kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

সিরাজ-গিলদের পাশে অজি তরুণরা 'প্রাইমারির ছাত্র' : চ্যাপেল

অনলাইন ডেস্ক   

২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ২০:৩৭ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সিরাজ-গিলদের পাশে অজি তরুণরা 'প্রাইমারির ছাত্র' : চ্যাপেল

ইনজুরির কারণে দলের সেরা খেলোয়াড়দের ছাড়াই অবিশ্বাস্যভাবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট সিরিজ জিতছে ভারত। সেই সাথে সিরিজে ছিলেন না দলের সেরা অধিনায়ক বিরাট কোহলিও। তবে ভারতীয় তরুণদের পারফরমেন্স মনে ধরেছে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান গ্রেগ চ্যাপেলের। অন্যদিকে নিজ দেশের তরুণদের পারফরমেন্সে চটেছেন তিনি। রেগেমেগে তিনি বলেছেন, সিরাজ-শুভমান গিল-নবদীপ সাইনিদের পাশে উইল পুকোভস্কি-ক্যামেরুন গ্রিনরা এখনো প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলেই দেশে ফিরেন ভারতের সেরা ব্যাটসম্যান ও নিয়মিত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এরপর ইনজুরিতে একের পর এক খেলোয়াড় দল থেকে ছিটকে পড়েন। অনেকেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন সিরিজে ভারত হোয়াইটওয়াশ হবে।দলের সেরা খেলোয়াড়দের ইনজুরিতে সুযোগ হয় তরুণদের। যারা সুযোগ পেয়েই তা দারুনভাবে কাজে লাগিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সিরিজ জয়ে বড় অবদান রাখেন সিরাজ-সাইনি-গিল-টি নটরাজন-ঋসভ পান্থরা।

ভারতের তরুণরা পারফরমেন্স করতে পারলেও অস্ট্রেলিয়ার তরুণরা নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। তাই তাদের এক হাত নিলেন চ্যাপেল। অস্ট্রেলিয়ার এক সংবাদপত্রের কলামে তিনি লিখেছেন, 'ভারতীয়রা অনূর্ধ্ব-১৬ পর্যায় থেকেই সব ধাপে চ্যালেঞ্জিং ক্রিকেট খেলে বেড়ে ওঠে। তাদের তুলনায় আমাদের তরুণ ক্রিকেটাররা দুর্বল। একজন ভারতীয় ক্রিকেটার যখন জাতীয় দলে পা রাখে, ততদিনে সে যাবতীয় শিক্ষানবিশ সময় কাটিয়ে আসে, পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে আসে বলে জাতীয় দলে তাদের সাফল্যের সম্ভাবনা বেশি থাকে। সেই তুলনার অভিজ্ঞতার দিক থেকে আমাদের পুকোভস্কি-গ্রিনরা এখনও প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র।'

তরুণদের পেছনে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ডের বিনিয়োগের চিত্র তুলে ধরে চ্যাপেল বলেন, 'তরুণ ক্রিকেটারদের পেছনে লাখ-লাখ টাকা খরচ করছে বিসিসিআই। সেখানে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া শেফিল্ড শিল্ড করার জন্য মাত্র ৪৪ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে। পার্থক্যটা ভারত মহাসাগরের থেকেও বড়। টেস্ট ক্রিকেটে প্রতিযোগিতামূলক খেলায় নামার আগে কী দরকার সেটা যদি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া না বুঝতে পারে এবং কোথায় বিনিয়োগ করতে হবে, সে ব্যাপারে প্রশাসনের কর্তারা ভাবনাচিন্তায় পরিবর্তন না করে, তাহলে আমরা আরও অনেক পিছিয়ে পড়ব।'

চ্যাপেলের মতে, ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে তরুণদের জন্য। তাদের লড়াকু ও আক্রমণাত্মক হিসেবে গড়ে তোলাই হচ্ছে ভারতীয় ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রধান লক্ষ্য। চ্যাপেল বলেন, 'ভারতের যুব দলগুলি আমাদের কয়েকটি প্রথম শ্রেণীর দলকেও বিব্রত করতে পারে। ঘরোয়া আসরে দুর্দান্ত সব ম্যাচ খেলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের চাপের সাথে তারা নিজেদের মানিয়ে নিতে শিখে। ভারতে ৩৮টি প্রথম শ্রেণীর দল আছে, এটিই বলে দেয় তাদের প্রতিভার পরিধি কত বড়।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা