kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৬ নভেম্বর ২০২০। ১০ রবিউস সানি ১৪৪২

ইউনাইটেডের কাছে পাত্তাই পেল না নেইমার-এমবাপ্পের পিএসজি

অনলাইন ডেস্ক   

২১ অক্টোবর, ২০২০ ১১:৪২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইউনাইটেডের কাছে পাত্তাই পেল না নেইমার-এমবাপ্পের পিএসজি

ছবি: ওলে গানার সুলশারের কৌশলের কাছে এভাবেই বারবার মুখ থুবড়ে পড়েন নেইমাররা।

১৮ মাস আগে মার্কাস রাশফোর্ডের যোগ করা সময়ের গোলে পিএসজিকে হারিয়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। আবারো সেই রাশফোর্ডের করা শেষ মুহূর্তের গোলেই ফরাসি জায়ান্টদের হারিয়ে দিল প্রিমিয়ার লিগে ধুঁকতে থাকা ওলে গানার সুলশারের দল।

পিএসজির ঘরের মাঠ পার্ক দেস প্রিন্সেস থেকে মঙ্গলবার ২-১ গোলে জিতে ফিরেছে ইউনাইটেড। নেইমার, এমবাপ্পে-ডি মারিয়াদের নিয়ে সাজানো টমাস টুখেলের আক্রমণভাগ কার্যত পাত্তাই পায়নি ইংলিশ জায়ান্টদের কাছে।

এই ম্যাচ দিয়েই প্রথমবারের মতো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অধিনায়কের আর্মব্যান্ড পরেই গোলের দেখা পেয়ে গেছেন ব্রুনো ফের্নান্দেস। অ্রান্থনি মার্সিয়ালের আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে পিএসজি। কিন্তু শেষ দিকে রাশফোর্ডের দারুণ গোলে চ্যাম্পিয়নস লিগে গতবারের রানার্সআপ পিএসজিকে হারিয়ে শুভসূচনা করল ইউনাইটেড।

২০১৮-১৯ মৌসুমের পর ফের একবার নিজেদের মাঠে হারল পিএসজি। সেবার ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ২-০ গোলে জয়ের পর ফরাসি চ্যাম্পিয়নরা নিজেদের মাঠে ফিরতি লেগে ৩-১ ব্যবধানে হেরে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিয়েছিল।

ম্যাচের শুরুতে অবশ্য আধিপত্য ছিল পিএসজির। বলের নিয়ন্ত্রণে এগিয়ে থাকলেও অবশ্য ইউনাইটেডের গোলরক্ষক দাভিদ দে হেয়ার দৃঢ়তায় আর দুর্ভাগ্যের শিকার হয়ে গোলবঞ্চিত হয় লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

খেলার দ্বাদশ মিনিটে দি মারিয়ার বাঁকানো শট ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান দে হেয়া। এরপর নেইমারের কর্নারের পর কিলিয়ান এমবাপ্পের ক্রসে গোলমুখে থাকা কুরজাওয়া পা ছোঁয়ালেও বল ইউনাইটেড গোলরক্ষকের পায়ে লেগে ফিরে।

২০তম মিনিটে মার্সিয়ালকে ডি-বক্সে আবদু দিয়ালো ফাউল করলে পেনাল্টি পায় ইউনাইটেড। ফের্নান্দেসের দুর্বল শট ঠেকিয়ে দেন নাভাস। কিন্তু পিএসজি গোলরক্ষক আগেই গোললাইন ছেড়ে বেরিয়ে আসায় ভিএআর দেখে ফের পেনাল্টি শটের সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। এবার ঠিকই লক্ষ্যভেদ করেন ফের্নান্দেস।

৩৪তম মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়া এমবাপ্পে আলেক্স চুয়োজেঁবের সঙ্গে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়তে গিয়ে পড়ে যান। পেনাল্টির আবেদন তুলেছিল পিএসজি, কিন্তু রেফারি সাড়া দেননি। বরং রেফারির সঙ্গে তর্ক করতে গিয়ে উল্টো হলুদ কার্ড দেখেন নেইমার।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে দে হেয়ার কারণেই সমতায় ফেরা হয়নি পিএসজির। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ডি-বক্সে জায়গা করে নিয়ে এমবাপ্পের দূরের পোস্টে নেওয়া শট ফেরান স্প্যানিশ গোলরক্ষক। তবে এরপর আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফেরে পিএসজি। নেইমারের কর্নার বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালেই জড়িয়ে দেন ফরাসি ফরোয়ার্ড মার্সিয়াল।

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের বাকিটা সময় বেশ জমে ওঠে। কিন্তু গোলের ঠিকানা খোঁজার আগেই তাদের সব আক্রমণ পথ হারাতে থাকে। অবশেষে ৮৭তম মিনিটে পল পগবার ছোট পাস ধরে রাশফোর্ড কোনাকুনি শটে জাল খুঁজে পান। স্বস্তির এক জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইউনাইটেড।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা