kalerkantho

বুধবার । ২০ শ্রাবণ ১৪২৮। ৪ আগস্ট ২০২১। ২৪ জিলহজ ১৪৪২

১৯ বছরের ইরফানকে দলেই নিতে চাননি গাঙ্গুলী!

অনলাইন ডেস্ক   

২১ জুন, ২০২১ ১৮:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৯ বছরের ইরফানকে দলেই নিতে চাননি গাঙ্গুলী!

ভারতের তারকা পেস বোলিং অল-রাউন্ডার ছিলেন ইরফান পাঠান। সৌরভের অধিনায়কত্বেই তার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল। ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে ইরফান এডিলেডে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামেন। তবে সৌরভ নাকি পাঠানকে একাদশে নিতে চাননি। সেই সময় পাঠানের বয়স ছিল মাত্র ১৯ বছর। এই অল্প বয়সে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের মোকাবেলা করার মতো স্কিল পাঠানের আছে কি-না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ ছিল গাঙ্গুলীর।

২০০৩ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরে পাঠানকে ভারতীয় দলে ডাকা হয়। তবে প্রথম সফরেই যে তিনি একাদশে সুযোগ পাবেন, সেটা প্রায় কেউই ভাবেননি। তবে সুযোগ পেতেই নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করেছিলেন বাঁ হাতি পেস অল-রাউন্ডার। যারা তার যোগ্যতা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন, তাদের ভুল প্রমাণ করেন। দুর্দান্ত সুইং এবং পেস দিয়ে শুরুতেই বাজিমাত করতে থাকেন ইরফান। পুরস্কারস্বরূপ তিনি শিগগিরই জাতীয় দলে নিয়মিত মুখ হয়ে যান।

স্টার স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাতকারে ইরফান বলেছেন, '১৯ বছর বয়সে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলার জন্য আমার বয়স বেশ কম মনে হয়েছিল দাদার। আমি যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ব, সেটা তিনি বারবার বলেছিলেন। একপর্যায়ে মুখের ওপর বলে দিয়েছিলেন, "দলে তোমাকে একেবারেই চাইছি না।" আমার পারফর্মেন্স দেখার পর দাদা কাছে এসে বলেন, তিনি আমাকে নিয়ে কতটা ভুল ভেবেছিলেন! এটা আমাকে বেশ অবাক করে। কারণ খুব কম অধিনায়কই নিজেদের নির্বাচন নিয়ে প্রকাশ্যে ভুল স্বীকার করেন!'

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অভিষেকের পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি পাঠানকে। ভারতের জার্সিতে ২৯টি টেস্ট, ১২০টি ওয়ানডে এবং ২৪টি টি-টোয়েন্টি খেলেন। ২০০৭ সালে ধোনির নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী স্কোয়াডেও ছিলেন তিনি। ২০১২ সালে শেষবার জাতীয় দলের জার্সিতে খেলতে দেখা যায় ইরফানকে। তারপর খারাপ ফর্ম এবং ফিটনেসের কারণে জাতীয় দল থেকে পুরোপুরি বাদ পড়েন। গত বছরই সমস্ত ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন ইরফান।



সাতদিনের সেরা