kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

বাংলাদেশকে ১৬৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছে জিম্বাবুয়ে

অনলাইন ডেস্ক   

২৩ জুলাই, ২০২১ ১৮:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাংলাদেশকে ১৬৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছে জিম্বাবুয়ে

চলতি টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েসলি মাধেভেরে ও রায়ান বার্ল-এর দায়িত্বশীল খেলায় বাংলাদেশকে ১৬৭ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে জিম্বাবুয়ে।

আজ শুক্রবার টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় জিম্বাবুয়ে। এরপর মাধেভেরের ৭৩ ও বার্লের ঝড়ো ৩৪ রানের ইনিংসে ভর করে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রানের সংগ্রহ পায় স্বাগতিকরা।  

এবারের ম্যাচে বাংলাদেশ দল থেকে ইনজুরিতে ছিটকে গেছেন লিটন দাস ও মোস্তাফিজুর রহমান। তাদের জায়গায় দলে ঢুকেছেন তাসকিন আহমেদ ও অভিষিক্ত শামীম হোসেন পাটোয়ারী।  

জিম্বাবুয়ে দলেও দুটি পরিবর্তন এসেছে। এনগারাভা এবং মুসাকান্দাকে বসিয়ে একাদশে নেওয়া হয়েছে টেন্ডাই চাতারা এবং শুম্বাকে।

জিম্বাবুয়ে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে প্রথম ব্রেক থ্রু দেন মেহেদি হাসান। তার বলে বোল্ড হয়ে যান মারুমানি (৩)। এরপরই শূন্য রানে জীবন পান রেগিস চাকাভা। তাসকিনের বলে ক্যাচ উঠেছিল। শরীফুল আর মিরাজ দুজনেই দৌঁড় দেন ক্যাচ ধরতে। শেষ পর্যন্ত কেউই ধরতে পারেননি। ৯ বলে ১৪ রান করা সেই চাকাভাকে পরে শরীফুলের তালুবন্দি করেন সাকিব।

পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট হারিয়ে ৫০ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। এরপর ডিয়ন মায়ার্সকে নিয়ে এগিয়ে যান মাধেভেরে। মায়ার্সের সঙ্গে ৪৯ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়ার পথে ৪৫ বলে তিনি তুলে নেন ক্যারিয়ারের তৃতীয় ফিফটি। অবশ্য এরপরই মায়ার্সকে (২৬) বিদায় করে জুটি ভাঙেন শরীফুল। পাঁচে নামা জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজাকে (৪) রান আউট করে ফেরান সৌম্য সরকার।  

একপ্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতন অব্যাহত থাকলেও মাধেভেরেকে টলানো যায়নি। দুর্দান্ত সব শট খেলে তিনি দলের ইনিংস প্রায় একাই টেনে নিতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ১৮তম ওভারে শরীফুলের বলে আফিফ হোসেনের হাতে ক্যাচ দিলে শেষ হয় তার ৫৭ বলে ৭৩ রানের ইনিংস। দুর্দান্ত এই ইনিংসটি তিনি ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় সাজিয়েছেন।  

১৯ বলে ৩৪ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন রায়ান বার্ল। এরমধ্যে সাইফউদ্দিনের করা ১৯তম ওভারে আসে ১৬ রান, এর মধ্যে একটি বিশাল ছক্কাসহ ১২ রানই বার্লের। শরীফুলের করা শেষ ওভারেও ডিপ মিডউইকেটে ছক্কা হাঁকান তিনি। অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়ার আগে ২ ছক্কা ও ২ চার হাঁকিয়েছেন তিনি।



সাতদিনের সেরা