kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

‘রস, যেভাবে চিংড়ি খাচ্ছিলে, সেভাবে ব্যাট করো’

অনলাইন ডেস্ক   

১৪ আগস্ট, ২০২২ ১৫:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘রস, যেভাবে চিংড়ি খাচ্ছিলে, সেভাবে ব্যাট করো’

আইপিএলের সৌজন্যে ভারতীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে অন্য দেশের ক্রিকেটারদের বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। শুধু একসঙ্গে মাঠে খেলা বা ড্রেসিংরুম ভাগ করে নেওয়াই নয়, একসঙ্গে ঘুরতে যাওয়া, রেস্তোরাঁয় খাওয়াদাওয়া, এ বিষয়গুলোও হয়ে থাকে। নিউজিল্যান্ডের সাবেক তারকা রস টেইলর ২০০৮-২০১৪ পর্যন্ত চারটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে আইপিএল খেলেছেন। দিল্লিতে খেলার সময় তিনি সান্নিধ্য পেয়েছিলেন সাবেক বিধ্বংসী ভারতীয় ওপেনার বীরেন্দ্র শেবাগের।

বিজ্ঞাপন

২০১২ সালে টেইলর দিল্লিতে ১.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে দিল্লিতে এসেছিলেন। শেবাগ সম্পর্কে নিজের আত্মজীবনী ‘রস টেইলর : ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট’-এ তিনি লিখেছেন, ‘শেবাগের রেস্তোরাঁয় আমাদের এক অবিস্মরণীয় রাত কেটেছিল। টিমের অনেকেই সেদিন রেস্তোরাঁয় বড় পর্দায় ম্যানচেস্টার সিটি বনাম কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের ম্যাচ দেখছিলাম। প্রিমিয়ার লিগের ফাইনাল রাউন্ডের ম্যাচ চলছিল। স্টপেজ টাইমে সোর্হিও আগুয়েরোর গোলে সিটি ৩-২ গোলে ম্যাচ জিতে যায়। ৪৪ বছর পর সেটাই ছিল তাদের প্রথম শিরোপা। ’

টেইলর লিখেছেন, ‘শেবাগের রেস্তোরাঁয় খাবার অসাধারণ। বিশেষত চিংড়ির আইটেম। আমি খেয়েই যাচ্ছিলাম। থামাতে পারছিলাম না নিজেকে। জানতাম না, শেবাগ দেখছে আমাকে। ঠিক পরের দিনই আমাদের ম্যাচ ছিল। শেবাগ ব্যাট হাতে মাঠের সর্বত্র বল পাঠাচ্ছিল। দেখে মনে হচ্ছিল, কতই না সহজ! অন্যদিকে দলের বিদেশি ব্যাটাররা রান করার জন্য রীতিমতো লড়াই করছিলাম। আমার খুব নার্ভাস লাগছিল। কারণ অনেক টাকার বিনিময়ে তারা আমাকে দলে নিয়েছে। আমাকে প্রতিদান দিতে হবে। ’

শেবাগের পরামর্শ সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, “যখন ব্যাট করতে নেমেছিলাম, প্রচণ্ড চাপে ছিলাম। অথচ শেবাগকে দেখে মনে হচ্ছিল সে মহা আনন্দে আছে। সে গ্লাভস পরা হাত দিয়ে আমাকে ঘুষি মেরে বলেছিল, ‘রস, যেভাবে চিংড়ি খাচ্ছিলে, সেভাবে ব্যাট করো। ’ শেবাগকে দেখে মনে হতো, ক্রিকেট ওর শখ। মজা করার জন্য খেলে। এর পর থেকে যখনই আমার সঙ্গে শেবাগের দেখা হয়েছে, সে শুধু আমাকে চিংড়ির কথাই মনে করিয়েছে। ”



সাতদিনের সেরা