kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ২৬ মে ২০২২ । ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৪ শাওয়াল ১৪৪

ফ্লেচার-মুশফিক ঝড়ে উড়ে গেল চট্টগ্রাম

অনলাইন ডেস্ক   

২৮ জানুয়ারি, ২০২২ ১৭:০১ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



ফ্লেচার-মুশফিক ঝড়ে উড়ে গেল চট্টগ্রাম

ছবি : মীর ফরিদ

মিরপুরে দিনের বেলায় কম রান আর রাতের বেলায় বেশি রান দেখেছেন দর্শকরা। আজ থেকে শুরু হওয়া চট্টগ্রাম পর্বেও দিনের বেলা স্বাগতিকদের স্কোর দেড়শ ছুঁতে পারেনি। চট্টগ্রামের উইকেট বরাবরই ব্যাটিং সহায়ক। তাই স্বাগতিকদের রান তাড়া করতে বেগ পেতে হয়নি খুলনা টাইর্গার্সকে।

বিজ্ঞাপন

আন্দ্রে ফ্লেচার এবং অধিনায়ক মুশফিকের ধুন্ধুমার ব্যাটিংয়ে খুলনা জিতে গেছে ** উইকেটে। শেষের দিকে মুশির সঙ্গে জুটি বেঁধে দারুণ ব্যাট করেছেন লঙ্কান সেকুজে প্রসন্ন। ম্যাচসেরা হয়েছেন আন্দ্রে ফ্লেচার।  

ম্যাচ শেষে দুই অধিনায়কের করমর্দন। ছবি : মীর ফরিদ

রান তাড়ায় খুলনা টাইগার্সের শুরুটা ভালো হয়নি। টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো খেলতে নেমে ৩ বলে মাত্র ১ রান করে শরীফুল ইসলামের শিকার হন সৌম্য সরকার। দলের স্কোর তখন ২। শুরুর ধাক্কা সামাল দেন অপর ওপেনার আন্দ্রে ফ্লেচার এবং রনি তালুকদার। দুজনে মিলে গড়েন ৫০ রানের চমৎকার এক জুটি। নাসুম আহমেদের ফ্লাইটে ১৮ বলে ২ চারে ১৭ রান করা রনি তালুকদার সীমানার ওপর ধরা পড়লে জুটির অবসান হয়। এরপর ৪৩ বলে ফিফটি তুলে নেন আন্দ্রে ফ্লেচার। এটা তার স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ২৮ নম্বর ফিফটি।  

ম্যাচসেরা আন্দ্রে ফ্লেচার। ছবি : মীর ফরিদ

এই ক্যারিবিয়ানের বিদায়েই ভাঙে ৩৯ বলে ৪৬ রানের জুটি। মেহেদি মিরাজের একটি ফ্লাইটেড ডেলিভারিতে অনসাইডে তুলে মারতে গিয়ে সীমানার কাছে উইল জ্যাকের তালুবন্দি হন ৪৭ বলে ৬ চার ২ ছক্কায় ৫৮ রান করা ফ্লেচার। এরপর আবারও ৪৫ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক মুশফিক আর শ্রীলঙ্কান সেকুজে প্রসন্ন। স্কোর লেভেল হওয়ার পর মিরাজকে তুলে মারতে গিয়ে শেষ হয় প্রসন্নর ১৫ বলে ১ চার ২ ছক্কা ২৩ রানের ইনিংস। মুশফিক ৩০ বলে ৪ চার ১ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন। ৭ বল এবং ৬ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় খুলনা। তিন ম্যাচে এটা তাদের দ্বিতীয় জয়।  

তরুণ শরীফুলকেও অভিনন্দন জানাতে ভোলেননি মুশফিক। ছবি : মীর ফরিদ

এর আগে চট্টগ্রমের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ৮ উইকেটে ১৪৩ রান তোলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে তারা শুরুতেই বিপদে পড়েছিল। দলীয় ৩ রানে কেনার লুইসকে (১) ফরহাদ রেজার তালুবন্দি করেন নাবিল সামাদ। এরপর আফিফ হোসেন আর উইল জ্যাক গড়েন ৫৩ রানের দারুণ জুটি। এই জুটিতেই চট্টগ্রামের ইনিংসের ভিত পাকা হয়ে যায়। উইল জ্যাক ২৩ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২৮ রানে আউট হলেও আফিফ আজ ইনিংস বড় করেছেন। ফরহাদ রেজার বলে মেহেদি হাসানের তালুবন্দি হওয়ার আগে খেলেছেন ৩৭ বলে ৪৪ রানের ইনিংস। যাতে ছিল ৩টি চার এবং ২টি ছক্কার মার।  

ক্যাচ নেওয়ার দারুণ চেষ্টা।  ছবি : মীর ফরিদ

আশ্চর্য হলেও সত্যি যে, এই দুজন ছাড়া পরের তিন ব্যাটার দুই অংকই ছুঁতে পারেননি! সাব্বির রহমান ৪, অধিনায়ক মেহেদি মিরাজ ৬, দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বেনি হাওয়েল ৫, ব্যর্থতার বৃত্তে ঘোরা শামীম হোসেন ২ রানে আউট হন। ৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেছেন লঙ্কান অল-রাউন্ডার থিসারা পেরেরা। ১৮তম ওভারে কামরুল হাসান রাব্বির শর্ট বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ফাইন লেগে ধরা পড়েন রেজাউর। শেষের দিকে নাঈমের ১৮ বলে ২১* এবং শরীফুল ইসলামের ৮ বলে ৭* রানে নির্ধারিত ২০ ওভারে চট্টগ্রামের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৮ উইকেটে ১৪৩ রান।



সাতদিনের সেরা