kalerkantho

শনিবার । ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩১ জুলাই ২০২১। ২০ জিলহজ ১৪৪২

সুপারস্টার তকমার বাইরে সমাজসেবী, প্রচারবিমুখ হ্যারি কেন

অনলাইন ডেস্ক   

৬ জুলাই, ২০২১ ১৩:২৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুপারস্টার তকমার বাইরে সমাজসেবী, প্রচারবিমুখ হ্যারি কেন

ইংল্যান্ডের সুপারস্টার অধিনায়ক হ্যারি কেন গোল করতে ভালোবাসেন। নিজের দিনে গোলের বন্যা বইয়ে দিতে পারেন। অধিনায়ক এমন একটা পদ, যা সবার ভাগ্যে জোটে না। এই পদের সঙ্গে খ্যাতি এবং বিড়ম্বনা দুটোই আছে। প্রিমিয়ার লিগে ইতিমধ্যেই তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় সাত নম্বরে। আগামী মৌসুমে আরও কয়েক ধাপ উপরে উঠে আসবেন। কিন্তু মাঠের এই পরিচয়ের বাইরেও হ্যারি কেনের অন্য এক পরিচয় আছে। তার খবর কয়জন জানে?

সাবেক ইংলিশ মহাতারকা ডেভিড বেকহ্যাম যে স্কুলে পড়েছেন, সেই একই স্কুলে পড়েছেন হ্যারি কেন। টিভিতে কার্টুন, বিশেষত 'ডেক্সটার' দেখতে প্রচণ্ড ভালবাসেন। আমেরিকান ফুটবল লিগের অন্ধ ভক্ত। নিজেকে 'সেলিব্রিটি' ভাবতে একেবারেই পছন্দ করেন না। একবার টটেনহ্যামের হয়ে অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে গিয়েছিলেন। সন্ধ্যায় হাঁটতে বেরিয়েছিলেন স্থানীয় একটি মলে। কিছুক্ষণ পরেই আবিষ্কার করেন তিনি হাজার হাজার সমর্থকের মাঝে বন্দি। সবাই একবার তার সঙ্গে সেলফি তুলতে চান, অথবা হাত মেলাতে চান। সে যাত্রায় ক্লাব তাকে বাঁচিয়ে দেয়। কিন্তু ওই একটি ঘটনায় হ্যারি বুঝতে পেরেছিলেন, খ্যাতির বিড়ম্বনা সবে শুরু হল।

ছোটবেলা থেকে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখলেও, নানা কারণে তার প্রতিভার বিকাশ হয় দেরিতে। একের পর এক সুযোগ হারাচ্ছিলেন। এই ক্লাব থেকে সেই ক্লাবে লোনে কাটছিল তার ফুটবলজীবন। এক সময় ভেবেছিলেন খেলা ছেড়ে দেবেন। ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিলেন হতাশার দিকে। তখনই জীবনে আসে বদল। হ্যারি নিজের দুঃখের দিনের কথা ভুলে যাননি। ছোট ক্লাবে খেলার সময় থেকেই ফুটবলের ছোটখাটো জিনিস নিয়ে প্রচুর সময় ব্যয় করেছেন। এখনো করে যাচ্ছেন।

হ্যারি কেন কিন্তু লিওনেল মেসি কিংবা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো বিত্তিশালী নন। কিন্তু সেই সুযোগ তার কাছেও ছিল। একাধিক নামী সংস্থা প্রচুর অর্থের লোভ দেখিয়ে তাকে বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল। হ্যারি রাজি হননি। ঠিক করে নিয়েছেন সেই ধরনের বিজ্ঞাপনই করবেন, যা তার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যায়। তারকাখ্যাতির বাইরে হ্যারি কেন একাধিক চ্যারিটি সংস্থা চালান। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে তাদের সাহায্য করেন। তিনি চান তার খেলা দেখে মানুষ আনন্দ পাক। তারকাখ্যাতি দেখে নয়।



সাতদিনের সেরা