kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮। ৩০ জুলাই ২০২১। ১৯ জিলহজ ১৪৪২

স্লোভাকিয়াকে গোল বন্যায় ভাসিয়ে নকআউটে স্পেন

অনলাইন ডেস্ক   

২৪ জুন, ২০২১ ০২:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্লোভাকিয়াকে গোল বন্যায় ভাসিয়ে নকআউটে স্পেন

স্লোভাকিয়াকে গোল বন্যায় ভাসিয়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নিল স্পেন। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইউরোর কোনো ম্যাচে পাঁচ গোলের দেখা পেল স্প্যানিশরা। আগের ২ ম্যাচেই ড্র করেছিল স্পেন। 

সেভিয়ার লা কার্তুহায় বুধবার রাতে ‘ই’ গ্রুপের শেষ রাউন্ডে ৫-০ গোলে জিতেছে স্পেন। স্লোভাকিয়ার শুরু ও শেষের দুই আত্মঘাতী গোলের মাঝে জালে বল পাঠান এমেরিক লাপোর্ত, পাবলো সারাবিয়া ও ফেররান তরেস।

ইউরোতে নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে জয়ের বিকল্প ছিল না স্পেনের। আর সেই ম্যাচের শুরুতেই কিনা পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ আলভারো মোরাতা। ম্যাচের ১০ মিনিটের মাথায় কোকেকে ডি-বক্সের ভেতর ফাউল করায় পেনাল্টি পায় স্পেন। স্পট কিক থেকে শট নিতে এসে বাঁ দিকে শট করেন মোরাতা আর তা সঠিকভাবে ঝাঁপ দিয়ে রুখে দেন স্লোভাকিয়ার গোলরক্ষক।

স্পেনের কাটিয়ে ওঠার শুরু ৩০ মিনিটে, যখন স্লোভাকিয়ার মার্টিন ডুব্রাভকা নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে স্প্যানিশদের লিড উপহার দেন। পরে স্লোভাকিয়াকে বিধ্বস্ত করে ছাড়ে লুইস এনরিকের স্পেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে এমেরিক লাপোর্তে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। বলের যোগানদাতা ছিলেন জেরার্ড মোরেনো।

বিরতির পর ফিরে ৫৬ মিনিটে পাবলো সারাবিয়া গোল করেন জর্ডি আলবার বাড়ানো বলে। ৬৭ মিনিটে ফের্নান তোরেসের গোলে সহযোগী হন সেই সারাবিয়াই। সেটি দলের চতুর্থ গোল। স্লোভাকিয়ার জালে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন তাদেরই একজন, জুরাজ কুচকাও নিজেদের জালেই বল জড়িয়ে জয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে দেন স্প্যানিশদের। সেটি ম্যাচের ৭১ মিনিটের কথা। পরে আর ব্যবধান না বাড়লেও হাসিমুখেই মাঠ ছাড়ে সার্জিও বুসকেটসের দল।

গ্রুপ ‘ই’র আগের ম্যাচে পোল্যান্ডকে ৩-২তে হারিয়েছে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করা সুইডেন। তিন ম্যাচে ২ জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট ঘরে তুলে গ্রুপের সেরা হয়ে ষোলোয় গেল সুইডিশরা। স্লোভাকিয়াকে হারিয়ে একটি জয় ও দুই ড্রয়ে গ্রুপ রানার্সআপ স্পেনের পয়েন্ট ৫। তিন ম্যাচে ৩ পয়েন্ট স্লোভাকিয়ার, টেবিলের তিনে তারা। পোলিশদের পয়েন্ট ১। সেরা ষোলোর টিকেট পেতে স্লোভাকিয়াকে এখন অপেক্ষা করতে হবে অন্য গ্রুপগুলোর খেলা শেষ হওয়া পর্যন্ত।



সাতদিনের সেরা