kalerkantho

শুক্রবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৮। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৬ সফর ১৪৪৩

ধোনিকে দেখে মনে হয়নি সে খ্যাতির শীর্ষে উঠবে : শাস্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক   

৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ১৬:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধোনিকে দেখে মনে হয়নি সে খ্যাতির শীর্ষে উঠবে : শাস্ত্রী

হঠাৎ করেই অস্ট্রেলিয়া সফরের মাঝপথে টেস্ট অবসর নিয়ে ফেলেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।  ২০০৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেকের পর ৯০ টেস্টে ৩৮.১০ গড়ে ৪৮৭৬ রানের মালিক ধোনি এভাবে টেস্টকে বিদায় জানানোয় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছিল। ২০১৪ সালে ধোনির এই হঠাৎ সরে দাঁড়ানোয় নির্ভেজাল আত্মত্যাগ হিসেবে মনে করছেন ভারতের জাতীয় দলের প্রধান কোচ রবি শাস্ত্রী।

ওই সময় ধোনির অবসরের সিদ্ধান্তে সহমত না হলেও রবি শাস্ত্রী অবশ্য এখন মনে করেন, ধোনি ঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছিলেন। শাস্ত্রী তার আত্মজীবনী 'স্টার গেজিং: দ্যা প্লেয়ার্স ইন মাই লাইফ'-এ লিখেছেন, 'ধোনি সেই সময় ভারতের এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রিকেটার ছিল। যে অধিনায়ক তিনটি আইসিসি ট্রফি জিতেছে। দারুণ ফর্মে ছিল। সেই সঙ্গে ১০০ টেস্ট ম্যাচ থেকে মাত্র ১০ ম্যাচ দূরে ছিল। সে চাইলেই নিজের ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান উন্নত করতেই পারত। তাই সেই সময় তার সিদ্ধান্ত যুক্তিহীন মনে হয়েছিল।'

তিনি আরও লিখেছেন, 'অনেক ক্রিকেটারই বলেন, ব্যক্তিগত রেকর্ড-মাইলফলক নিয়ে তারা ভাবেন না। তবে কিছু কিছু বিষয় তো তাদের ছুঁয়ে যায়। আমি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ধোনির মন ভাঙানোর চেষ্টা করেছিলাম। তবে তার কণ্ঠস্বরে এমন কাঠিন্য ছিল, যে আমি আর এগোতে পারিনি। আমার মনে হয় তার সিদ্ধান্ত একদম ঠিকঠাক ছিল- সাহসী এবং নিঃস্বার্থ। ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পজিশন ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত মোটেই সহজ নয়।'

ভারতের সর্বকালের সফলতম অধিনায়ক বলা হয় ধোনিকে। উইকেটকিপার হিসেবেও ৮০০ ডিসমিসালের রেকর্ড গড়েছেন। ধোনিকে ভারতের প্রভাবশালী ক্রিকেটার উল্লেখ করে শাস্ত্রী লিখেছেন, 'ক্রিকেটার হিসেবে ধোনির প্রভাব বিশাল। খেলোয়াড় হিসেবে শচীন, কপিল দেবের সঙ্গে সে একই ব্র্যাকেটে থাকবে। যে ব্র্যাকেটে থাকার অন্যতম শর্ত একাধিক ফরম্যাটে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা। যদিও ধোনির আন্তর্জাতিক অভিষেক দেখে মনেই হয়নি সে এই উচ্চতায় পৌঁছবে।'



সাতদিনের সেরা