• ই-পেপার

আইনের ফাঁক খোঁজায় ভারত ওস্তাদ!

বিশ্বকাপে গোল মিস করায় মৃত্যুর হুমকি পেয়েছেন কলম্বিয়ার ফরোয়ার্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে গোল মিস করায় মৃত্যুর হুমকি পেয়েছেন কলম্বিয়ার ফরোয়ার্ড
গোল মিস করার পর হতাশায় মাথায় হাত কাম্পাজের। ছবি : রয়টার্স

একটা মিস জীবনকে কতটা দুর্বিষহ করে তুলতে পারে তা যেন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন হামিন্তন কাম্পাজ। বিশ্বকাপে গোল মিস করায় যে মৃত্যুর হুমকি পেয়েছেন তিনি। 

প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে কাম্পাজ লিখেছেন, ‘ফুটবলে কঠিন মুহূর্ত আসে। প্রিয় কলম্বিয়া, দয়া করে কখনো শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে ফেলবেন না। আমাদের মতামত ভিন্ন হতে পারে কিংবা হতাশা ও দুঃখ অনুভব করতে পারি, কিন্তু কোনও আবেগই ঘৃণা ছড়ানো বা ভয়ে বেঁচে থাকাকে যৌক্তিকতা দেয় না।’

কাম্পাজের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই তার পাশে দাঁড়িয়েছে কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন। হুমকিদাতাকে চিহ্নিত করে দ্রুত আহ্বানের তদন্ত জানিয়ে তারা লিখেছে, ‘দেশের হয়ে খেলার কারণে কোনো খেলোয়াড় বা তার পরিবার-পরিজনকে ভয়ভীতি দেখানো বা হুমকি দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

বিবৃতিতে আরও লিখেছে, ‘ফুটবল হওয়া উচিত ঐক্য, সম্মান ও আশার জায়গা—কখনোই ঘৃণা, ভয়ভীতি বা সহিংসতার পরিবেশ নয়। তারা সমর্থকদের অনুরোধ করেছেন যেন খেলার মাঠের হতাশা কখনও বাস্তব জীবনের সহিংসতায় রূপ না নেয়।’

অবশ্য ভ্যাঙ্কুভারে নায়ক হওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন কাম্পাজ। কিন্তু ১১৫ মিনিটে গোল মিস করে এখন ‘খলনায়ক’ কলম্বিয়ার ফরোয়ার্ড। অতিরিক্ত সময়ে গোলরক্ষককে একা পেয়েও বারের ওপর দিয়ে বল মারেন তিনি। পরে সুইজারল্যান্ডের কাছে শেষ ষোলোর ম্যাচে পেনাল্টিতে ৪-৩ গোলে হেরে যায় তারা। টাইব্রেকারে নিজের শটে গোল করেও তাই কোনো লাভ হয়নি। বাড়ির টিকিট ঠিকই কাটতে হয়েছে তাদের।

কাম্পাজের এই ঘটনা অতীতকে মনে করাচ্ছে। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবার আত্মঘাতী গোল করায় যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরেছিল কলম্বিয়া। বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ক্ষোভে পরে দেশে ফেরার কিছুদিন পরেই তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠের ঘাসও বিক্রি করছে ফিফা

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ ফাইনালের মাঠের ঘাসও বিক্রি করছে ফিফা
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়াম ছবি : সংগৃহীত

চলমান বিশ্বকাপ শুরু থেকেই নানা কাণ্ডে বিতর্কিত ফিফা। চড়া মূল্যে টিকিট বিক্রির পর বিশ্বকাপ মাঠের ঘাসও বিক্রি করছে সংস্থাটি। বিশ্বকাপ ফাইনালের ভেন্যু নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ঘাস বিক্রি করছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে টিকিটের বিশাল মূল্য নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে বিশ্বফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। কেউ যা কোনো দিন শোনেনি, সেটাই এবার করতে চলেছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। ফাইনালের মাঠের ঘাসের প্রতিটি টুকরোর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫০ মার্কিন ডলার। 

ফিফার অনলাইন স্টোরে জানানো হয়েছে, প্রতিটি ঘাসের টুকরোর মাপ ১৭.৫ × ১৭.৫ × ১৭.৫। তবে এই পরিমাপটি ইঞ্চি, সেন্টিমিটার নাকি মিলিমিটারে দেওয়া হয়েছে, সেটা স্পষ্ট করা হয়নি। এই বিষয়ে বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি। 

ফিফার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‌‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের মাঠের একটা আসল অংশের মালিক হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ফুটবলপ্রেমীরা। প্রত্যেক ঘাসের টুকরো প্রিমিয়াম অ্যাক্রিলিকের মধ্যে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকবে এবং একটা ইউএসবি স্মারকসহ সরবরাহ করা হবে। বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রীড়া আসরের স্মৃতি বহনকারী এই সংগ্রহযোগ্য সামগ্রী ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ।’

