kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

টোকিও অলিম্পিকে বিদেশি দর্শক নিয়ে সিদ্ধান্ত দ্রুতই

অনলাইন ডেস্ক   

৪ মার্চ, ২০২১ ১৫:৪৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



টোকিও অলিম্পিকে বিদেশি দর্শক নিয়ে সিদ্ধান্ত দ্রুতই

বিদেশি দর্শকদের গেমস উপভোগের সুযোগ দেয়া হবে কিনা সে বিষয়ে চলতি মাসেই সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে টোকিও অলিম্পিক আয়োজক কমিটি। টোকিও ২০২০ প্রধান সেইকো হাশিমোতো এই তথ্য নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন জাপানি নাগরিকরাই তাদের প্রথম বিবেচ্য। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি, প্যারালিম্পিক কমিটি ও জাপান সরকার এবং টোকিও মেট্রোপলিটন সরকারের সাথে আলোচনার সময় হাশিমোতো এই ইঙ্গিত দেন। একইসাথে তিনি জানিয়েছেন এপ্রিলের মধ্যে স্টেডিয়ামে কত সংখ্যক দর্শক উপস্থিতির অনুমতি পাবে সে ব্যপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।

আলোচনা শেষে স্থানীয় গণমাধ্যমের দাবি, জাপানি কর্তৃপক্ষ চাচ্ছে গেমসে বিদেশি পর্যটক অনুমোদন না দিতে। যদিও হাশিমোতো জানিয়েছেন আগামী ২৫ মার্চ টর্চ রিলে শুরু হবার আগেই এ ব্যপারে একটি সিদ্ধান্ত জানা যাবে। এ সম্পর্কে গেমস প্রধান বলেন, 'আমাদের এ ব্যপারে সূদুরপ্রসারী চিন্তা করতে হচ্ছে। একইসাথে করোনা পরিস্থিতির বিষয়টি সর্বাগ্রে বিবেচনা করতে হচ্ছে। স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে এখনো বেশ কিছু শঙ্কা কাজ করছে। যতক্ষন না এই শঙ্কা পুরোপুরি দুর করা যায় ততক্ষন আমরা সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে যাব।'

এদিকে সভার আগে আইওসি প্রধান থমাস বাখ বলেছিলেন আয়োজকদের অবশ্যই গেমসের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলোর প্রতি এখন নজর দেয়া উচিত। অন্যদিকে অলিম্পিক মন্ত্রী টামায়ো মারুকাওয়া বলেছেন যে কোন সিদ্ধান্তই অত্যন্ত সতর্কতার সাথে নিতে হবে। গত সপ্তাহে বাখ জানিয়েছিলেন বিদেশি দর্শকদের ব্যপারে সিদ্ধান্ত এপ্রিলের শেষে কিংবা মে মাসের শুরুতে নেওয়া হতে পারে। কিন্তু বুধবার হাশিমোতো জানিয়েছেন দর্শক, হোটেল ও ভ্রমণ সংক্রান্ত বিষয়াদী খুব দ্রুতই স্পষ্ট করা হবে। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, দেশীয়দের পাশাপাশি বিদেশিরাও গেমস দেখতে সমান আগ্রহী। কিন্তু সবার আগে প্রত্যেকের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপত্তার বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে।

টোকিওতে বর্তমানে কিছু কিছু স্থানে জরুরী অবস্থা বিরাজ করছে। সে কারণে যে কোনো স্পোর্টিং ইভেন্টে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার দর্শকের উপস্থিতির অনুমতি রয়েছে। আগামী ৭ মার্চ এই জরুরী অবস্থা শেষ হবার কথা রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন সূত্রমতে জানা গেছে জাপান সরকার এই অবস্থা আরো দুই সপ্তাহ বাড়াতে চায়। করোনা পরিস্থিতি বেশ ধীরগতিতে কমার কারণেই সরকার কোন ধরনের ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না।

টোকিও অলিম্পিক গত বছর আয়োজিত হবার কথা থাকলেও করোনার কারণে তা এক বছর পিছিয়ে আগামী ২৩ জুলাই শুরু হবার কথা রয়েছে। কিন্তু শীত মৌসুমে জাপানে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় বিশাল এই ক্রীড়াযজ্ঞ স্বাভাবিক ভাবে আয়োজন নিয়ে ব্যপক শঙ্কা দেখা দেয়। বেশ কয়েকটি সমীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে বেশিরভাগ জাপানিজ নাগরিকই গেমস আয়োজনের অনাগ্রহের কথা জানিয়েছেন। গেমসে অংশগ্রহণকারীদের জন্য টিকা কিংবা কোয়ারেন্টাইন কোনটাই বাধ্যতামূলক করা হয় নি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা