kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ফিক্সিং : আরামবাগের ফুটবলারদের শাস্তি কমলেও কর্মকর্তাদের কমেনি

অনলাইন ডেস্ক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৯:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফিক্সিং : আরামবাগের ফুটবলারদের শাস্তি কমলেও কর্মকর্তাদের কমেনি

পারফরমেন্স তলানিতে, কিন্তু ফিক্সিংয়ে শীর্ষে! স্পট ফিক্সিং, অনলাইন বেটিংসহ গুরুতর সব অভিযোগে গত ২৯ আগস্ট আরামবাগ ক্রীড়া সংঘকে শাস্তি দিয়েছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। একইসঙ্গে ক্লাবটির কর্মকর্তা ও খেলোয়াড়দের বিভিন্ন মেয়াদে নিষিদ্ধ করা হয়। এবার আপিলের ভিত্তিতে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের ফুটবলারদের শাস্তির মেয়াদ কমিয়ে এক বছর করেছে বাফুফে। তবে অভিযুক্ত ক্লাব কর্মকর্তাদের শাস্তি কমেনি।

বাফুফের আগের সিদ্ধান্ত অনুসারে ফুটবলার আপেল মাহমুদ ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন। ৩ বছর নিষিদ্ধ করা হয় ফুটবলার আবুল কাশেম, আল আমিন, মোহাম্মদ রকি, জাহিদ হোসেন, রাহাদ মিয়া, মুস্তাফিজুর রহমান, শামীম রেজা ও অস্ট্রেলিয়ান ফুটবলার ক্রিস্টিয়ানকে। ২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন নাইজেরিয়ান ফুটবলার সিজোবা ক্রিস্টোফার। এছাড়া ওমর ফারুক, রকিবুল ইসলাম, মেহেদি হাসান ও মেরাজ মোল্লাকে এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। এই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করেন ফুটবলাররা।

অতঃপর,  ফুটবলারদের ক্যারিয়ার বিবেচনায় এনে আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে বাফুফের আপিল কমিটি। গতকাল আপিল কমিটির সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তু অনুসারে সবাইকে আগামী এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া পূর্বের সিদ্ধান্তে ক্লাবের সাবেক সভাপতি মিনহাজুল ইসলাম মিনহাজ, সাবেক টিম ম্যানেজার গওহর জাহাঙ্গীর, ভারতীয় ট্রেনার মাইদুল ইসলাম ও সহকারী ম্যানেজার আরিফ হোসেনকে ফুটবল সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকাণ্ড থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। ভারতীয় ফিজিও সঞ্চয় বোস ও এজেন্ট আজিজুল শেখ ১০ বছর নিষিদ্ধ ছিলেন। এই শাস্তিগুলো আগের মতোই বহাল থাকছে।

ক্লাব কর্মকর্তাদের শাস্তি না কমায় হতাশ আরামবাগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এজাজ জাহাঙ্গীর আদালতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আগের সিদ্ধান্ত অনুসারে শাস্তি হিসেবে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘকে প্রথম বিভাগে দুই মৌসুম খেলতে হতো। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুসারে তাদের দুই মৌসুম খেলার বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়েছে বাফুফে। সে ক্ষেত্রে আগামী মৌসুম শেষে যোগ্যতা অর্জন করলেই ক্লাবটি উঠে যাবে পেশাদার লিগের দ্বিতীয় স্তর চ্যাম্পিয়নস লিগে। তবে ক্লাবকে ৫ লাখ টাকা জরিমানার শাস্তি বহাল আছে।



সাতদিনের সেরা