে যা হয়তো আপনার ধারণারও বাইরে!

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল নরওয়ে। এছাড়া আমরা উভয় দেশই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি, মধ্যস্থতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করি। আমাদের এই বন্ধন পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ইতিহাস এবং বন্ধুত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যেহেতু বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপে খেলছে না, তাই দীর্ঘ ২৮ বছরের অপেক্ষা শেষে ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফিরে আসা নরওয়ে হতে পারে বাংলাদেশিদের সমর্থনের জন্য একদম উপযুক্ত একটি দল। 

আমরা উভয়ই নদী এবং সমুদ্রবেষ্টিত উপকূলীয় দেশ—এবং মাছের প্রতি ভালোবাসা আমাদের দুজনেরই সমান! আমরা উভয়ই ফেয়ার প্লে বা ন্যায়পরায়ণতায় বিশ্বাসী—সেটা বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের ক্ষেত্রেই হোক, কিংবা খেলার মাঠেই হোক।

আমরা নিজ নিজ দিক থেকে ছোট—বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে তুলনামূলক ছোট, আর জনসংখ্যার দিক থেকে নরওয়ে খুবই ছোট—কিন্তু বিশ্বমঞ্চে আমাদের উভয়ের স্বপ্নই আকাশছোঁয়া!

আর যারা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারছেন না, তাদের জন্য বোনাস পয়েন্ট—বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা আর্লিং ব্রাউট হালান্ড খেলছেন এই নরওয়ে দলেই!

তাহলে কী ভাবছেন, বাংলাদেশ? এবার আন্ডারডগ বা পিছিয়ে থাকা দলটির পাশে দাঁড়ানোর সময়! একসঙ্গে বড় স্বপ্ন দেখার সময়!”
 

ফিরলেন হৃদয়, মোসাদ্দেকের ফিফটি

ক্রীড়া ডেস্ক
ফিরলেন হৃদয়, মোসাদ্দেকের ফিফটি
ছবি : মীর ফরিদ

তামিম, শান্তর পর ফিফটি করলেন মোসাদ্দেক হোসেনও। ফিফটি করতে মোসাদ্দেক খেলেন ৪৯ বল, তিন চার ও দুই ছক্কায় সাজান নিজের ফিফটি। এর আগে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও ওয়ান ডাউনে নেমে ফিফটি করেছেন নাজমুল হোসেন শান্ত।

মোসাদ্দেক ফিফটি করলে জাভিয়ের বার্টলেটের বলে নাথান এলিসের হাতে ক্যাচ তুলে আউট হন হৃদয়। ফেরার আগে খেলেন ৫১ বলে ৩১ রানের ইনিংস।

স্কোর : ৪২ ওভার, ২১৭ রান, ৫ উইকেট।

ফিরলেন শান্ত, চাপে বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
ফিরলেন শান্ত, চাপে বাংলাদেশ
ছবি : মীর ফরিদ

ক্যারিয়ারের ১২তম ফিফটি করেই আউট হলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ম্যাট রেনশোর বলে কুপার কনলির হাতে ক্যাচ তোলার আগে ৮৬ বলে ৬৭ রানের ইনিংস খেলেন বাঁ-হাতি এই ব্যাটার। তার আগে ফিফটি করেছেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ২৮ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে স্কোর বোর্ডে ১৫৩ রান বাংলাদেশের।