kalerkantho

রবিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৮ নভেম্বর ২০২১। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

'অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিরপুরের পিচটাও নিয়ে গেলে পারত'

সত্যজিৎ কাঞ্জিলাল   

১৮ অক্টোবর, ২০২১ ১৩:৩৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিরপুরের পিচটাও নিয়ে গেলে পারত'

ছবি : এএফপি

দেশের বাইরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে এসে দেশের মাটিতে টানা অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়! আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফোটার কথা টাইগারদের। কিন্তু আত্মবিশ্বাসের বদলে সবার মনেই ছিল একটা দ্বিধা। কারণ মিরপুরের ঘূর্ণি পিচে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির দলের বিপক্ষে সিরিজ জয় আর বিশ্বকাপের স্পোর্টিং উইকেটে ম্যাচ জেতা এক কথা নয়। ক্রিকেটাররা প্রকাশ্যে বলেছেন, এই পিচে খেলে তাদের কোনো লাভ হয়নি। তারা শুধু জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়েই বিশ্বকাপে যাচ্ছেন।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষে বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপনও আত্মবিশ্বাসের গল্প শুনিয়েছিলেন। কিন্তু মাঠের খেলায় দেখা গেল, আত্মবিশ্বাস পানিতে গুলিয়ে পান করেও কোনো লাভ হচ্ছে না। ম্যাচ জয়ের জন্য প্রয়োজন পারফরম্যান্স। স্কটল্যান্ডের মতো টেস্ট মর্যাদা না পাওয়া একটা দল গতকাল বাংলাদেশকে বলে কয়ে হারিয়েছে! ম্যাচের দুই দিন আগেই স্কটল্যান্ড কোচ শেন বার্জার বাংলাদেশকে আয়ারল্যান্ড আর ওমানের মতো দল হিসেবেই উল্লেখ করেছিলেন। ওমান তো গতকাল ১০ উইকেটে পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে তাদের বিশ্বকাপযাত্রা শুরু করেছে। আর বাংলাদেশ?

মিরপুরের পিচে খেলে বিশ্বকাপে গিয়ে টাইগারদের এমন করুণ অবস্থার অনুমান অনেকেই করেছিলেন। স্কটল্যান্ডের কাছে হারের পর টাইগাররা আদৌ দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে পারবে কি না সেটা নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ জন্য ওমান আর পাপুয়া নিউগিনিকে হারাতে হবে। ওমান যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, তা মাহমুদউল্লাহদের চেয়ে অনেকগুণ বেশি ভালো। সোশ্যাল সাইটে ট্রল হচ্ছে, 'শুধু জোড়া সিরিজ জয়ের অভিজ্ঞতা কেন, মিরপুরের পিচটা নিয়ে বিশ্বকাপে যেতে পারল না বাংলাদেশ দল?' ট্রল তো হবেই। কারণ স্কটল্যান্ডের কাছে একটা টেস্ট খেলুড়ে দেশের পরাজয়ের কোনো অজুহাত হতে পারে না।

বিশ্বের অন্যান্য দলগুলো যখন বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, বাংলাদেশ দল তখন সিরিজ জয়ে ব্যস্ত ছিল। লক্ষ্য ছিল র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি ঘটানো! বিসিবি সভাপতিও র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি ঘটানো নিয়ে খুব আগ্রহী ছিলেন। শেষ পর্যন্ত র‍্যাংকিংয়ে উন্নতি হওয়ায় তিনি বেজায় খুশিও হয়েছিলেন। এদিকে বহুদিন ধরেই ক্রিকেটবোদ্ধারা বলে আসছেন, দেশে পেস সহায়ক এবং স্পোর্টিং উইকেট তৈরির ব্যবস্থা করা হোক। তাহলেই না দেশের বাইরে ভালো করার পথ তৈরি হবে। কিন্তু সেই কথায় কান দেওয়ার লোক নেই। বিশ্বকাপের চেয়ে র‍্যাংকিং বড়।



সাতদিনের সেরা