kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ৯ মার্চ ২০২১। ২৪ রজব ১৪৪২

৯ম বারের মতো ফাইনালে জকোভিচ

অনলাইন ডেস্ক   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ১৮:৪১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৯ম বারের মতো ফাইনালে জকোভিচ

নবমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ান ওপেন টেনিসে পুরুষ এককের ফাইনালে উঠেছেন শীর্ষ বাছাই সার্বিয়ার নোভাক জকোভিচ। গতরাতে জকোভিচ সরাসরি সেটে হারিয়েছেন অবাছাই রাশিয়ার আসলান কারাতসেভকে। টেনিসের উন্মুক্ত যুগে প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে অভিষেকেই গ্র্যান্ড স্ল্যামে খেলার নজির গড়েন তিনি। কিন্তু সেমিফাইনালে থামলো কারাতসেভের দৌঁড়। ১৯৭৭ সালে বব গিল্টিনানের পর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের সেমিফাইনাল ওঠেন কারাতসেভ। জকোভিচকে ভড়কে দেয়ার প্রত্যাশায় ছিলেন তিনি। কিন্তু জকোভিচ সেটি হতে দেননি।

ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে কারাতসেভকে নিয়ে সতর্ক বার্তা দিয়েছিলেন জকোভিচ। কারাতসেভকে হারাতে হলে তিনি যে আক্রমণাত্মক পরিকল্পনায় খেলার ছক কষেছিলেন, কোর্টে সেটিই করে দেখালেন। র‌্যাংকিংয়ের ১১৪ নম্বর খেলোয়াড় কারাতসেভেকে ৬-৩, ৬-৪, ৬-২ গেমে হারান গতবারের চ্যাম্পিয়ন জোকোভিচ। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে আগের আটবার ফাইনালে উঠে প্রতিবারই শিরোপা জিতেছিলেন তিনি। তাই বছরের প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালের শিরোপা জয়ের রেকর্ড তিনি অব্যাহত রাখতে চান।

তৃতীয় রাউন্ড থেকেই ইনজুরি নিয়ে খেলা ১৭টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক জকোভিচ বলেন, 'এবারের টুর্নামেন্টে আজই সেরা খেলাটা খেললাম। শরীরে কোথাও একটুও ব্যথা ছিল না। আশা করছি ফাইনালেও শরীর কোন ঝামেলা করবে না। আবারো অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শিরোপা জিততে চাই। এই শিরোপাটা আমার খুব পছন্দের হয়ে গেছে। হয়তো ফাইনালের আগে আমি কোর্টে নামব। অনুশীলন করার ইচ্ছে আছে। তবে পুরো সুস্থ থাকাটাই এখন আমার একমাত্র কাজ। আজকের ম্যাচটা খেলে মনে হল আর কোনও সমস্যা নেই।'

প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে ওঠার পথে ১৮তম বাছাই বুলগেরিয়ার গ্রিগর দিমিত্রভকে হারিয়েছেন কারাতসেভ। তবে সেমিতে জোকোভিচকে চমকে দেয়ার প্রত্যাশায় ছিলেন তিনি, 'শেষ চারে জকোভিচকে চমকে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ভাগ্য সহায় হলো না। এছাড়া অভিজ্ঞতাও ছিলো না এত বড় ম্যাচ সামলানোর। তবে এখন পর্যন্ত যা হয়েছে, তাতে আমি খুশি। এই অর্জন ভবিষ্যতে ভালো খেলতে সহায়তা করবে।' আগামী রবিবারের ফাইনালে জকোভিচের প্রতিপক্ষ হবেন চতুর্থ বাছাই রাশিয়ার দানিল মেদভেদেভ অথবা পঞ্চম বাছাই গ্রিকের স্টেফানোস তিসিতসিপাস।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা