kalerkantho

শনিবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৭ নভেম্বর ২০২১। ২১ রবিউস সানি ১৪৪৩

আবেগ সরিয়ে মাঠে মনোযোগ ডমিঙ্গোর

অনলাইন ডেস্ক   

২৪ অক্টোবর, ২০২১ ০২:৫৮ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



আবেগ সরিয়ে মাঠে মনোযোগ ডমিঙ্গোর

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আজ সুপার টুয়েলভ পর্ব শুরু করছে বাংলাদেশ দল। ওমানে কোয়ালিফায়ারের বাধা টপকালেও প্রত্যাশিত মানের ক্রিকেট খেলতে পারেননি মাহমুদ উল্লাহরা। তবে বাংলাদেশ দলের হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গো গতকাল ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে এসে আশার কথাই বলেছেন সংবাদ মাধ্যমকে—

উন্নতির জায়গা
আমি মনে করি প্রতিটা ডিপার্টমেন্টেই সবসময় উন্নতির সুযোগ আছে। আমরা জানি ব্যাটিংটা আমাদের ভালো হয়নি। শুরুর মত মাঝে এবং শেষদিকের ব্যাটিংটা প্রত্যাশানুযায়ী হয়নি। তবে বোলিংয়ের পারফরম্যান্স নিয়ে আমি যথেষ্ট সন্তুষ্ট। ফিল্ডিংটাও ভালো হয়েছে।

আবেগ নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে
আমি শুধু ক্রিকেটে মনোযোগ রাখতে চাই। দলের বাইরে কে কি বলছে, সেসব নিয়ে আমি মোটেও চিন্তিত নই। আমার নজর আগামীকালের (আজ) ম্যাচের জন্য দলকে মানসিক ও শারিরিকভাবে তৈরি রাখা। যখন আপনি বাংলাদেশের হয়ে খেলতে নামবেন, জেনে রাখবেন, মাঠের ফল যখন ভালো না হলে সমালোচনা হবেই। আর্ন্তজাতিক খেলাধুলায় এটাই হয়। আমাদের কোচিং স্টাফদের অন্যতম কাজ হলো সবাইকে মাঠের ক্রিকেটে মনোযোগী রাখা। বাইরের কে কি লিখছে কিংবা বলছে, সেসব তো আর আমরা নিয়ন্ত্রন করতে পারি না। আমাদের নজর থাকবে নিজেদের নৈপুণ্যের ওপর, আমরা সেসব বিশ্লেষণও করব। কোন কোন জায়গায় উন্নতি করতে হবে, সেসব নিয়ে ভাবব। কিন্তু আমরা যদি বাইরের বিষয় নিয়ে ভাবতে থাকি, তাহলে আমাদের ফোকাস ক্রিকেট থেকে সরে যাবে। কোন বিষয়ে আমাদের সব মনোযোগ থাকা উচিত, সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। এটাই ক্রিকেট।

এক্স-ফ্যাক্টর
গত কয়েক মাসে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আমরা অনেকগুলো ম্যাচ খেলেছি। ওয়ানডে এবং টেস্ট ক্রিকেটের ওদের সঙ্গে ভালো লড়াই করেছি। আমাদের দলের ভারসাম্য ভালো, বোলারদের স্কিল আছে। কয়েকজন বিপজ্জনক ব্যাটসম্যানও আছে। তারওপর আমাদের আছে সাকিবের মত বিশ্বমানের অলরাউন্ডার। আর এখানকার কন্ডিশনও আমাদের সাহায্য করবে। শারজার উইকেট অনেকটাই ঢাকার মত। আশা করি এই বিষয়গুলো কালকের ম্যাচে আমাদের সাহায্য করবে।

ম্যাচ শুরুর সময় প্রসঙ্গে
আমাদের ম্যাচগুলো দুপুর ২টায় (স্থানীয় সময়) আমরা খুশি। এটা আমাদের জন্য মানানসই। এতে শিশির নিয়ে ভাবতে হবে না। আমাদের স্পিনাররা ভালোভাবে তৈরি হয়ে এসেছে। শিশিরের সমস্যা না থাকাটা ওদের সাহায্য করবে। সবচেয়ে বড় কথা অন্য দলগুলোর মত আমাদের শিশির নিয়ে ভাবতে হবে না।

নিয়ম বদলে অন্য গ্রুপে খেলা নিয়ে
এই ফরম্যাটে যে কোন দল যে কাউকে হারাতে পারে, সেটা যে গ্রুপের ম্যাচই হোক না কেন। দু’টি গ্রুপই সমান কঠিন।

শ্রীলঙ্কার লেগস্পিনার সম্পর্কে
কয়েক মাস আগে হাসারাঙ্গার বিপক্ষে আমরা খেলেছি। আমরা জানি সে  কি করতে পারে।

শেখ মেহেদীর ভূমিকা
আমি মেহেদীর একজন ভক্ত। আমার মনে হয় ওর চরিত্রটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দলের প্রয়োজনে যা দরকার, সেটাই ও করতে রাজি। হুট-হাট টপ অর্ডারে ব্যাটিং করা খুব কঠিন কাজ। আবার লোয়ার অর্ডারেও নামতে হয় মেহেদীকে। কিন্তু ও কখনো এটা নিয়ে অভিযোগ করে না। দলের প্রয়োজনই ওর কাছে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। আর বোলিংয়ে তো দারুণ। যে কোন ম্যাচ পরিস্থিতিতে ওকে আক্রমণে আনা যায়। ইনিংসের মাঝখানে, শুরুতে কিংবা শেষে- ওর কোন আপত্তি নেই। সবচেয়ে বড় কথা হলো, যে কোন ভূমিকা ও খুশিমনে পালন করে। দলের জন্য শতভাগ দেয়।

পাওয়ার প্লে
পাওয়ার প্লে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খেয়াল করে দেখবেন, পাওয়ার প্লে-তে ভালো করা দলই শেষমেষ ম্যাচ জিতে। আমি মনে করি প্রথম ৬ ওভারের ব্যাটিং-বোলিং আগামীকালের ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিবে।



সাতদিনের সেরা