kalerkantho

বুধবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৪ সফর ১৪৪৩

ম্যাচসেরা সৌম্যর আক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক   

২৩ জুলাই, ২০২১ ১১:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ম্যাচসেরা সৌম্যর আক্ষেপ

ছবি : এএফপি

তার খেলার কথা ছিল তিন কিংবা চার নম্বরে। ফিল্ডিংয়ে নেমে লিটন দাস চোট পাওয়ায় ওপেনিংয়ে নামার কপাল খুলে যায়। সেই সুযোগ আর হাতছাড়া করেননি সৌম্য সরকার। অনেক দিন পর দেখা গেল তার চোখ ধাঁধানো ব্যাটিং। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বল হাতে এক উইকেট নেওয়ার পর ফিফটি করে তিনি হয়েছেন ম্যাচসেরা। দল জিতেছে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে। এত কিছু 'ভালো'র মাঝেও সৌম্যর মনে একটা আক্ষেপ থেকেই গেল।

ধারাবাহিকতার অভাবে আপাতত টেস্ট কিংবা ওয়ানডে ফরম্যাটে সৌম্যর ঠাঁই নেই। একমাত্র টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেই তিনি নিজেকে প্রমাণের সুযোগ পেয়েছেন। বিসিবির পাঠানো ভিডিও বার্তায় সৌম্য বলেন, 'অবশ্যই হতাশ হয়েছি। রান-আউট হয়েছি। যদি আমি থাকতাম, শেষ করে আসতে পারতাম, তাহলে নিজের আত্মবিশ্বাসের জন্য তো ভালো হতোই, ম্যাচও অন্তত আরো দুই ওভার আগে শেষ হতে পারত। ওদের বাঁহাতি স্পিনার ছিল, আমি থাকলে চার্জ করতে পারতাম।'

সৌম্যর ইনিংসের শুরুটা ছিল নড়বড়ে। পঞ্চম ওভারে  লুক জঙ্গুয়ের বলে ছক্কা মারার পর থেকে তিনি আত্মবিশ্বাস ফিরে পান। খেলেন ৪৫ বলে ২ চার ২ ছক্কায় ৫১ রানের ইনিংস। নাঈমের সঙ্গে তার ওপেনিং জুটিতে আসে রেকর্ড ১০২ রান। নিজের ইনিংস নিয়ে সৌম্য বলেন, 'প্রথম দিকে যখন রান আসছিল না, উইকেটে নাঈমের সঙ্গে কথা হচ্ছিল যে একটা ওভারে ১০-১২ রান হলেই পুষিয়ে নেওয়া যাবে। নাঈম এক ওভারে তিন চার মারে, গতিটা তখন আমাদের দিকে আসে। এরপর আমরা সেটা চালিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি।'

দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থাকলে জড়তা চলে আসে। সৌম্যরও তাই হয়েছিল, 'চার মাস পর খেললাম। সর্বশেষ নিউজিল্যান্ডে খেলেছিলাম। আজকে প্রথমে একটু নড়বড়ে লাগছিল। প্রথম কয়েকটি বলে যে শট খেলেছি, সব ফিল্ডারের হাতে চলে যাচ্ছিল। তখন নিজেকে বলেছি যে, একটু সময় নেওয়া উচিত। কয়েকটি বল খেলে একটি চার বা ছয় এলে তখন আবার নিজের মতো যাওয়া যাবে। পরে যখন আমার পছন্দের একটি বল পেয়েছি, ছক্কা মেরেছি। আত্মবিশ্বাসও ফিরে পেয়েছি।'



সাতদিনের সেরা