এ ছাড়া ফিফা জানিয়েছে, অ্যাক্রিলিক ইউএসবিতে থাকবে সত্যতা যাচাইয়ের বিশেষ ফিল্ম। এটা একটা প্রিমিয়াম হিঞ্জড বক্সে উপস্থাপন করা হবে। সংগ্রাহক, সমর্থক এবং ফুটবল অনুরাগীদের কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ সংস্করণ তৈরি করা হয়েছে।

আপাতত এই সংগ্রহযোগ্য সামগ্রী শুধু যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের ঠিকানায় পাঠানো হবে। 

ফিফা আরো জানিয়েছে, বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার পরেই অর্ডার করা ঘাসের টুকরো পাঠানো হবে। 

উল্লেখ্য, মেটলাইফ স্টেডিয়ামের মাঠের মান নিয়ে ইতিমধ্যেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন একাধিক ফুটবলার এবং কোচ। সাধারণত এনএফএলের নিউইয়র্ক জায়ান্টস এবং নিউইয়র্ক জেটস দলের ম্যাচ এই স্টেডিয়ামের কৃত্রিম টার্ফে অনুষ্ঠিত হয়। 

এদিকে বিশ্বকাপ ফাইনালের সাধারণ টিকিটের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২,৯৭০ মার্কিন ডলার। পাশাপাশি খাবার এবং পানীয়সহ আতিথেয়তা প্যাকেজের টিকিটের দাম রাখা হয়েছে ৩৪,৫০০ এবং ৩২,৫০০ মার্কিন ডলার। ফিফার গলা কাটা দামের টিকিটের পর এই অভিনব সামগ্রীর ন্যূনতম মূল্যও সাধারণের নাগালের বাইরে।

মিসর-আর্জেন্টিনা ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত ন্যায্য ছিল মনে করেন সুইজার‌ল্যান্ডের কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক
মিসর-আর্জেন্টিনা ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত ন্যায্য ছিল মনে করেন সুইজার‌ল্যান্ডের কোচ
সুইজারল্যান্ডের কোচ মুরাত ইয়াকিন। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে বাড়তি সুবিধা পায় আর্জেন্টিনা। অভিযোগটা অনেক দিন ধরেই শুনে আসছে আলবিসেলেস্তারা। মিশর-আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোর ম্যাচের পর সেই মাত্রা আরও বেড়েছে। আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দিতেই মিশরের সঙ্গে রেফারি অন্যায্য করেছেন বলে অনেকে বলছে।

ম্যাচটি ৪ দিন আগে শেষ হওয়ার পরেও তাই বিতর্কের অবসান হয়নি এখনো। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার আগে তাই সুইজারল্যান্ডের কোচকে প্রশ্ন করা হয় রেফারিং বিষয়ে। আর্জেন্টিনাকে রেফারি বাড়তি সুবিধা দেন কিনা? ইয়াকিন জানান, সবকিছু ন্যায্যভাবেই পরিচালন না হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইয়াকিন বলেন, ‘মিশরের কোচ এবং খেলোয়াড়রা বলছেন যে রেফারিরা আর্জেন্টিনাকে সাহায্য করছে? সাধারণত আজকাল ম্যাচগুলো বেশ ন্যায্যভাবেই পরিচালনা করা হয়। ভিএআরে সবকিছুই নিখুঁতভাবে দেখে সম্ভব হয়। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর প্রমাণের কিছু নেই। যখনই সুযোগ পাবেন তখনই আপনাকে ম্যাচ জিতে নিতে হবে।’

অভিযোগ না করে তাই মাঠেই সমাধান করায় বিশ্বাসী ইয়াকিন। ৫১ বছর বয়সী কোচ বলেছেন, ‘খেলার সময়ই আসল সুযোগ আসে। ম্যাচ শেষে এসবের ব্যাখ্যা দেওয়া কিংবা মানুষকে অপমান করার সাথে ন্যায়বিচারের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই যা কিছু ফয়সালা করার, তা মাঠেই করতে হবে।’

শেষ মুহূর্তের অনুশীলনে আর্জেন্টিনা দল

ক্রীড়া ডেস্ক
শেষ মুহূর্তের অনুশীলনে আর্জেন্টিনা দল
সুইসদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে শেষ মুহূর্তে অনুশীলনে ব্যস্ত আলবেসিলেস্তরা, ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের কানসাস সিটির স্পোর্টিং কেসি ট্রেনিং সেন্টারে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের আগে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সারছে আর্জেন্টিনা। জমজমাট লড়াইয়ে নিজের ঝালিয়ে নিচ্ছেন দলের সদস্যরা।

1

অনুশীলনকালে দলের অন্য সতীর্থদের সাথে মধ্যমাঠের তারকা অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার এবং ভ্যালেন্টিন বার্কো ঘাম ঝরাচ্ছিলেন।

2

ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি নিতে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা কানসাস সিটির ‘স্পোর্টিং কেসি ট্রেনিং সেন্টার’কে তাদের প্রধান বেস ক্যাম্প হিসেবে বেছে নিয়েছিল।

আইনের ফাঁক খোঁজায় ভারত ওস্তাদ! | কালের কণ্ঠ