• ই-পেপার

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার দায় নিয়ে সরে দাঁড়াচ্ছেন জয়াসুরিয়া

বাংলাদেশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল হোম টি স্পোর্টস

ক্রীড়া ডেস্ক
বাংলাদেশে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল হোম টি স্পোর্টস

বাংলাদেশে ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল সম্প্রচারমাধ্যমের দায়িত্ব পেয়েছে টি স্পোর্টস। দেশের একমাত্র ক্রীড়াভিত্তিক এই চ্যানেল আজ রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, টি স্পোর্টস গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করছে যে, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ দেশের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর কাছে পৌঁছে দেবে তারা। এর মাধ্যমে বিশ্বমানের ক্রীড়া সম্প্রচারের অন্যতম প্রধান ঠিকানা হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরো শক্তিশালী করল টি স্পোর্টস এবং বাংলাদেশে ফিফা বিশ্বকাপের ‘ঠিকানা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলো।

টি স্পোর্টস মনে করে, ফিফা বিশ্বকাপ বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া আসর। প্রতি চার বছর পর এই টুর্নামেন্ট বিশ্বের কোটি কোটি দর্শককে একত্রিত করে এবং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে। বাংলাদেশের দর্শকরা টি স্পোর্টসের মাধ্যমে টুর্নামেন্টের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করবেন বলে আশা চ্যানেল কর্তৃপক্ষর।

লাইভ ম্যাচ, ফুটবল বিশেষজ্ঞের বিশ্লেষণ, এক্সক্লুসিভ ফিচার, হাইলাইটস এবং বিশেষ অনুষ্ঠানসহ টি স্পোর্টস দর্শকদের জন্য বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।

এ ব্যাপারে টি স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইশতিয়াক সাদেক বলেছেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপ শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি এমন একটি বৈশ্বিক উৎসব যা দেশ, প্রজন্ম ও সম্প্রদায়ের সীমানা অতিক্রম করে মানুষকে একত্রিত করে। বাংলাদেশের কোটি কোটি ফুটবলভক্তের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসর পৌঁছে দিতে পারা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। টি স্পোর্টস শুধু ম্যাচ সম্প্রচারেই সীমাবদ্ধ নয়; আমরা চাই পূর্ণাঙ্গ কভারেজ, বিশেষজ্ঞ মতামত, নতুন ধারার অনুষ্ঠান এবং সহজ লভ্যতার মাধ্যমে দর্শকদের জন্য একটি অনন্য বিশ্বকাপ অভিজ্ঞতা তৈরি করতে। আমরা আনন্দিত যে, দেশের ফুটবলপ্রেমীরা আবারো বিশ্বকাপের জন্য টি স্পোর্টসকেই তাদের ঠিকানা হিসেবে বেছে নেবেন।’

বাংলাদেশে ফুটবলের জনপ্রিয়তা অতুলনীয়। বিশ্বকাপ এলেই দেশের রাস্তা, পাড়া-মহল্লা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায় ফুটবল উৎসবে মেতে ওঠে। সম্প্রচার ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে টি স্পোর্টস দেশের সব প্রান্তের দর্শকদের কাছে বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ, আবেগ, উন্মাদনা ও স্মরণীয় মুহূর্তগুলো পৌঁছে দিতে চায়।

টি স্পোর্টসের চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান বলেছেন, ‘বাংলাদেশের দর্শকদের কাছে বিশ্বমানের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা পৌঁছে দেওয়া সবসময় টি স্পোর্টসের লক্ষ্য। ফিফা বিশ্বকাপ আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনের সবচেয়ে বড় ও মর্যাদাপূর্ণ আসর। দেশের প্রতিটি ফুটবলপ্রেমীর জন্য এটি সহজলভ্য করতে পারা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। এই অর্জন বাংলাদেশের শীর্ষ ক্রীড়া সম্প্রচারমাধ্যম হিসাবে আমাদের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করেছে এবং বিশ্বমানের কনটেন্ট, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও দর্শক সম্পৃক্ততায় আমাদের ধারাবাহিক বিনিয়োগের প্রতিফলন ঘটিয়েছে।’

বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব লাভ করা দেশজুড়ে বড় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্ট পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে টি স্পোর্টসের যাত্রায় আরও একটি বড় মাইলফলক। মানসম্পন্ন সম্প্রচার, নতুন প্রযুক্তি ও দর্শকদের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে টি স্পোর্টস বাংলাদেশের ক্রীড়া সম্প্রচার শিল্পে প্রতিনিয়ত নতুন মানদণ্ড তৈরি করছে।

ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই মহোৎসবের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। স্মরণীয় সব মুহূর্ত, ঐতিহাসিক ম্যাচ এবং নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন খুঁজে নেওয়ার এই এক মাসের ফুটবল রোমাঞ্চে শামিল হতে দেশের সব ফুটবল ভক্তকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে টি স্পোর্টস।

নেইমারের ছেলের আক্রমণভাগে মেসি-রোনালদো-এমবাপ্পেও!

সাহিদ রহমান অরিন
নেইমারের ছেলের আক্রমণভাগে মেসি-রোনালদো-এমবাপ্পেও!
পরিবারের সঙ্গে ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার জুনিয়র। ছবি: ইন্সটাগ্রাম

নেইমার জুনিয়রকে নিয়ে আক্ষেপটা তাঁর ভক্ত-সমর্থকদেরই বেশি। সর্বকালের অন্যতম সেরা হয়ে ওঠার আভাস দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল নেইমারের। দলবদল ইতিহাসে এখনো তিনি বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার।

কিন্তু নিজের প্রতি কি সুবিচার করতে পেরেছেন নেইমার? উত্তর—না। একসময় ফুটবল বিশ্বকে শাসন করা ব্রাজিলের এই যে ছন্দপতন, সাম্বাশিল্প আজ যে পর্যায়ে থাকার কথা ছিল, সেখানে থাকতে না পারা কিংবা ‘হেক্সা’র আশায় প্রায় দুই যুগ পার করে ফেলা...এতে কি নেইমারের একটুও দায় নেই?

মাঠের বাইরের জীবনটা তাঁর চাকচিক্যে ভরা, মানুষ হিসেবে আমুদে স্বভাবের। কিন্তু সবুজ গালিচায় কাটানো দৃশ্যগুলোর দিকে তাকালে বেশির ভাগ জুড়েই বেদনা, অপূর্ণতা আর হাহাকার। সামর্থ্য থাকার পরও নিজেকে লিওনেল মেসি বা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারেননি। জিততে পারেননি ব্যালন ডি’অর কিংবা ফিফা দ্য বেস্ট পুরস্কার। এসবের সঙ্গে বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে না পারা জীবনের সবচেয়ে বড় অপ্রাপ্তি হয়ে আছে।

তবু নেইমার আলোচনায় ছিলেন, আছেন এবং আরো অনেক দিন থাকবেন। কারণ ৩৪ পেরোনো ফরোয়ার্ড এখনো যে ব্রাজিলের বড় ভরসার নাম। বেপরোয়া জীবন, মৌজ-মাস্তি-আড্ডায় মজে থাকা, নারী আসক্তি ও চোটঘাত—বারবার খবরের শিরোনাম হতে আর কী চাই!

Upload1
চোট থেকে সেরে ওঠার লড়াইয়ে নেইমার জুনিয়র। ছবি: এক্স

একের পর এক চোটে ক্যারিয়ারে প্রায় ১৪০০ দিন মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে নেইমারকে। প্রায় তিন বছর পর ব্রাজিল স্কোয়াডে জায়গা পেয়ে বিশ্বকাপ খেলতে গেছেন চোটকে সঙ্গী করেই। কার্লো আনচেলোত্তি তাঁর ওপর আস্থা না রাখলে তাঁকে নিয়ে এই লেখাটা লিখতে বসাই হতো না!

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেইমার ইঙ্গিত দিয়েছেন, ২০২৬-ই হতে চলেছে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। নিশ্চয়ই তিনি সাফল্যের শিখরে পৌঁছে শেষটা রাঙাতে চাইবেন।

কিন্তু যদি না পারেন, তাহলে কী হবে? নেইমারকে কি মানুষ চিরকাল মনে রাখবে, কিংবা তরুণ প্রজন্মের বড় একটা অংশ তখনো কি নেইমারকে নিজের আদর্শ মনে করবে?

বাবার পথ ধরে রোনালদোর ছেলে ক্রিস্তিয়ানো জুনিয়র কিংবা মেসির তিন ছেলে থিয়াগো, মাতেও এবং চিরো না হয় ফুটবলে মনোনিবেশ করেছে। তারা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে ফুটবলপ্রেমীরা পরবর্তী রোনালদো ও পরবর্তী মেসিকে দেখার আশায় বুক বাঁধতে পারেন।

কিন্তু নেইমারের একমাত্র ছেলে দাভি লুকা নামকাওয়াস্তে ফুটবলার। ১৫ ছুঁই ছুঁই এই কিশোর বাবার খেলা দেখতে মাঠে যায়, উৎসাহ দেয়; তবে নিজের ফুটবলীয় পরিসর বন্ধুদের সঙ্গে খেলার মাঝেই সীমাবদ্ধ।

ফুটবলারই হতে হবে—ছেলে লুকার ওপর এমন চাপ কখনো প্রয়োগ করেননি নেইমার। ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ছেলেকে নিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার ছেলে খেলাধুলা পছন্দ করে। ওর বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে ভালোবাসে। কিন্তু সে আমার থেকে একদম আলাদা। ফুটবলের প্রতি ওর অতটা টান নেই। সে মেসি, এমবাপ্পে ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে খুবই পছন্দ করে। সত্যি বলতে, ভিডিও গেম খেলার সময় ওর দলের আক্রমণভাগে থাকে মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পে আর আমি।’

ও হ্যাঁ, নেইমারের আরো তিন সন্তান আছে। তিন শিশুকন্যা মাভি (জন্ম : অক্টোবর ২০২৩), হেলেনা (জন্ম : জুলাই ২০২৪) ও মেল (জন্ম : জুলাই ২০২৫)। বুঝতেই পারছেন, ফুটবলের ‘ফ’ বোঝার বয়সটুকুও হয়নি তাদের।

তবে নেইমার মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, কন্যাসন্তানদের আগমনই তাঁর জীবন বদলে দিয়েছে, তাঁকে দায়িত্ববান হতে শিখিয়েছে, নারী আসক্তি থেকে বেরিয়ে এক নারীতে থিতু হওয়ার ভাবনা গড়ে দিয়েছে।

নেইমারের জীবনের প্রথম প্রেম নাকি ছিলেন কারোলিনা দান্তাস। তাঁদের ভালোবাসার ফসল হিসেবে ২০১১ সালে জন্ম নেয় পুত্রসন্তান দাভি লুকা। নেইমারের বয়স তখন মাত্র ১৯ বছর!

লুকার জন্মের কিছুদিনের মধ্যেই প্রথম প্রেমকে ভুলে যান নেইমার। ব্রাজিলিয়ান ইনফ্লুয়েন্সার দান্তাসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন তিনি। এর পর একে একে তাঁর জীবনে এসেছেন অনেক সুন্দরী তরুণী। তাঁদের কেউ মডেল, কেউ অভিনেত্রী, কেউ সংগীতশিল্পী আবার কেউ বা রিয়ালিটি শোর তারকা।

ব্রুনা নামের দুজন এসেছেন নেইমারের জীবনে। একজন ব্রুনা মার্কেজিন, আরেকজন ব্রুনা বিয়ানকার্দি। মার্কেজিনের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙেছে অনেক আগেই। এখন বিয়ানকার্দিকে নিয়ে তাঁর প্রেমের জগৎ। এই বিয়ানকার্দিই তাঁর দুই কন্যাসন্তান মাভি ও মেলের মা।

