kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ২৯ সফর ১৪৪৪

১৪০ জন আম্পায়ারের মধ্যে পাশ করলেন মাত্র ৩ জন!

অনলাইন ডেস্ক   

১৮ আগস্ট, ২০২২ ১৭:১৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৪০ জন আম্পায়ারের মধ্যে পাশ করলেন মাত্র ৩ জন!

প্রতীকী ছবি

ভারতীয় ক্রিকেটে সাম্প্রতিক সময়ে আম্পায়ারিংয়ের মান নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে। রঞ্জি ট্রফি হোক বা আইপিএল, বিতর্কিত সিদ্ধান্ত  নিয়মিত দেখা যায়। রঞ্জির ম্যাচ টিভিতে না দেখানোয় এবং ডিআরএস না থাকায় অনেক ভুল ধরা পড়েনি।  কিন্তু আইপিএলের আম্পায়ারিং বিসিসিআইয়ের মুখে কালিমা লেপন করেছে।

বিজ্ঞাপন

তাই নতুন আম্পায়ার তুলে আনার ক্ষেত্রে সিরিয়াস হয়েছে ভারতীয় বোর্ড। আম্পায়ারদের যে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে, তাতে ১৪০ জনের মধ্যে পাশ করেছেন মাত্র তিন জন!

গত মাসে আহমেদাবাদে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যাতে পাস করলে মেয়েদের এবং জুনিয়রদের ম্যাচ পরিচালনা করা যাবে। ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক ম্যাচ পরিচালনা করার দায়িত্বও দেওয়া হবে সেই আম্পায়ারদের। ২০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়েছে। তার মধ্যে লিখিত পরীক্ষার জন্য ১০০, মৌখিক এবং ভিডিওর জন্য ৩৫ এবং শারীরিক পরীক্ষার জন্য ৩০ নম্বর ছিল।  ব্যবহারিক পরীক্ষায় বেশির ভাগই ভালো ফল করেন। কিন্তু লিখিত পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছেন। কিন্তু কেন? 

আম্পায়ারদের পরীক্ষায় একটি প্রশ্নে বলা হয়েছে, 'প্যাভিলিয়ন, গাছ বা কোনো ফিল্ডারের ছায়া পিচে পড়লে এবং ব্যাটার অভিযোগ করলে আপনি কী করবেন?' আরেকটি প্রশ্ন, 'আপনি নিশ্চিত যে বোলারের তর্জনীতে গুরুতর চোট লাগায় টেপ বাঁধা হয়েছে এবং সেটি খুললে রক্ত বের হতে পারে। বোলিংয়ের সময় কি তাকে সেই টেপ খুলতে বলবেন?' আরও কঠিন প্রশ্ন ছিল, 'একটি বৈধ বলে ব্যাটারের শট গিয়ে লেগেছে শর্ট লেগ ফিল্ডারের হেলমেটে।  ফিল্ডারের মাথা থেকে হেলমেট খুলে গেলেও বল সেখানেই আটকে আছে। হেলমেট মাটিতে পড়ার আগেই সেটি ক্যাচ ধরেন ফিল্ডার। এটা কি আউট হবে?'

আম্পায়ারদের জন্য লেভেল ২ পরীক্ষায় এ রকমই ৩৭টি প্রশ্ন ছিল।  বোর্ডের এক সূত্র জানিয়েছেন, আম্পায়ারিংয়ের মান ভালো করার জন্যই কঠিন পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বলা হয়েছে, ভারতের রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন যে আম্পায়ারদের পাঠিয়েছে, তাদের মান মোটেও ভালো নয়। তাই এই বাজে ফলাফল। পাস করেছে মাত্র তিন জন!



সাতদিনের সেরা