kalerkantho

সোমবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩০ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে ক্রিকেটে; সুমনের দৃষ্টি অনেক দূর

অনলাইন ডেস্ক   

২৮ অক্টোবর, ২০২০ ১৬:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে ক্রিকেটে; সুমনের দৃষ্টি অনেক দূর

সদ্য শেষ হওয়া বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করা পেসার সুমন খানের লক্ষ্য এবার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলা। পুরোপুরিভাবে তেমনই লক্ষ্য স্থির করেছেন তিনি। টুর্নামেন্টে ৯ উইকেট নিয়েছেন সুমন। এর মধ্যে ফাইনালে ৩৮ রানে ৫ উইকেট নিয়ে তাক লাগিয়ে দেন। হয়েছেন ম্যাচসেরা। এমনকি প্রেসিডেন্টসের স্পেশাল অ্যাওয়ার্ড পাওয়া পাঁচ খেলোয়াড়ের মধ্যে সুমন অন্যতম বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনও টুর্নামেন্ট থেকে খেলোয়াড় প্রাপ্তির তালিকায় সুমনের নাম উল্লেখ করেছেন।

তবে পেশাদার ক্রিকেটার হওয়ার লক্ষ্য ছিল না সুমনের। বেশিরভাগ ক্রিকেটার শৈশব পর্যায় থেকে ক্রিকেট শুরু করলেও সুমন সেই পথে যাননি। প্রকৃতপক্ষে নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএতে পড়াশুনা করেছেন তিনি। ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা-আবেগ থেকেই বিকেএসপিতে পড়াশুনার জন্য তিনি নর্থ-সাউথে চতুর্থ সেমিস্টারের পর বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে দেন।

সুমন বলেন, 'আসলে, যেদিন থেকে আমি ক্রিকেটের জন্য নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছি, সেদিন থেকে আমার সমস্ত মনোযোগ ক্রিকেটের দিকে। আমি ক্রিকেট নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাব, আশা করি শীর্ষ পর্যায়ে খেলতে পারবো। একদিন আমি খেলব। নিজের সেরাটা দিতে পারায় টুর্নামেন্টটি আমার জন্য খুব ভালো হয়েছে। এটি একটি সংক্ষিপ্ত টুর্নামেন্ট, আমি ভালো করার চেষ্টা করেছি। আল্লাহর কৃপায় আমি ভালো করেছি, খুবই ভালো লাগছে।'

সিনিয়র পর্যায়ে ভালো পারফরমেন্সে কারণে সুমনের প্রতি দলের প্রত্যাশা বেড়েছে। তবে প্রত্যাশা পূরণে আত্মবিশ্বাস রয়েছে, 'আসলে আমার কাছে প্রত্যাশা এখন বেশি এবং তাই আমার দায়িত্বও বেড়েছে। আমি আরও ভাল করার এবং প্রত্যাশা পূরণের চ্যালেঞ্জ নেব। আমি জানি, সবাই এখন নিয়মিতভাবে আমার পারফরমেন্স দেখতে চাইবে। আমি আত্মবিশ্বাসী আমি পারব।'

মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিম এবং তামিম ইকবালের মতো সিনিয়র খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সমর্থন ও প্রশংসা পেয়ে আত্মবিশ্বাস বেড়েছে সুমনের, 'রিয়াদ ভাই সবসময় আমার পারফরমেন্সের প্রশংসা করেন। ফাইনাল ম্যাচে ভালো করার পরে তিনি এসে বললেন, ভাল লাইন-লেন্থে বোলিং করেছি। তিনি আমাকে বারবার অনুপ্রাণিত করেছিলেন। ম্যাচ শেষে যখন আমি মুশফিকুর ভাইয়ের সাথে হাত মিলিয়েছিলাম, তখন তিনি বলেন আমি তাকে আউটের জন্য ভালো বল করেছিলাম। প্রত্যেক সিনিয়র খেলোয়াড় যখন এমন প্রশংসা করে, তখন আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়।'

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা