kalerkantho

রবিবার । ১৪ আগস্ট ২০২২ । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৫ মহররম ১৪৪৪

চার ফিফটিতে বাংলাদেশের বিশাল স্কোর

অনলাইন ডেস্ক   

৫ আগস্ট, ২০২২ ১৭:০১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চার ফিফটিতে বাংলাদেশের বিশাল স্কোর

ছবি : এএফপি

অধিনায়ক তামিম ইকবাল, ওপেনার লিটন দাস, মুশফিকুর রহিম এবং তিন বছর পর দলে ফেরা এনামুল হক বিজয়ের দারুণ ব্যাটিংয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২ উইকেটে ৩০৩ রানের বড় স্কোর গড়েছে বাংলাদেশ। একাদশের প্রথম চারজনই পূরণ করেছেন ফিফটি। ২০১৩ সালের পর কোনো ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। টানা ১৯ ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ।

বিজ্ঞাপন

আজ জিতলে সংখ্যাটা হবে ২০।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি একশ ছাড়িয়ে গেছে। হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছিল ধীরগতির। দুই ওপেনার তামিম ইকবাল এবং লিটন দাস সতর্ক ব্যাটিং করছিলেন। হারারের উইকেটে হালকা মুভমেন্ট আছে। বাঁহাতি পেসার এনগারাভা সেটি কাজে লাগিয়ে সমস্যায় ফেলছেন তামিমকে। অভিষিক্ত আরেক পেসার নিয়াউচিও যথেষ্ট ভালো বোলিং করছেন। ১০ ওভারে এই জুটি ৫১ রান তুলে ফেলে। যা তামিম-লিটনের ৭ম পঞ্চাশোর্ধ পার্টনারশিপ।

২৩.১ ওভারে দলের স্কোর তিন অংক স্পর্শ করে। ৭৯ বলে ফিফটি তুলে নেন তামিম ইকবাল। জুটি যখন তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে, তখনই ছন্দপতন। সিকান্দার রাজার বলে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন ৮৮ বলে ৯ চারে ৬২ রান করা তামিম। ১১৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এর মাঝেই পূরণ হয় ওয়ানডেতে তামিমের ৮ হাজার রান। ৩০তম ওভারে ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে তিন বাউন্ডারি মেরে ক্যারিয়ারের ৭ম ফিফটি তুলে নেন লিটন কুমার দাস। এরপর এগিয়ে যেতে থাকেন তিন অংকের দিকে।

তিন বছর পর ওয়ানডে দলে ফেরা এনামুল হক বিজয়ের সঙ্গে তার জুটি পঞ্চাশ ছাড়িয়ে যায়। কিন্তু সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে মাসলে টান লাগে লিটনের। মাঠে শুশ্রুষা করেও লাভ হয়নি। রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়ার আগে তার সংগ্রহ ৮৯ বলে ৮১। ৩৭.৫ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর দুইশ ছাড়িয়ে যায়। তিন বছর পর ওয়ানডেতে ফিরে ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি তুলে নেন এনামুল হক বিজয়। মিল্টন শুম্বাকে ডাউন দ্য উইকেটে ছক্কা মেরে ৪৮ বলে তিনি পঞ্চাশ পূরণ করেন।

এরপর এনামুল বেশ আগ্রাসী হয়ে ওঠেন। তার ৬২ বলে ৬ চার ৩ ছক্কায় ৭৩ রানের চমৎকার ইনিংসটি শেষ হয় ভিক্টর নিয়াউচির বলে মুসকান্দার তালুবন্দি হয়ে। ফিফটি পূরণ করেন মুশফিকুর রহিমও। ক্যারিয়ারের ৪২ নম্বর ফিফটি তুলে নিতে তিনি খেলেন ৪৮ বল, হাঁকান ৫টি বাউন্ডারি।   নির্ধারিত ৫০  ওভারে বাংলাদেশ তোলে ২ উইকেটে ৩০৩ রান।   মুশফিক ৫২* আর মাহমুদউল্লাহ ২০* রানে অপরাজিত থাকেন।

 



সাতদিনের সেরা