kalerkantho

বুধবার । ১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ এপ্রিল ২০২১। ১ রমজান ১৪৪২

মোহামেডান-চট্টগ্রাম আবাহনী ম্যাচে হাতাহাতি

অনলাইন ডেস্ক   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১১:৩৫ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মোহামেডান-চট্টগ্রাম আবাহনী ম্যাচে হাতাহাতি

প্রথমার্ধের লিড দ্বিতীয়ার্ধে ধরে রাখতে পারেনি চট্টগ্রাম আবাহনী। ৫৭ মিনিটেই সমতায় ফেরে মোহামেডান। এরপর এগিয়ে যাওয়ার লড়াইয়ে দুই দলই যখন মরিয়া, তখন মাঠের উত্তেজনা ছড়ায় ডাগআউটে। শুরুতে শন লেন ও চট্টগ্রাম আবাহনী ম্যানেজার আরমান আজিজের কথা-কাটাকাটি। এর মাঝখানে দৌড়ে এসে মোহামেডান দলনেতা আবু হাসান চৌধুরী প্রিন্স ধাক্কা মারেন আরমানকে। আরমানও তেড়ে যেতে চাইলে দুই ডাগআউটেই উত্তাপ ছড়ায়। শেষ পর্যন্ত দুই কর্মকর্তাকেই লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠের বাইরে পাঠিয়েছেন রেফারি ভুবন মোহন তরফদার।

পরে খেলা শুরু হলেও অবশ্য জয়সূচক গোলটি পাওয়া হয়নি কোনো দলের। তাতে দুই দলেরই সমান ১৬ পয়েন্ট এখন। গোল ব্যবধানে মোহামেডান এগিয়ে ষষ্ঠ স্থানে। এক ম্যাচ কমও খেলেছে শন লেনের দল। ৬২ মিনিটে যে ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় তা এড়ানো যেতই। আতিকুজ্জামান থ্রো নিতে গিয়ে সামনে দাঁড়ানো রাকিব হোসেনের গায়ে মারেন সরাসরি। রাকিব তাতে পড়ে গেলে মোহামেডান ডাগআউটের দিকে তেড়ে আসেন আরমান, এর পরই প্রিন্সের ওই কাণ্ড। ম্যাচে চট্টগ্রাম আবাহনীকে প্রথম এগিয়ে দিয়েছিলেন রাকিবই। ১৫ মিনিটে নিক্সন গিলহের্মের নেওয়া শট মোহামেডান গোলরক্ষক সুজন হোসেনের হাত ফসকে বেরিয়ে এলে সেই বল জালে ঠেলেন রাকিব। এর মিনিট চারেক পর ব্যবধানও বাড়াতে পারতেন এই উইঙ্গার। কিন্তু প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে নেওয়া তাঁর ফ্রি কিকটি ক্রসবারে চুমু খেয়ে বেরিয়ে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর ৯ মিনিটেই সমতায় ফেরে মোহামেডান। মিডফিল্ডার রাকিব খান বক্সের মুখে সোলেমান দিয়াবাতের সঙ্গে ওয়ান টু খেলে ভেতরে ঢুকে পড়েন, দিয়াবাতে প্রতিপক্ষের ধাক্কায় পড়ে গিয়েও বল সামনে ঠেলেছিলে, রাকিব বাঁ পায়ের শটে তা জালে জড়িয়েছেন। ১১ ম্যাচে চার জয়, চার হারের সঙ্গে এটি চট্টগ্রাম আবাহনীর তৃতীয় ড্র। ১০ ম্যাচে চার জয়, চার হার মোহামেডানেরও। এটি তাদের দ্বিতীয় ড্র। টানা তিন জয়ের পর কাল পয়েন্ট হারিয়েছে সাদা-কালোরা। তবে এতেও সাইফ স্পোর্টিংকে পেছনে ঠেলে তারা এখন পঞ্চম স্থানে, ষষ্ঠ স্থানে চট্টগ্রাম আবাহনী আর সপ্তম সাইফ।

নবম ও দশম স্থানে থাকা রহমতগঞ্জ-মুক্তিযোদ্ধার ম্যাচও কাল ড্র হয়েছে ১-১ গোলে। লিগের সবচেয়ে দ্রুততম গোল হয়েছে এদিন। ২৪ সেকেন্ডেই রহমতগঞ্জের জালে বল ঠেলেছেন মোহাম্মদ হোসেন সাইফ। কিক অফের পর বেশ কয়েকটি পাস খেলে ডান দিক দিয়ে ওঠা ফাহিমকে বল বাড়িয়ে দেন ইউসুকে কাতো। রহমতগঞ্জের ডিফেন্ডারদের প্রহরা এড়িয়ে সেই বলই আলতো ছোঁয়ায় জালে জড়িয়েছেন ফাহিম। প্রথমার্ধ পর্যন্ত লিডটা ধরে রেখেছিল মুক্তিযোদ্ধা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আলা নসরের পাস ধরে বক্সের ভেতর থেকে আচমকা শটে স্কোরলাইন ১-১ করে ফেলেন আরাফাত হোসেন। এরপর দুই দলই অবশ্য এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। ফাঁকা পোস্ট পেয়েও বল লক্ষ্যে রাখতে পারেননি রহমতগঞ্জের সাব্বির আহমেদ। কাতোর ফ্রি কিকে এরপর কামারা ইউনুসার হেড বেরিয়ে যায় পোস্টে লেগে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা