kalerkantho

বুধবার । ৯ আষাঢ় ১৪২৮। ২৩ জুন ২০২১। ১১ জিলকদ ১৪৪২

সাকিবের সঙ্গে তাদের আকাশ-পাতাল পার্থক্য!

অনলাইন ডেস্ক   

২৩ এপ্রিল, ২০২১ ১৯:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাকিবের সঙ্গে তাদের আকাশ-পাতাল পার্থক্য!

বাংলাদেশের বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার সাকিব আল হাসান। তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটেই যার অসামান্য সব কীর্তি আছে। মাসের পর মাস যিনি তিন ফরম্যাটেই শীর্ষ অল-রাউন্ডার হিসেবে থেকে গেছেন। নিষেধাজ্ঞা কাটানোর পরেও তিনি ফের শীর্ষ অল-রাউন্ডার। কিন্তু এই সাকিব যদি বাকি দলগুলোর মতো বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেতেন, তাহলে রেকর্ডগুলো নিশ্চয়ই আরও অবিশ্বাস্য হয়ে উঠত। কিন্তু এখানেই বাংলাদেশের সঙ্গে বৈষম্য করা হয়েছে। যার প্রমাণ মেলে পরিসংখ্যানেই।

একইসঙ্গে স্পেশালিস্ট ব্যাটসম্যান এবং স্পেশালিস্ট বোলার হিসেবে খেলে যাওয়া ইতিহাসের বিরলতম অল-রাউন্ডার হলেন সাকিব। ২০০৭ সালের ১৮ মে অভিষেকের পর সাদা পোশাকে তিনি মাত্র ৫৭টি ম্যাচ খেলেছেন! তার সময়ে কিংবা তার পরবর্তীতে অভিষিক্ত ক্রিকেটারদের নামের পাশে টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা দেখলে ভিরমি খেতে হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশের প্রতি আইসিসির বিমাতাসুলভ আচরণের নির্ভেজাল প্রমাণও পাওয়া যায়।

সাকিবের পরে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর অভিষিক্ত ইংলিশ পেসার স্টুয়ার্ট ব্রড এখন পর্যন্ত ১৪৬ ম্যাচ খেলেছেন। ২০০৬ সালে অভিষিক্ত স্যার অ্যালিস্টার কুক সাকিবের অভিষেকের পর খেলেছেন ১৪৬টি টেস্ট। একইভাবে জেমস অ্যান্ডারসন ১৪৪, হাশিম আমলা ১১১, নিউজিল্যান্ডের রস টেইলর ১০৫, জো রুট ১০৩ টেস্ট খেলেছেন। ইংল্যান্ড নিউজিল্যান্ড দূরে রেখে যদি পাশের দেশ ভারতে নজর দেওয়া যায়, তাহলে বৈষম্যটা আরও প্রকট হয়ে ওঠে।

সাকিবের অভিষেকের ৪ বছর পর ২০১১ সালের ১২ জুন অভিষিক্ত ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি ১০ বছরে খেলেছেন ৯১টি টেস্ট। ভারতীয় পেসার ইশান্ত শর্মা তো আরও বেশি- ১০১ টেস্ট। এছাড়া অজি স্পিন তারকা নাথান লায়ন ১০০ টেস্ট খেলে ফেলেছেন। এটা সত্য যে, ২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার পর এই ২১ বছরে বাংলাদেশের সাদা পোশাকে পারফর্মেন্স হতাশাজনক। কিন্তু এত কম টেস্ট খেলে পারফর্মেন্সের উন্নতি ঘটানো কীভাবেই বা সম্ভব। সেইসঙ্গে বড় দলগুলো তো বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট খেলতেই চায় না। এটা কি বৈষম্য নয়?



সাতদিনের সেরা