kalerkantho

শনিবার । ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১২ জুন ২০২১। ৩০ শাওয়াল ১৪৪২

১০ ওভারের ম্যাচেও বিশাল হার

নিউজিল্যান্ড : ১০ ওভারে ১৪১/৪, বাংলাদেশ : ৯.৩ ওভারে ৭৬, ফল : ৬৫ রানে জয়ী নিউজিল্যান্ড

ক্রীড়া প্রতিবেদক   

২ এপ্রিল, ২০২১ ০২:২০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



১০ ওভারের ম্যাচেও বিশাল হার

বৃষ্টি অনেকটা সময় কেড়ে নেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে এলো। তাতে টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি পরিণত হলো টি-টেনেই। ১০ ওভারে নির্ধারিত ম্যাচেও কোনো প্রতিরোধের গল্প নেই বাংলাদেশের। বরং এবারের নিউজিল্যান্ড সফরে যেসব কারণে একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থতা লেখা হয়েছে, শেষ ম্যাচেও উপস্থিত এর সবই। সমানে ক্যাচ ফেলা চলল। মার্টিন গাপটিল ও ফিন অ্যালেনদের বেদম মারের চোটে বোলাররাও হলেন দিশাহারা। ১৪২ রানের লক্ষ্যে নামার পর ব্যাটিং ভোগান্তিও যেন শেষ দেখে ছাড়ল! তাই ছোট হয়ে আসা ম্যাচেও ৬৫ রানের বিশাল হারের লজ্জায় দুঃস্বপ্নের সফর শেষ করল নতুন মোড়ক পরে নামা বাংলাদেশ।

নতুন মোড়কই। মাশরাফি বিন মর্তুজা বছর চারেক আগে টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরে যাওয়ার পরও ‘পঞ্চ পাণ্ডব’-এর বাকি চারজন ছিলেন। এঁদের মধ্যে নিউজিল্যান্ড সফর থেকে আগেই ছুটি নিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। ওয়ানডে খেলে দেশে ফিরে এসেছেন তামিম ইকবাল। দলের সঙ্গে থেকেও চোটের জন্য টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেননি মুশফিকুর রহিম। নেপিয়ারে আগের ম্যাচে পাওয়া ঊরুর চোট শেষ ম্যাচে খেলতে দিল না টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদ উল্লাহকেও। লিটন কুমার দাসের নেতৃত্বে নামা দলটি তাই যেন অনেকটা হয়ে উঠেছিল আগামীর বাংলাদেশের ছবিও। অবশ্য এই সফরে পারফরম্যান্সের ঝিলিক অদেখাই রয়ে গেল।

পুরো সফরেই বাজে ব্যাটিং করে আসা লিটন অধিনায়ক হিসেবেও স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না ম্যাচটি। অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে মুখোমুখি হওয়া প্রথম বলেই শাফল করে স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি। কিউই অধিনায়ক টিম সাউদির করা ইনিংসের প্রথম ওভারেই এর আগের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান টানা দুই বাউন্ডারি হাঁকানো সৌম্য সরকারও (৪ বলে ১০)। প্রথম ওভারেই জোড়া ধাক্কায় খেই হারানো বাংলাদেশের এরপর রীতিমতো টালমাটাল অবস্থা। কারণ এরপর যে জোড়ায় জোড়ায় আঘাত হানতে থাকেন সিরিজে প্রথমবার খেলার সুযোগ পাওয়া লেগস্পিনার টড অ্যাস্টল। চতুর্থ ওভারে তাঁকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে লং-অনে ধরা পড়েন দুই ছক্কা ও এক চারে ১৩ বলে ১৯ রান করা নাঈম শেখ। ওভারের শেষ বলে বোল্ড সফরের শেষ ম্যাচেই প্রথম খেলার সুযোগ পাওয়া নাজমুল হোসেন শান্তও। অ্যাস্টল তাঁর দ্বিতীয় ওভারেই এক বলের ব্যবধানে ফেরান আফিফ হোসেন ও মেহেদী হাসানকেও। বড় রান তাড়ায় প্রথম ওভার থেকেই উইকেট হারানোর মিছিল চললে কি আর লজ্জার হার এড়ানো যায়?

যায় না বলেই ১০ ওভারও পুরো ব্যাটিং করতে পারে না বাংলাদেশ। যেমন এর আগে বারবার সুযোগ হাতছাড়া করার মাসুল দিতে হয়েছে ফিন অ্যালেনের (২৯ বলে ৭১) বেধড়ক মারে। গাপটিলও পাঁচ ছক্কা ও এক চারে মাত্র ১৯ বলে তুলে যান ৪৪ রানের ঝড়। বোলাররাও তাই দিশাহারা। এরপর দিকহারা ব্যাটসম্যানরাও। দুইয়ে মিলে ব্যর্থতার ষোলোকলা পূরণ করে সফর শেষ!



সাতদিনের সেরা