kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

বল টেম্পারিংয়ের পুনঃতদন্ত দাবি; বের হবে আরও থলের বেড়াল!

অনলাইন ডেস্ক   

১৭ মে, ২০২১ ২০:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বল টেম্পারিংয়ের পুনঃতদন্ত দাবি; বের হবে আরও থলের বেড়াল!

তিন বছর আগের বল টেম্পারিং নিয়ে ক্যামেরুন ব্যানক্রফটের বোমা ফাটানোর পর পুনরায় তদন্ত করার জন্য নড়েচড়ে বসেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। তদন্ত হলে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য বের হয়ে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক দুই অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক ও অ্যাডাম গিলক্রিস্ট। ২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে কেপ টাউন টেস্টে বল বিকৃতির দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি পেয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার দলের স্টিভেন স্মিথ-ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামরুন ব্যানক্রফট।

সম্প্রতি বেনক্রফট দাবি করেছেন, ওই বল টেম্পারিং করার কথা অস্ট্রেলিয়ার দলের সব বোলারই জানতেন! বর্তমানে ইংল্যান্ডে কাউন্টি খেলছেন ব্যানক্রফট। ইংল্যান্ডের সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বল টেম্পারিং নিয়ে তিনি বলেন, 'আমি যে কাজটা করেছিলাম, তাতে বোলাররা সুবিধা পেয়েছিল। সবাই জানত কী ঘটবে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সেই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণে ছিলেন মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজেলউড, প্যাট কামিন্স এবং নাথন লিঁও। তারা সবাই বল বিকৃতির বিষয়টি জানতেন।'

ব্যানক্রফটের এমন মন্তব্যের পর পুনরায় বল টেম্পারিংর ঘটনা তদন্ত করবে বলে নিশ্চিত করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। মুখ খুলেছেন সাবেক ক্রিকেটাররা। এর মাঝে সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক বলেন, 'এই বল টেম্পারিং আমাদের ক্রিকেটের অনেক বড় লজ্জার ইতিহাস হয়ে আছে। এটি নিয়ে আবারো তদন্ত করা দেশের ক্রিকেটের জন্যই ক্ষতিকর। তারপরেও বিষয়টি নিয়ে ভালোভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। এর পেছনে আরো অনেক বিষয় আছে, যা প্রথম তদন্তে ধরা পড়েনি।'

আর অ্যাডাম গিলক্রিস্ট বলেন, 'আবারও তদন্ত হলে যারা বল টেম্পারিংয়ের সাথে জড়িত ছিল তাদের মুখোশ উন্মোচিত হবে। অনেকেই এই ঘটনাকে এতদিন ধামাচাপা দিয়ে রেখেছিল। এখন সঠিক সময় দেখে তারা সব বলতে শুরু করেছে। এর জন্য সিএ'ই দায়ী। তখন এটাকে একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে তারা তিনজনকে শান্তি দিয়েছিল। বাকিরা নাকি জানত না। আবার এটাও হতে পারে, ব্যানক্রফট নিজের ইচ্ছায় শিরিষ কাগজ ঘষেছে বলে বাকিদের জানায়নি! তবে বোর্ডের উচিত ছিল আরো ভালো করে তদন্ত করা।'

ব্যানক্রফটের সাক্ষাৎকারের পর সিএর পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, 'বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারি নিয়ে যদি কেউ নতুন কোনো তথ্য দেয় তবে আমরা পুনরায় তদন্ত করার পক্ষে। আগে যে তদন্ত হয়ে ছিল তা সঠিকভাবেই হয়েছিল। তারপরও কেউ নতুন করে তথ্য দিলে নতুন করে তদন্ত শুরু করার প্রয়োজন আছে। এতে আরো নতুন কিছু বের হয়ে আসতে পারে।'



সাতদিনের সেরা