kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩ আষাঢ় ১৪২৮। ১৭ জুন ২০২১। ৫ জিলকদ ১৪৪২

অলিম্পিকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখর জাপানের জনগণ!

অনলাইন ডেস্ক   

১৮ মে, ২০২১ ১৫:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অলিম্পিকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখর জাপানের জনগণ!

ছবি : এএফপি

গত বছর কোভিড ১৯ এর জন্য স্থগিত হয়ে গিয়েছিল টোকিও অলিম্পিক। আসরটি চলতি বছর ২৩ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত হওয়ার কথা। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় আবার অলিম্পিক নিয়ে আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে। জাপানের সিংহভাগ জনগন এই অবস্থায় অলিম্পিক আয়োজনের বিরুদ্ধে। তারা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। রাস্তায় নেমেছেন। ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ মানু্ষ অলিম্পিক বন্ধের দাবিতে হলফনামা জমা দিয়েছেন।

অলিম্পিক আয়োজনের আর মাত্র ২ মাস বাকি। ইতিমধ্যেই প্রতিযোগিতা আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে আয়োজক কমিটি ও জাপান সরকার। করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও সুরক্ষা বিধি মেনে অলিম্পিক আয়োজনের ব্যাপারে জাপান সরকার আশাবাদী। যদিও সাধারণ মানু্ষ এই মুহূর্তে অলিম্পিক চান না। পাশাপাশি জাপানের দুই টেনিস খেলোয়াড় নাওমি ওসাকা ও কেই নিশিকোরি সরকারের অলিম্পিক আয়োজনের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের দাবি ইতিমধ্যেই অলিপিক বাতিল করা হোক।

একটি জরিপে দেখা গেছে, জাপানের ৮০ শতাংশের বেশি মানুষ অলিম্পিক আয়োজনের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। জাপানের আশাহি শিমবুন নামে এক সংবাদপত্রের সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৪৩ শতাংশ মানুষ চান অলিম্পিক বাতিল করা হোক। আর ৪০ শতাংশ মানুষ চান অলিম্পিক আবার স্থগিত রাখা হোক। অলিম্পিক বন্ধের দাবিতে ইতিমধ্যেই প্রচার শুরু করেছেন টোকিওর গভর্নর পদপ্রার্থী কেনজি আটসোনোমিয়া। তার আবেদনে প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষ সাধারণ মানুষ স্বাক্ষর করেছেন।

অলিম্পিক বাতিলের দাবিতে শুধু জাপানের সাধারন মানুষ নয়; বিভিন্ন ক্রীড়াবিদও সরব হয়েছেন। ইতিমধ্যেই প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে চেয়েছেন রাফায়েল নাদাল। সেরেনা উইলিয়ামস তো না খেলার ঘোষণা দিয়েছেন। কিংবদন্তি রজার ফেদেরার বলেছেন, 'খুব কঠিন সময় পার করছি। তবুও জাপান সরকার প্রতিযোগিতা আয়োজন করতে মরিয়া। জাপানের সাধারণ মানুষ সরকারের বিরোধিতায় নেমেছে। আমিও অলিম্পিকে খেলতে চাই। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে কীভাবে এত বড় প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে, বুঝতে পারছি না।’'



সাতদিনের সেরা