kalerkantho

সোমবার । ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৪ জুন ২০২১। ২ জিলকদ ১৪৪২

'আমার সঙ্গে যা ঘটেছে, তা অন্য কোনো ক্রিকেটারের জীবনে যেন না ঘটে'

অনলাইন ডেস্ক   

১৩ মে, ২০২১ ১৫:৪৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'আমার সঙ্গে যা ঘটেছে, তা অন্য কোনো ক্রিকেটারের জীবনে যেন না ঘটে'

২০২০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মদ আমির। মাত্র ২৮ বছর বয়সে অবসর নেওয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। কোন পরিস্থিতিতে এবং কেন অবসর নিতে বাধ্য হয়েছিলেন এবার তা নিয়ে মুখ খুললেন আমির। এই গতিতারকার চাওয়া, তার সঙ্গে যা হয়েছে, এমন যেন কোনো ক্রিকেটারের জীবনে না ঘটে।

নিউজ১৮-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আমির বলেন, 'নিজের প্রাণের দেশের খেলা থেকে অবসরে যাওয়া সহজ কাজ নয়। আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক ভেবেছি। যারা আমার কাছের মানুষ তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারপর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি কেন অবসর নিয়েছি, এ নিয়ে কথা বললে এটা খুবই কুৎসিত ব্যাপার হবে। আশা করব আমাদের খেলোয়াড়রা, বিশেষ করে যারা তরুণ তাদের এমন কিছুর সামনে পড়তে হবে না, যেমনটা আমার বেলায় হয়েছে। আমি চাই না, আমাদের তরুণ খেলোয়াড়রা কোনো কষ্ট পেয়ে তাদের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিক, যেমনটা আমি দিয়েছি।'

তিনি আরো বলেন, 'আমাকে কোনো রকম সম্মান দেখানো হতো না। সে জন্যই অবসরের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি। পাকিস্তানের ক্রিকেটের দায়িত্বে যারা রয়েছেন, তারা নিজেদের কাজ করেছে। তাদের কিছু দায়িত্ব আছে, সিদ্ধান্ত নিতে হয়, আমার কাছে আমার ক্যারিয়ার ছিল। কিন্তু পারলাম না সেটা এগিয়ে নিয়ে যেতে।'

দেশের মাটিতে পাকিস্তানের হয়ে টেস্ট খেলতে না পারার দুঃখও রয়েছে আমিরের। তিনি বলেন, 'দেশের মাটিতে কোনো টেস্ট খেলতে না পারাটা অনেক বেদনার। এর পেছনে বেশ কিছু কারণ ছিল। আমি যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু করি, তখন পাকিস্তানে কোনো ম্যাচ হতো না। এরপর তো আমি টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসরই নিলাম। এর পরও আমি গর্বিত। টেস্ট ক্রিকেটে একবার-দুইবার নয়, ৩৬ বার পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছি।'

পাকিস্তানের হয়ে ৩৬টি টেস্ট, ৬১টি ওয়ানডে ম্যাচ এবং ৫০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন আমির। টেস্টে ১১৯টি, ওয়ানডেতে ৮১টি ও টি-টোয়েন্টিতে ৫৯টি উইকেট নেন। আপাতত জাতীয় দলে ফেরার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না আমির। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে এলে সেটি সম্ভব হবে বলে জানান তিনি, 'এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে যদি কিছু ব্যাপারে উন্নতি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আবারও হয়তো পাকিস্তানের হয়ে খেলব।'



সাতদিনের সেরা