kalerkantho

সোমবার। ৪ মাঘ ১৪২৭। ১৮ জানুয়ারি ২০২১। ৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

একনজরে ম্যারাডোনা

অনলাইন ডেস্ক   

২৬ নভেম্বর, ২০২০ ০০:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একনজরে ম্যারাডোনা

আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনা মারা গেছেন। ৬০ বছর বয়সে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের অন্যতম সেরা কিংবদন্তি।

আর্জেন্টিনার বুয়েনেস অ্যাইরেসের লানুসে ১৯৬০ সালে জন্ম নেন ম্যারাডোনা। দরিদ্র পরিবারে বেশ কষ্টেই কেটেছে তাঁর শৈশব। পড়াশোনা নয়, ফুটবলের প্রতিই ছিল তাঁর নেশা। সারাক্ষণ বল নিয়ে পড়ে থাকতেন। ১০ বছর বয়সে এস্ত্রেয়া রোজার হয়ে খেলতে নামেন মাঠে।

১৯৭৭ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আর্জেন্টিনার সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে মাঠে নামেন। তখন তাঁর বয়স ১৬ বছর ১২০ দিন। ১৯৭৮ সালে বয়সে কম হওয়ার কারণে বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়েন।

পরের বছর জাপানে অনুষ্ঠিত যুব বিশ্বকাপে জীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করেন। অধিনায়ক হিসেবে শিরোপাও জয় করেন। ২১ বছর বয়সে দলের সঙ্গে ইউরোপে পাড়ি জমান স্পেনে বিশ্বকাপ খেলার জন্য। ব্রাজিলের কাছে ৩-১ গোলে হেরে আর্জেন্টিনা বিদায় নেয়।

১৯৮৪ সালে ৪.৬৮ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে ইতালীয় ক্লাব নেপোলিতে যোগ দেন।

১৯৮৬ সালে ঈশ্বরের হাতের খ্যাতি আর সঙ্গে সঙ্গে অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে আর্জেন্টিনাকে এনে দিলেন বিশ্বকাপ। ওই বছরই ইউরোপের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার পান। ১৯৮৭ সালে নেপোলিকে জেতান ইতালীয় ফুটবলের শিরোপা।

১৯৯১ সালে ইতালিতে ড্রাগ টেস্টে কোকেইনের জন্য ধরা পড়ায় ১৫ মাসের জন্য ফুটবল থেকে নিষিদ্ধ হন তিনি। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে ইফিড্রিন টেস্টে ইতিবাচক ফলাফলের জন্য তাকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়। ২০০৫ সালে তিনি তাঁর কোকেইন নেশা ত্যাগ করেন।

ম্যানেজার হিসেবে খুব কম অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও ২০০৮ সালের নভেম্বরে তাঁকে আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০১০ বিশ্বকাপের পর চুক্তি শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি আঠারো মাস এই দায়িত্বে ছিলেন।

২০১১ সালে আরব আমিরাতের আল ওয়াসেল ফুটবল দলের কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা