kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জুন ২০২২ । ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৭ জিলকদ ১৪৪৩

ওয়েস্ট হ্যামের সঙ্গে ড্র করে চাপে ম্যানচেস্টার সিটি

অনলাইন ডেস্ক   

১৫ মে, ২০২২ ২১:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ওয়েস্ট হ্যামের সঙ্গে ড্র করে চাপে ম্যানচেস্টার সিটি

প্রথমার্ধে দুই গোলে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে দুই গোল করে দারুণৱভাবে ম্যাচে ফিরে আসে গার্দিওলার দল। সুযোগ এসেছিল ব্যবধান বাড়ানোর, কিন্তু তা কাজে লাগাতে ব্যর্থ মাহরেজ। শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে সিটিকে।

রবিবার ওয়েস্ট হ্যামের মাঠে স্বাগতিকদের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে পেপ গার্দিওলার দল।

বিজ্ঞাপন

ওয়েস্ট হ্যামের হয়ে জোড়া গোল করেছেন বোইন। সিটির হয়ে একটি গোল করেন গ্রিলিশ এবং নিজেদের জালে বল জড়িয়ে সিটিকে গোল উপহার দেন ওয়েস্ট হ্যামের কাউফুল। এই ড্র'তে লিগ শিরোপা জয়ের পথে খানিকটা চাপের মুখে পড়ল ম্যানচেস্টার সিটি।

৩৭ ম্যাচে ৯০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই থাকল ম্যানচেস্টার সিটি। দুইয়ে থাকা লিভারপুলের পয়েন্ট ৮৬, এক ম্যাচ কম খেলেছে তাঁরা। লিভারপুল যদি শেষ দুই ম্যাচই জিতে নেয় তবে লিগ শিরোপা জিততে নিজেদের শেষ ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই সিটির। অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে সেই ম্যাচে হারলে বা ড্র করলেও শিরোপা হারাতে হবে সিটিকে।

ঘরের মাঠে ২৪ মিনিটে জারর্ড বোইনের গোলে এগিয়ে যায় ওয়েস্ট হ্যাম। মাঝ মাঠ থেকে ফোনালসের থ্রু পাস ধরে সিটির ডিফেন্ডারদের পেছনে ফেলে বক্সে ঢুকে পড়েন বোইন। গোলকিপার এদেরসন এগিয়ে আসায় খানিকটা বাম দিকে সরে গিয়ে কোনাকুনি শটে দুরের পোস্টে লক্ষ্যভেদ করেন ইংলিশ এই ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধের বিরতিতে যাওয়ার আগেই ব্যবধান বাড়ায় ওয়েস্ট হ্যাম। আবারও গোল করেন বোইন। এন্তোনিওর বাড়ানো পাস অফ সাইড ফাঁদ ভেঙ্গে বোইনের নেওয়া নিচু শট ফারনানদিনহোর পায়ের ফাঁক গোলে জাল খুঁজে নেয়।

বিরতি থেকে ফেরার চার মিনিটের মধ্যেই জ্যাক গ্রিলিশের গোলে ব্যবধান ২-১ করে ফেলে ম্যানচেস্টার সিটি। জিনচেঙ্কোর তুলে দেওয়া ক্রস বক্সের ভেতর থেকে হেডে পিছনে পাঠান রদ্রি, সেখান থেকে ডান পায়ের ভলিতে বল জালে জড়ান এই ইংলিশ ফুটবলার। ৬৯ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে সিটি। বাম দিক থেকে রিয়াদ মাহরেজের ক্রস হেডে ক্লিয়ার করতে নিজেদের জালেই জড়ান ভ্লাদিমির কাউফুল। ৮৬ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন মাহরেজ। তাঁর নেওয়া পেনাল্টি শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে রক্ষা করেন গোলকিপার ফাবিয়ানসকি। বাকি সময়ে জয়সূচক গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।



সাতদিনের সেরা