kalerkantho

শনিবার । ৫ আষাঢ় ১৪২৮। ১৯ জুন ২০২১। ৭ জিলকদ ১৪৪২

৬ গোলে হারা আরামবাগ জিতল এবার

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

১২ মে, ২০২১ ০৩:০২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



৬ গোলে হারা আরামবাগ জিতল এবার

প্রথম লেগে যাদের বিপক্ষে গোল উৎসব করেছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব, কাল সেই আরামবাগের কাছে ৩-১ গোলে হেরে বসেছে তারা। চলতি লিগের সবচেয়ে বড় অঘটন এটি। এই হারে শিরোপা দৌড়ে অনেকখানি পিছিয়ে পড়ল শেখ জামাল। ১৫ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে শফিকুল ইসলাম মানিকের দল আছে তৃতীয় স্থানে। একই সংগ্রহ নিয়ে গোল পার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে আবাহনী। ৪৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বসুন্ধরা কিংস। ৫ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে আছে আরামবাগ। পরের ম্যাচে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রও ২-০ গোলে হেরেছে চট্টগ্রাম আবাহনীর কাছে।

টানা তিন জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে নামা শেখ জামালের শুরুটা ভালো ছিল। গোল করায় তাদের জুড়ি নেই। সেটা ১৫ মিনিটেই তারা দেখিয়েছে, মনির হোসেনের পাঠানো লং বল বুকে নামিয়ে গাম্বিয়ান ওমর জোবে ডান পায়ের সাইড ভলিতে লক্ষ্যভেদ করে এগিয়ে নেন দলকে। শুরুর এই গোলের সুবাদে বারবার ফিরে এসেছিল প্রথম লেগে আরামবাগের বিপক্ষে তাদের ৬-০ গোলের স্মৃতি। কিন্তু ব্যবধান আর বাড়াতে পারেনি এই ম্যাচে, উল্টো ম্যাচে ফিরে চমকে দিয়েছে আরামবাগ। শেখ জামালের ফরোয়ার্ড লাইনে গোলের সুখ্যাতি থাকলেও রক্ষণে গোল খাওয়ায়ও জুড়ি নেই। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে ঠিকই গোল খেয়ে বসেন জিয়াউর রহমান। আরামবাগের উজবেক ফরোয়ার্ড ইসলমজন আব্দুকাদিরভের ফ্রি-কিকে বলের লাইনে লাফিয়েও শেখ জামালের এই গোলরক্ষক ঠেকাতে পারেননি গোল। এর পরও হতাশ হওয়ার কিছু ছিল না, কারণ তাদের অ্যাটাকিং লাইনের ম্যাচ জেতানোর ক্ষমতা আছে।

কিন্তু বিরতির পর আরামবাগ তিন মিনিটে দুই গোল করে বদলে দিয়েছে ম্যাচের চেহারা। ৫৪ মিনিটে একটি থ্রো-ইন ক্লিয়ার করতে পারেননি মুনির হোসেন। তাঁর মাথা ছুঁইয়ে বলে হেড করে ওমর ফারুক ২-১ গোলে এগিয়ে নেন আরামবাগকে। ৫৬ মিনিটে দুই ডিফেন্ডার প্রহরায় থাকলেও আব্দুকাদিরভকে আটকাতে পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন জিয়া। কিন্তু আটকাতে পারেননি, তাঁকে ফাঁকি দিয়ে উজবেক ফরোয়ার্ড শেখ জামালের জালে বল পাঠিয়ে ব্যবধান ৩-১ করেন। এরপর ৮৬ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেলেও তারা গোল পায়নি। জাহিদের ফ্রি-কিকে রেজাউল করিমের হেড দারুণ সেভ করেন গোলরক্ষক আবুল কাশেম মিলন।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৪ মিনিটে রক্ষণের ভুলে প্রথম গোল হজম করে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র। ডান দিক থেকে উড়ে আসা ক্রসটি বিপদমুক্ত করতে গিয়ে আসরোভ হেডে বলে তুলে দেন গুইলের্মের পায়ে। সেটি ডান পায়ের ভলিতে জালে পাঠিয়ে এই ব্রাজিলিয়ান এগিয়ে নেন চট্টগ্রাম আবাহনীকে। এক গোলে পিছিয়ে পড়েও রাসেল ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে। তবে হাফ-চান্সগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। কিন্তু বিরতিতে যাওয়ার আগে আরেক গোল খেয়ে বসলে ম্যাচে ফেরার লড়াইটা কঠিন হয়ে যায় তাদের জন্য। চার্লস দিদিয়েরের লব বাঁ পায়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান পায়ের গড়ানো শটে রাকিব ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এই গোলেও সামনে থাকা দুই রাসেল ডিফেন্ডার শুধু চেয়ে চেয়ে দেখলেন।



সাতদিনের সেরা