kalerkantho

মঙ্গলবার ।  ১৭ মে ২০২২ । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩  

কুমিল্লার ঝড় থামিয়ে বরিশালের দাপট

সত্যজিৎ কাঞ্জিলাল, মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম থেকে   

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১৯:৩৪ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কুমিল্লার ঝড় থামিয়ে বরিশালের দাপট

উইকেট শিকারের আনন্দে উড়ছেন মুজিব। ছবি : মীর ফরিদ

শুরুটা যেমন হওয়ার কথা ছিল ঠিক তেমনই হয়েছে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ঝড়ো সূচনা এনে দিয়েছেন সুনিল নারাইন। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ফিফটি করে এই ক্যারিবীয় ফিরতেই পথ হারায় কুমিল্লার বাকি ব্যাটাররা। যেখানে দুইশ ছোঁয়া রানের আশা করা হচ্ছিল, সেখানে কুমিল্লা থামল ১৫১ রানে।

বিজ্ঞাপন

এতে বরিশালের ঘূর্ণি বোলারদের যেমন অবদান আছে, তেমনই দায়ী বাজে শটে আউট হওয়া কুমিল্লার ব্যাটাররা। ইনিংসের বাকি সময়টা দাপট দেখিয়ে গেছেন বরিশালের বোলাররা। এই পূঁজি নিয়ে কুমিল্লা কি পারবে শিরোপা জিততে? 

ইমরুল কায়েসকে ফিরিয়ে ডিজে ব্র্যাভোর উল্লাস।  ছবি : মীর ফরিদ

মিরপুর শেরে বাংলায় আজ শুক্রবার বিপিএলের গ্র্যান্ড ফাইনালে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। ক্যারিবীয় অল-রাউন্ডার সুনিল নারিন আজও শুরু থেকে ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। প্রথম ওভারের শেষ তিন বলে মুজিব উর রহমানকে দুটি ছক্কা আর একটি বাউন্ডারি মারেন। অন্যদিকে লিটন দাস ছিলেন নিষ্প্রভ। ৬ বলে ৪ রান করে সাকিব আল হাসানের বলে বোল্ড হয়ে যান এই ওপেনার। এর সঙ্গেই ভাঙে ১৮ বলে ৪০ রানের ওপেনিং জুটি।  

সাকিবের হতাশা।  ছবি : মীর ফরিদ

এরপর সুনিল নারিন বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে মাত্র ২১ বলে তুলে নেন ফিফটি। আগের ম্যাচেই তিনি বিপিএলে দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড গড়েছিলেন। অবশেষে এই ক্যারিবীয়কে থামান মেহেদি রানা। তার একটি স্লোয়ার উড়িয়ে মারতে গিয়ে মিসটাইমিং হয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন ২৩ বলে ৫টি করে চার-ছক্কায় ৫৭ রান করা নারাইন। ক্যাচটি নেওয়ার পর শান্তর নাচ ছিল দেখার মতো। নারাইনের আউটে ম্যাচে ফিরে বরিশাল। কুমিল্লার রান তোলার গতি কমে আসে। দ্রুতই রান-আউট হয়ে ফিরে যান ৭ বলে ৮ রান করা মাহমুদুল হাসান জয়।  

দারুণ ব্রেক থ্রু দিলেন মেহেদি রানা।  ছবি : মীর ফরিদ

ফাইনালের মঞ্চে আলো ছড়াতে পারেননি ফাফ ডুপ্লেসিস (৪)। মুজিব উর রহমানের অফ স্টাম্পের ডেলিভারিটি মিডউইকেটে খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লেগে ধরা পড়েন বোলারের হাতে। ১২ বলে ১২ রান করা অধিনায়ক ইমরুল কায়েস তো চরম বাজে শট খেলে ডিজে ব্র্যাভোকে উইকেট বিলিয়ে দেন। ৯৪ রানে কুমিল্লার ইনিংসের অর্ধেক শেষ হয়। উইকেটে এসেই গোল্ডেন ডাক মারেন আরিফুল হক। তার লেগ স্টাম্প উপড়ে দেন মুজিব। ৬ নম্বরে নামা মঈন আলীও আজ ধীরে শুরু করেন। ৭ম উইকটে মঈনের সঙ্গে আবু হায়দার রনির জুটিতে এগোতে থাকে কুমিল্লা।  

মঈন-রনির সপ্তম উইকেট জুটিতে লড়াই করার মতো রান পায় কুমিল্লা।  ছবি : মীর ফরিদ

রান উঠছিল খুব ধীরে। শেষের দিকে মঈন হাত খুলেছিলেন। কিন্তু যখন তাকে বেশি প্রয়োজন ছিল, সেই শেষ ওভারের প্রথম বলে দ্রুত দুই রান নিতে গিয়ে রান-আউট হয়ে যান। মঈনের সংগ্রহ ৩২ বলে ২ চার ১ ছক্কায় ৩৮। সেইসঙ্গে ভাঙে ৫১ বলে ৫৩ রানের জুটি। তৃতীয় বলে ১ চার ১ ছক্কায় ১৯ করা আবু হায়দারও শফিকুলের বলে ক্যাচ দেন। চতুর্থ বলে ডাক মারেন শহিদুল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫১ রান তোলে কুমিল্লা। ২টি করে উইকেট নেন মুজিব এবং শফিকুল।



সাতদিনের সেরা