kalerkantho

বুধবার । ২৯ বৈশাখ ১৪২৮। ১২ মে ২০২১। ২৯ রমজান ১৪৪২

ইনিংসটা আরো লম্বা করতে চান শান্ত

অনলাইন ডেস্ক   

২২ এপ্রিল, ২০২১ ০৯:৪৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইনিংসটা আরো লম্বা করতে চান শান্ত

ছবি: সিএলসি

৩০২/২ স্কোরের স্বস্তি নিয়ে ঘুম থেকে ওঠা বাংলাদেশ দলের দুঃস্বপ্ন দেখার অতীত আছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে নাজমুল হোসেন শান্ত জানেন আজ নতুন দিন। পেছনের অপরাজিত ১২৬ না, শূন্য রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করতে হবে তাকে। দলের দারুণ শুরুও মাটি হয়ে যেতে পারে মুহূর্তের হঠকারিতায়। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম দিন শেষে তাই স্বস্তির সঙ্গে নাজমুল হোসেনের কণ্ঠে সতর্কতাও, ‘কেবল প্রথম দিনের খেলা হয়েছে। আমরা ভালো অবস্থায় আছি। যত লম্বা সময় ব্যাট করতে পারব ততই ম্যাচে এগিয়ে থাকব।’

সেই লম্বা সময়ের সীমারেখা আঁকেননি নাজমুল। প্রথম দিনেই ম্যাচ জিতে ফেলার সম্ভাবনাও মনে উঁকি দিচ্ছে না তাঁর, ‘এখনই ফলাফলের কথা চিন্তা না করাই ভালো।’ ম্যাচের ফল পক্ষে আনার সরু পথ অবশ্য তৈরি করেছে প্রথম দিনের বাংলাদেশ। সে পথটা প্রশস্ত করার উপায়ও জানেন নাজমুল, ‘সকালের (আজ) প্রথম সেশনটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম সেশন যদি ভালো খেলতে পারি, তাহলে বোঝা যাবে কত রান আসলে করতে পারব কিংবা জেতার জন্য কত রান দরকার। তাই কাল সকালে প্রথম সেশনে ভালো ব্যাটিং করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

বুধবারের প্রথম সেশনটা নাজমুলের নিজের জন্যও ছিল ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটে রান নেই বলে চারদিকে শোরগোল। এর মধ্যে তামিম ইকবালের ওপেনিং পার্টনার সাইফ হাসান দ্বিতীয় ওভারে আউট হওয়ায় একেবারে নতুন বলের সামনেই পড়তে হয় নাজমুলকে। তবে ভড়কে যাননি তিনি কারণ, ‘তামিম ভাই খুব ভালো ব্যাট করেছেন। ওটা আমার ব্যাটিংয়ে সাহায্য করেছে। আমি সময় নিতে পেরেছি। বলের মেধা অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় ইনিংসটা খুব গোছানো ছিল, খুব বেশি তাড়াহুড়া করিনি।’

তবে পাল্লেকেলের উইকেটও নাজমুলের মনে গেঁথে গেছে, “উইকেটে যাওয়ার পর তামিম ভাই বলেছিল, ‘উইকেট ভালো। তুমি সেই অনুযায়ী ব্যাটিং করো।’ ওইটাই মাথায় ছিল। আমি বল দেখে খেলেছি। উইকেট নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করিনি। যদিও নতুন বল একটু সুইং করছিল। কিন্তু সব সময় ইতিবাচক ছিলাম।”

ক্যান্ডির উইকেট কতটা ভালো ছিল, সেটি নাজমুল হোসেনের মুখ থেকে শুনলে বাংলাদেশের কিউরেটর সম্প্রদায়ের মন খারাপ হতে পারে, ‘আমার মনে হয়েছে আমাদের দেশের চেয়ে অনেক ভালো উইকেট। সাধারণত এমন উইকেট আমরা পাই না। হয়তো মাঝেমধ্যে পাই। তবে শুরুর দিকে নতুন বলে একটু কঠিন ছিল। কিন্তু সব মিলিয়ে চিন্তা করলে ভালো উইকেট।’

দু-দুটি শতরানের জুটি গড়ে ফেলা বাংলাদেশ দলের ড্রেসিংরুমে পাল্লেকেলের উইকেট নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকার কথাও নয়। ব্যাটসম্যানরা রান করেছেন প্রথম সকালে নতুন বলের সামান্য ঝুঁকিকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে। শেষদিকে স্পিনাররা সামান্য টার্নও পেয়েছেন। তাতে স্কোরবোর্ডের পুঁজি আরো বাড়িয়ে পাঁচ বোলার নিয়ে ঝাঁপানোর অনুপ্রেরণার ঘাটতি হওয়ার কথা নয় মমিনুল হকের।



সাতদিনের সেরা