kalerkantho

মঙ্গলবার । ১০ কার্তিক ১৪২৮। ২৬ অক্টোবর ২০২১। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

রেফারি নিয়ে বললে কমপক্ষে ৩৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ হব : কিংস কোচ

অনলাইন ডেস্ক   

২৫ আগস্ট, ২০২১ ০৮:০৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রেফারি নিয়ে বললে কমপক্ষে ৩৫ ম্যাচ নিষিদ্ধ হব : কিংস কোচ

সুশান্ত ত্রিপুরার লালকার্ড নিয়ে বিতর্ক থেকে গেল। ছবি : এএফসি

আন্তঃআঞ্চলিক পর্বের সেমিফাইনালে খেলতে হলে ম্যাচটিতে জিততেই হতো বসুন্ধরা কিংসের। আর মোহনবাগানের প্রয়োজন ছিল শুধুমাত্র ড্রয়ের। প্রথমার্ধে গোল করে এগিয়েও গিয়েছিল বসুন্ধরা কিংস। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জনের দল নিয়ে পাল্টা গোল খেয়ে ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন ভঙ্গ হলো কিংসদের। প্রথমার্ধের শেষ দিকে সুশান্ত ত্রিপুরা কোনো কারণ ছাড়াই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।

মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) মালদ্বীপের মালে ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে।

সুশান্ত ত্রিপুরার চার্জ ছিল না খুব একটা কড়া। প্রথম দফায় অনেকটা লাফিয়ে বল আটকানোর পর মোহন বাগানের শুভাশিস বোসের সঙ্গে বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে গিয়ে কিছুটা সংঘর্ষ হয়েছিল সুশান্তের। পেছন থেকে লাফিয়েছিলেন শুভাশিসই। পরে দুজনই পড়ে যান। রেফারি লাল কার্ড দেন বসুন্ধরা কিংসের ডিফেন্ডারকে। তাকে এই লাল কার্ড দেখানো নিয়ে সোশ্যাল সাইটে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ফুটবলপ্রেমীদের দাবি, সুশান্তকে লাল কার্ড দেখানো ছিল রেফারির পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত।

তবে ম্যাচ শেষে এএফসি কাপ থেকে ছিটকে যাওয়া কিংস কোচ রেফারিং নিয়ে হাঁটেননি সমালোচনার পথে।

সুশান্তের ওই লাল কার্ড ছাড়াও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে বিশ্বনাথ ঘোষের ক্রসে রবসন দি সিলভা রবিনিয়োর হেড মোহন বাগানের এক ডিফেন্ডারের হাতে লাগলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন করে কিংস। রেফারির সাড়া মেলেনি। ম্যাচ শেষে আভাসে কোচ অস্কার ব্রুসন জানালেন তিনি মোটেও সন্তুষ্ট নন।

“যদি আমি রেফারি নিয়ে বলি, তাহলে আমাকে কমপক্ষে ৩৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। রেফারি নিয়ে (কিছু বলতে হলে), আমাদের ক্লাবের বলা প্রয়োজন। কেননা, এটা শুধু আজকের ম্যাচে নয়, বেঙ্গালুরু এফসির বিপক্ষে ম্যাচেও হয়েছিল।”

কিংস কোচ বলেন, "আজ যেটা হয়েছে, সবাই দেখেছে, আপনারাও দেখেছেন। যখন একজন কম নিয়ে খেলা হয়, তখন প্রতিপক্ষ সুযোগ পায়। তারপরও আমি আমার ছেলেদের প্রশংসা করব। ১০ জন নিয়ে আমাদের লক্ষ্য ছিল সেন্ট্রাল এরিয়া নিয়ন্ত্রণে রাখা। প্রথমার্ধে আমরা খুবই আত্মবিশ্বাসী ছিলাম, এগিয়ে থাকা গোল আগলে রাখার ব্যাপারে। কিন্তু একটি মাত্র ট্রানজিশনের সময় তারা সুযোগ কাজে লাগাল। আমার মনে হয়, ম্যাচে এই একবারই তারা তা করতে পেরেছে। এর বাইরে পরিষ্কার কোনো সুযোগ পায়নি।”

ছিটকে যাওয়ার বিষাদ সঙ্গী হওয়া ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন কিংসের রবিনিয়ো। নকআউট পর্বের লক্ষ্য পূরণ না হলেও গর্ব অনুভব করছেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। বললেন, “এই ম্যাচটার জন্য খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম আমরা। ম্যাচগুলো আমরা যেভাবে খেলেছি, আমাদের গর্বিত হওয়া উচিত। লক্ষ্য ছিল এগিয়ে যাওয়ার (কিন্তু তা হয়নি)। গ্রুপে আমরা দ্বিতীয় হলাম, এটাও ক্লাবের জন্য ভালো ব্যাপার।”



সাতদিনের সেরা