kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

রোনালদোদের নিয়ে ছেলে খেলায় মাতলো ব্রেন্টফোর্ড

অনলাইন ডেস্ক   

১৪ আগস্ট, ২০২২ ০০:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রোনালদোদের নিয়ে ছেলে খেলায় মাতলো ব্রেন্টফোর্ড

দুঃসময় পিছু ছাড়ছে না ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। গত মৌসুমের বাজে পারফরম্যান্স এ মৌসুমেও অব্যাহত আছে রেড ডেভিলদের। প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচ হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচে হেরেছে বড় ব্যবধানে। ব্রেন্টফোর্ড এর বিপক্ষে রক্ষণের দুর্বিষহ অবস্থা একদম ফুটে উঠেছে।

বিজ্ঞাপন

সেই সুযোগে দারুণ জয় তুলে নিল ব্রেন্টফোর্ড।  

শনিবার রাতে ঘরের মাঠে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে ব্রেন্টফোর্ড। লিগের প্রথম ম্যাচে ব্রাইটনের কাছে ২-১ গোলে হারে ম্যানইউ। দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে তিনে উঠে এলো ব্রেন্টফোর্ড। দুই ম্যাচে এখনো পয়েন্ট শূন্য এরিক টেন হাগের দলের।  ব্রেন্টফোর্ড ১৯৩৭ সালের পর এই প্রথম ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগে ইউনাইটেডকে হারাল। ১৯৩৬-৩৭ মৌসুমে দুবারের দেখায়ই জিতেছিল তারা। এরপর মাঝে ছয় ম্যাচের পাঁচটি তারা হেরেছিল, একটি ড্র হয়েছিল।

রক্ষণে হ্যারি ম্যাগুয়ের, দালোত, মার্তিনেজদের হতশ্রী পারফরম্যান্স আর গোলকিপার ডেভিড দি গিয়ার শিশুসুলভ ভুলে কপাল পুড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের। আক্রমণ ভাগও ছিল নিষ্প্রাণ। চার গোলে পিছিয়ে থেকেও পারেনি তেমন সুযোগ তৈরি করতে। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো বেশ কয়েকবার ব্রেন্টফোর্ডের রক্ষণে হানা দিলেও ম্যাচে ফেরার রসদ পায়নি।

ম্যাচের দশম মিনিটে ডি গিয়ার মারাত্মক ভুলে পিছিয়ে পড়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বক্সের বেশ বাইরে থেকে ডাসিলভার নিচু করে নেওয়া শট গ্লাভসে আটকে পারেননি গিয়া, গড়িয়ে গড়িয়ে বল জড়ায় জালে। এগিয়ে যায় ব্রেন্টফোর্ড। ১৮ মিনিটে রক্ষণের ভুলে দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যান ইউ। ডি গিয়ার বাড়ানো বল লিসান্দ্রো মার্তিনেজ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগেই পেছন থেকে এসে বল কেড়ে নেন ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন। বল ঠেলে দেন সতীর্থ ম্যাথিয়াস জেনসেনের দিকে, দেখে শুনে জাল খুঁজে নেন ডেনমার্কের এই ফুটবলার।

৩০ থেকে ৩৫ মিনিটে আরও দুই গোল করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে নিয়ে ছেলে খেলায় মাতে ব্রেন্টফোর্ড। ৩০ মিনিটে তিন গোলে এগিয়ে যায় ব্র্নটফোর্ড। গোল করেন বেন মি। পাঁচ মিনিট বাদেই ব্যবধান ৪-০ করে ফেলে স্বাগতিকরা। এবার গোল করেন ব্রায়ান এমবেউমো। দ্বিতীয়ার্ধে কোনো দলই পারেনি গোল করতে। হতাশার হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোনালদোরা।



সাতদিনের সেরা