kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ফাইনালের প্রতিশ্রুতি দিলেন ব্রুজোন

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০৩:৫২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ফাইনালের প্রতিশ্রুতি দিলেন ব্রুজোন

‘এই টুর্নামেন্টে র‌্যাংকিংয়ে আমাদের নিচে শুধু শ্রীলঙ্কা। ওদেরকে হারিয়েই আমরা টুর্নামেন্টটা শুরু করতে চাই। মালদ্বীপ, নেপালকে আমি মোটেও আমাদের চেয়ে এগিয়ে বলব না। ওরা আমাদের হারাতে পারে, আমরাও ওদের হারাতে পারি। সুযোগ তাই ফিফটি-ফিফটি। এই ফিফটি-ফিফটি লড়াইটাই আমি জিততে চাই। ফেডারেশনও সেই প্রত্যাশাই করে। ভারতকে এগিয়ে রেখে আমার লক্ষ্য তাই ফাইনাল খেলা। আমি এখানে লুকোছাপার কিছু দেখি না’—সাফ ফুটবলের জন্য বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নিয়ে নিজের লক্ষ্যের কথা এভাবেই জানিয়েছেন কোচ অস্কার ব্রুজোন।

প্রথম দিনই তিনি জেমি ডে’র থেকে নিজেকে আলাদা করে ফেললেন। জেমি কখনোই লক্ষ্যের ব্যাপারে এতটা পরিষ্কার ছিলেন না। উল্টো নেপালে ত্রিদেশীয় সিরিজে হারার পর বাংলাদেশের চেয়ে স্বাগতিকদের এগিয়ে রেখে হতাশাই ছড়িয়েছিলেন জেমি। ব্রুজোন সেখানে নেপাল-মালদ্বীপকেও বড় ভাবছেন না। ব্রুজোন কি তবে দুঃসাহসী? সেরকমই মনে হবে তাঁর আত্মবিশ্বাসী উচ্চারণ শুনলে। নইলে দায়িত্ব নেওয়ার সপ্তাহ ব্যবধানে দলকে নিয়ে সাফ ফাইনালের স্বপ্ন তিনি দেখছেন মনের জোরেই।

তবে ব্রুজোন নিজেকে দুঃসাহসী না ভেবে ইতিবাচক ভাবতেই বেশি পছন্দ করবেন। বাংলাদেশের খেলার ধরনেই যে ইতিবাচকতা আনতে যাচ্ছেন তিনি, ‘বাংলাদেশ এত দিন গোল হজম করতে না চাওয়ার যে ধরনে খেলে আসছে, এটা বদলে যাবে নিশ্চিত থাকুন। ঘরোয়া ফুটবলে বসুন্ধরা কিংসকে নিয়ে আমি যেভাবে সফল সেই ধারাবাহিকতাটাই আমি এখানে দেখাতে চাই। আমার হাতে এটাই সবচেয়ে ভালো বিকল্প। আমি যে দলটা নির্বাচন করেছি, সেটা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সেরা পারফরমারদের। সবচেয়ে বেশি খেলোয়াড় বসুন্ধরা কিংসের। এটা আমার জন্য সুবিধা হবে, কারণ তারা আমার ধরনটায় অভ্যস্ত। আমি অভ্যস্ত ৪-৩-৩ ফরমেশনে খেলাতে চাই। বেশির ভাগ ক্লাবের ফুটবলারই এতে অভ্যস্ত। তাই বলে খুব বেশি ঝুঁকি আমরা নেব, এমনও নয়। ডিফেন্সিভ ব্লক করতে হলে সেটা করব আমি মিডফিল্ডেই।’

২৭ জনের প্রাথমিক দলে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়া এলিটা কিংসলেকে রেখেছেন তিনি। যদিও এখনো পর্যন্ত ফিফা থেকে তাঁর খেলার অনুমোদন মেলেনি। শেষ পর্যন্ত সেটি না পাওয়া গেলে তাঁকে বাদ দিয়েই হবে ২৩ জনের চূড়ান্ত স্কোয়াড। দল নিয়ে আজ থেকেই পুরোদমে গেম প্ল্যান সাজানো শুরু করবেন ব্রুজোন। এই এক সপ্তাহ সময়কে আর প্রস্তুতির নয় বরং টুর্নামেন্ট সময় হিসেবেই ধরে নিচ্ছেন তিনি। তাই ফিটনেস নিয়ে নতুন করে আর কোনো কাজ হবে না, কাউকে নতুন করে দেখারও নেই। তাই প্রাথমিক দল আর খুব বেশি বড় করেননি তিনি। ‘জাতীয় দলের দায়িত্ব পাওয়াটা একজন কোচের জন্য সব সময়ই আশীর্বাদ’—এই মনোভাবেই নতুন চ্যালেঞ্জটা নিচ্ছেন বসুন্ধরা কিংসের সফল এই কোচ। এই ইতিবাচকতা তাঁকে কত দূর নিয়ে যায়, সেটিই এখন দেখার।



সাতদিনের সেরা