kalerkantho

শনিবার । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ৪ ডিসেম্বর ২০২১। ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

টুইটযুদ্ধে মাতলেন হরভজন-আমির

অনলাইন ডেস্ক   

২৭ অক্টোবর, ২০২১ ১২:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



টুইটযুদ্ধে মাতলেন হরভজন-আমির

বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে ভারত হেরে যাওয়ায় এমনিতেই শোয়েব আখতারের অপমান হজম করেছেন হরভজন সিং। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশটি থেকে এখন নিয়মিতই হরভজনকে খোঁচ হজম করতে হচ্ছে। বিশ্বকাপে ভারত এবং পাকিস্তান দলের ক্রিকেটারদের পারস্পরিক সৌহার্দের ছবি দেখে যখন আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছেন সমর্থকেরা, তখনই খোঁচা মারলেন পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আমির।

বিতর্কের সূত্রপাত আমিরের একটি টুইট নিয়ে। হরভজনকে উদ্দেশ্য করে আমির লিখেছেন, 'ইউটিউবে তোমার বোলিং দেখছিলাম। যেখানে লালা (শাহিদ আফ্রিদির ডাকনাম) তোমাকে চার বলে চারটে ছক্কা হাঁকিয়েছিল। ক্রিকেটে এমনটা হতেই পারে, কিন্তু টেস্ট ম্যাচে এমন ঘটনা দেখাই যায় না। মারটা একটু বেশিই হয়ে গিয়েছিল।'

আমিরের সেই টুইট দেখে রেগে আগুন হয়ে যান হরভজন। তিনি টেনে আনেন ২০১০ সালে লর্ডসে কুখ্যাত পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ড টেস্টের প্রসঙ্গ। যে ম্যাচে আমির নো-বল করেছিলেন। পরে আইসিসির দুর্নীতিদমন শাখা তদন্তে বেরিয়ে আসে, আমির জুয়াড়ির থেকে বিশাল অঙ্কের টাকা নিয়ে ম্যাচ ফিক্সিং করেছিলেন। যে কারণে তাকে নিষিদ্ধও হতে হয়েছিল।

টুইটারে ওই টেস্ট ম্যাচে আমিরের নো-বল করার একটি ছবি পোস্ট করে হরভজন লিখেন, 'লর্ডসে নো-বল কীভাবে হয়েছিল? কত টাকা নিয়েছিলে আর কে-ই বা টাকা দিয়েছিল? টেস্ট ক্রিকেটে নো-বল হয় কীভাবে? তোমার এবং তোমার ভক্তদের লজ্জিত হওয়া উচিত ক্রিকেটকে কলুষিত করার জন্য।'

হরভজন আরও লিখেন, 'শুধু টাকা, টাকা আর টাকা। সম্মানের কোনও মূল্যই নেই তোমাদের কাছে। দেশবাসী এবং তোমার সমর্থকদের কি বলতে পারবে, কত টাকা পেয়েছিলে? দূর হও। তোমাদের সঙ্গে কথাই বলা উচিত নয়।'

জবাবে আমির লিখেন, ''আমার অতীত নিয়ে কথা বলছো আর নিজের অবৈধ বোলিং অ্যাকশন নিয়ে কিছু বলো। তিনদিন আগেই তোমাদের মুখ বন্ধ করে দিয়েছি। এখন দেখো, কীভাবে আমরা বিশ্বকাপ জিতি। পার্কে গিয়ে হাওয়া খাও। মন ভালো থাকবে।'



সাতদিনের সেরা