kalerkantho

শুক্রবার । ৯ আশ্বিন ১৪২৮। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৬ সফর ১৪৪৩

বাংলাদেশের সঙ্গে আজ আসছে অস্ট্রেলিয়াও

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

২৯ জুলাই, ২০২১ ০৩:২৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বাংলাদেশের সঙ্গে আজ আসছে অস্ট্রেলিয়াও

এরই মধ্যে জৈব সুরক্ষা বলয়ে আন্তর্জাতিক সিরিজ আয়োজনের অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজ আর এবার অস্ট্রেলিয়াকে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আতিথ্য দেওয়ার মধ্যে বিস্তর ফারাক। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) নানাবিধ শর্ত মেনে সব ধরনের সুরক্ষাব্যবস্থাই নিশ্চিত করায় এবারের বলয় যেন একরকম ‘লখিন্দরের লৌহবাসর’ই হয়ে উঠেছে।

অন্যতম শর্ত ছিল, এই সিরিজের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে অস্ট্রেলিয়া দল ঢাকায় পা রাখার ১০ দিন আগে থেকেই কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। সব মিলিয়ে প্রায় ১৪০ জনের মতো তা থাকছেনও। এর মধ্যে ৮৫ জন আছেন হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। এর বাইরে ৪০ জনের মতো মাঠকর্মীও কোয়ারেন্টিন করছেন। তবে খেলা চলাকালীন মাঠকর্মীদেরও খেলোয়াড়দের সংস্পর্শে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাঁরা ম্যাচ শুরুর বেশ আগেই উইকেট ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য প্রস্তুতি সম্পন্ন করে দিয়ে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাবেন। বৃষ্টিতে উইকেট বা মাঠ ঢাকার প্রয়োজন পড়লে সেই কাজটিও মাঠকর্মীদের করতে হবে ক্রিকেটারদের থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান করেই।

অবশ্য মাঠকর্মীই শুধু নয়, যে কারো সংস্পর্শই এড়িয়ে চলতে চায় অস্ট্রেলিয়া। যেজন্য আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও থাকছে বিশেষ ব্যবস্থাই। একই দিনে দূর আফ্রিকা থেকে ফিরছে বাংলাদেশ দলও। সকাল ৯টায় ঢাকায় নামার কথা রয়েছে তাদের। অস্ট্রেলিয়া অবশ্য সিরিজ খেলে চার্টার্ড ফ্লাইটে করে আসছে আরো দূরের ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে। আজ বিকেল ৪টায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাদের। চাহিদানুযায়ী বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা থেকেও রেহাই দেওয়া হচ্ছে সফরকারীদের। বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনে ঢোকা এড়িয়ে টারমাক থেকে সরাসরি বাসে উঠে হোটেলের পথে রওনা হয়ে যাবেন অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটাররা।

বিমানবন্দর থেকে মাহমুদ উল্লাহদেরও গন্তব্য সরাসরি প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে। সেখানে দুই দলের সব সদস্যকেই তিন দিনের রুম কোয়ারেন্টিন করতে হবে। এই সময়ে নিজ নিজ ঘর থেকে বের হওয়াও নিষেধ। এই হোটেলে সিরিজসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ছাড়া বাইরের কোনো অতিথিও থাকতে পারবেন না। বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে নিয়োজিত যেসব স্থায়ী অতিথিরা আছেন, তাঁদেরও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে আলাদা ব্লকে। এতসব নিশ্ছিদ্র সুরক্ষাব্যবস্থার কারণে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরীও আশাবাদী যে আসন্ন সিরিজটি সফলভাবেই শেষ করা সম্ভব হবে, ‘কভিড পরিস্থিতির মধ্যেই দুটি আন্তর্জাতিক সিরিজ আমরা আয়োজন করেছি। আমাদের দলও বাইরে সফর করেছে। আমাদের কিন্তু ওই অভিজ্ঞতা হয়ে গেছে যে কোন কোন বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে এবং কোন কোন বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করলে সফলভাবে সিরিজ শেষ করা যাবে।’ তিন দিনের রুম কোয়ারেন্টিন করার পর ১ আগস্ট থেকে অনুশীলন শুরু করবে দুই দল। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সিরিজ শেষ করার চাহিদায় সাত দিনের মধ্যেই পাঁচটি ম্যাচ, হবে ৩, ৪, ৬, ৭ ও ৯ আগস্ট। প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়। হাঁটুর চোটে অ্যারন ফিঞ্চ ছিটকে পড়ার পর অবশ্য এখনো নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করেনি সিএ। ম্যাথু ওয়েড ও অ্যালেক্স ক্যারির মধ্য থেকে কোনো একজনকেই বেছে নেওয়ার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে বেশি।



সাতদিনের সেরা