Upload7
অবশেষে এক নারীতে থিতু হয়েছেন নেইমার। ছবি: ইন্সটাগ্রাম

মাঝে বিয়ানকার্দিকে ধোঁকা দিয়ে আমান্দা কিম্বার্লি নামের এক মডেলের প্রেমে মজেছিলেন। নেইমারের তৃতীয় সন্তান তথা দ্বিতীয় কন্যাসন্তান হেলেনাকে এই কিম্বার্লিই পৃথিবীতে এনেছেন। খবরটা জানার পর বিয়ানকার্দির সঙ্গে নেইমারের ছাড়াছাড়ি প্রায় হয়ে গিয়েছিল। শেষমেশ ক্ষমা চেয়ে পার পেয়েছেন।

জীবনটা সত্যিই বড় অদ্ভুত। যে নেইমার ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েছিলেন একমাত্র ছেলে লুকাকে নিয়ে, সেই নেইমার চার বছরের ব্যবধানে নিজের চতুর্থ এবং খুব সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন চার সন্তানের গর্বিত বাবা হিসেবে! আর এখন তিনি অনেকটাই থিতু, আরো দায়িত্বশীল, আরো সহনশীন। না হলে কি আর নিজেকে বিশ্বকাপে খেলার মতো ফিট প্রমাণ করে আনচেলোত্তির স্কোয়াডে জায়গা করে নিতে পারেন?

নেইমার জুনিয়রের বাবা নেইমার সান্তোস সিনিয়রও ফুটবলার ছিলেন। খেলেছেন ব্রাজিলের নিচু স্তরের লিগে। মাঠে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি নেইমার সিনিয়র। তাই খেলা ছেড়ে হয়েছেন ছেলের তত্ত্বাবধায়ক ও এজেন্ট। নিজে যা পারেননি, সেটাই ছেলেকে দিয়ে করানোর স্বপ্ন তাঁর।

Upload4
নেইমারের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি দেখতে চান ব্রাজিলের সমর্থকরা। ছবি: এআই দিয়ে বানানো

এবার নেইমারের সামনে সেই স্বপ্নপূরণের চ্যালেঞ্জ—‘হেক্সা’ জিতিয়ে ব্রাজিলকে ষষ্ঠ স্বর্গে নিয়ে যাওয়া। নেইমার পারবেন কি না, সেটা সময়ই বলে দেবে। কে জানে, বাবার হাতে বিশ্বকাপ দেখার পর ছেলে লুকার মন বদলে যেতে পারে। পেশাদার ফুটবলবিমুখ ছেলেটার তারকা ফুটবলার হওয়ার শখ জাগতে পারে। ব্রাজিলের সমর্থক ও নেইমারভক্তরা সেটাই চাইবেন।

লুকা সেই চাওয়া পূরণ করতে না পারলে নেইমারের উত্তরসূরি হবেন কে?

বিসিবির নতুন কমিটিতে কে কোন দায়িত্ব পেলেন

ক্রীড়া প্রতিবেদক
বিসিবির নতুন কমিটিতে কে কোন দায়িত্ব পেলেন
ছবি : বিসিবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন জাতীয় দলের তামিম ইকবাল।

গত রবিবার (৭ জুন) অনুষ্ঠিত বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পর তামিম সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হন। এর আগে দুই মাস অ্যাডহক কমিটির প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন সাবেক এই অধিনায়ক। 

বিসিবির নির্বাচিত ২৫ জন পরিচালকের মধ্যে জেলা-বিভাগ থেকে ১০ জন, ঢাকার ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে ১২ জন এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ১ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। পাশাপাশি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) থেকে মনোনীত হয়েছেন ২ জন। 

অবশ্য নির্বাচনের পরদিনই রাজশাহী অঞ্চল থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া মীর শাকরুল আলম সীমান্ত ব্যাবসায়িক ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন।

আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বিসিবি কার্যালয়ে ২৪ জন বোর্ড পরিচালকদের নিয়ে প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসেন তামিম ইকবাল। বৈঠকে বিসিবির বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটির দায়িত্ব বণ্টন করেছেন তিনি। বিসিবির দৈনন্দিন কার্যক্রম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এসব কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

কে কোন দায়িত্বে

ফ্যাসিলিটিজ ম্যানেজমেন্ট কমিটি ➟ তামিম ইকবাল
ফাইন্যান্স কমিটি ➟ ইসরাফিল খসরু
গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটি ➟ ফাহিম সিনহা
এইজ গ্রুপ কমিটি ➟ মিনহাজুল আবেদীন নান্নু ও শফিকুল আলম
মার্কেটিং কমিটি ➟ আসাদুজ্জামান ও আসিফ রব্বানী
ডিসিপ্লিনারি কমিটি ➟ আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী ও মির্জা ফয়সল আমীন
হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ও গ্রাউন্ডস কমিটি ➟ শাহনিয়ান তানিম
মেডিক্যাল কমিটি ➟ ডাক্তার মাহবুব শামীম
আম্পায়ার্স কমিটি ➟ মির্জা ইয়াসির আব্বাস
ওয়েলফেয়ার্স কমিটি ➟ শেখ রুহুল আমিন
টেন্ডার অ্যান্ড পারসেজ কমিটি ➟ সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ
মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন কমিটি ➟ আসিফ রব্বানী
সিকিউরিটি কমিটি ➟ সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ
টুর্নামেন্ট কমিটি ➟ সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর
অডিট কমিটি ➟ সাইদ বিন জামান সৌরভ
লজিস্টিকস অ্যান্ড প্রটোকল কমিটি ➟ ইয়াসির ফয়সাল ও ইসরাফিল খসরু
ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম) ➟ মঈন উদ্দিন চৌধুরী
উইমেন্স উইং ➟ রফিকুল ইসলাম বাবু
ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড কমিটি ➟ এস এম আবদুল্লাহ আল ফুয়াদ।

ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ : ৫টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যা আপনার জানা উচিত

ক্রীড়া ডেস্ক
ফিফা বিশ্বকাপ-২০২৬ : ৫টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যা আপনার জানা উচিত
সংগৃহীত ছবি

ফিফা বিশ্বকাপের আর বাকি ২ দিন। আসন্ন এই টুর্নামেন্ট সম্পর্কে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হলো কালের কণ্ঠ পাঠকদের জন্য।

এক, প্রথমবার ফিফা বিশ্বকাপে ৪৮টি দল অংশ নেবে, যা ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের ৩২টি দলের চেয়ে বেশি। নতুন এই ফরম্যাটে চারটি করে দলের ১২টি গ্রুপ থাকবে, ফলে মোট ম্যাচের সংখ্যা ৬৪ থেকে বেড়ে ১০৪ হবে। এর ফলে টুর্নামেন্টটিও দীর্ঘতর হবে এবং ৩৯ দিন ধরে চলবে।

দুই, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা প্রথমবারের মতো একসঙ্গে ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। এতে তিনটি দেশ যৌথভাবে টুর্নামেন্টটি আয়োজনে এটি প্রথম। 

তিন, বিশ্বকাপের জন্য যোগ্যতা অর্জনকারী এযাবৎকালের ক্ষুদ্রতম দেশ হলো কুরাকাও। যার জনসংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার। অনেক শহরের চেয়েও ছোট হওয়া সত্ত্বেও তারা ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে বিশ্ব ফুটবলের সেরা দলগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

চার, বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ দলগুলোর মধ্যে ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে দুটি দেশ—ডিআর কঙ্গো ও হাইতি। উভয় দলই সর্বশেষ ১৯৭৪ সালের বিশ্বকাপে খেলেছিল এবং ২০২৬ সালে তাদের প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে দীর্ঘ ৫০ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটছে।

পাঁচ, ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে চারটি দেশ অভিষেক করবে—কেপ ভার্দে, কুরাকাও, জর্দান ও উজবেকিস্তান। ফুটবলে বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রমের পর এটি তাদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই অভিষেককারী দলগুলো প্রায়ই নতুন প্রাণশক্তি নিয়ে আসে এবং চাপমুক্ত হয়ে খেলে।

বিশ্বকাপ ব্যর্থতার দায় নিয়ে সরে দাঁড়াচ্ছেন জয়াসুরিয়া | কালের কণ্ঠ