kalerkantho

রবিবার। ২৮ চৈত্র ১৪২৭। ১১ এপ্রিল ২০২১। ২৭ শাবান ১৪৪২

সুয়ারেসদের কষ্টার্জিত জয়

অনলাইন ডেস্ক   

১ মার্চ, ২০২১ ১৬:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সুয়ারেসদের কষ্টার্জিত জয়

ছবি : এএফপি

সাম্প্রতিক বাজে ফর্ম কাটিয়ে অবশেষে জয়ের মুখ দেখেছে লা লিগার শীর্ষে থাকা আতলেটিকো মাদ্রিদ। রবিবার কঠিন লড়াইয়ের পর ভিয়ারিয়ালকে ২-০ গোলে পরাজিত করেছে দিয়েগো সিমিওনের দল। এই জয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা বার্সেলোনার তুলনায় পাঁচ পয়েন্ট এগিয়ে গেল আতলেটিকো। আলফোনসো পেডরাজার আত্মঘাতী গোলের পর হুয়াও ফেলিক্সের শক্তিশালী স্ট্রাইকে আতলেটিকোর জয় নিশ্চিত হয়।

ম্যাচের ২৫ মিনিটে পেডরাজার আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় আতলেটিকো। থমাস লেমারের ক্রস থেকে স্টিফান সাভিচের অফ-সাইড পজিশন নিয়ে ভিএআর এর দীর্ঘ পরীক্ষার পর শেষ পর্যন্ত গোলের সিদ্ধান্ত অটল রাখা হয়। সাভিচের হেড ভিয়ারিয়াল গোলরক্ষক সার্জিও আসেনহো রক্ষা করলেও অল্পের জন্য পেডরাজার পায়ে লেগে তা জালে জড়ায়। ড্যানিয়েল পারেহোর ক্রস থেকে জেরার্ড মোরেনোর শট ভিয়ারিয়ালকে সমতা প্রায় এনেই দিয়েছিল। কিন্তু লাইনের উপর থেকে তা ক্লিয়ার করে আতলেটিকোকে রক্ষা করেন সাভিচ।

বিরতির আট মিনিট পর লুইস সুয়ারেজের শক্তিশালী শট জালের ঠিকানা খুঁজে পায়নি। যদিও তার এই শটটি দারুন দক্ষতায় রুখে দিয়েছেন আসেনহো। ৬৯ মিনিটে ফেলিক্স অবশ্য কোনো ভুল করেননি। তার এই গোলেই ব্যবধান দ্বিগুণ হওয়ার পাশাপাশি আতলেটিকোর জয় নিশ্চিত হয়। ম্যাচের শেষের দিকে বদলি খেলোয়াড় কার্লোস বাক্কা, এ্যাণেক্স বায়েনা ভিয়ারিয়ালকে কোন সুখবর দিতে পারেননি। এনিয়ে টানা সাত ম্যাচে জয়বীহিন থাকা ভিয়ারিয়াল ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের সপ্তম স্থানে রয়েছে।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ১৬’র প্রথম লেগের ম্যাচে চেলসির কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হওয়ার পর আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি নিয়েই কাল মাঠে নেমেছিল সিমিওনের শিষ্যরা। শেষ পাঁচ লিগ ম্যাচে মাত্র চার পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে শীর্ষে থাকা দলটি। যে কারণে শিরোপা দৌড়ে থাকা অপর দুই দল বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ নিজেদের কাজটুকু ঠিকই সেরে নিয়েছে। ভিয়ারিয়াল বেশ কয়েকবার গোলের ভালো সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে। সপ্তাহের শেষে মাদ্রিদ ডার্বিতে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে তাই কিছুটা হলেও আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে আতলেটিকো।

ম্যাচ শেষে আতলেটিকো বস সিমিওনে বলেছেন, ‘আমরা বেশ কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়েছিলাম। এমনকি দ্বিতীয় গোলের পরেও তারা বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু মৌসুমের এই মুহূর্তে এসে আমরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জয় নিশ্চিত করেই বাড়ি ফিরেছি।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা