kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

'দ্রুত ও ক্ষিপ্র' হতে কঠোর পরিশ্রম করছেন তাসকিন

অনলাইন ডেস্ক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৯:৪৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'দ্রুত ও ক্ষিপ্র' হতে কঠোর পরিশ্রম করছেন তাসকিন

ছবি : বিসিবি

আবারো ধারাবাহিক হতে চান পেসার তাসকিন আহমেদ। এ জন্য সর্বোচ্চ গতি ও বিপজ্জনক বোলার হতে কঠোর পরিশ্রম করছেন দেশের অন্যতম সেরা এই পেস বোলার। তাসকিনের ভাণ্ডারে সব সময়ই পেস ছিল। কিন্তু ছয় বছরের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় হয়ে ধরা দিয়েছে তার ধারাবাহিকতার অভাব। এটা প্রমাণিত যে, যখন ধারাবাহিক থাকেন তখন ব্যাটসম্যানদের জন্য কতটা ভয়ংকর হতে পারেন তাসকিন। কিন্তু দূর্ভাগ্যক্রমে তাসকিনের সেই ধারাবাহিকতা খুব কম সময়েই ছিল।

ধারাবাহিকতার কারণে অধিনায়কের সমর্থন লাভে সহায়ক হবে সেটা বুঝতে পারা তাসকিন জানান, ফিটনেসের জন্য কঠোর পরিশ্রম করছেন। কারণ ফিট বোলাররাই নিজের পছন্দের জায়গায় বল করতে পারে। আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে স্কিল সেশন শেষে তাসকিন বলেন, 'অতীতের চেয়ে আমার ফিটনেসের উন্নতি লক্ষণীয়, কিন্তু উন্নতির কোনো শেষ নেই। কিন্তু আমি যদি নিজেকে বিশ্বমানে নিতে চাই, আমাকে আরও বেশি ধারাবাহিক হতে হবে। তাই আমি জানি আমাকে কঠোর পরিশ্রম করছি। আশা করি, ভবিষ্যতে ভালো কিছু ঘটবে।'

ক্যারিয়ারের শুরুটা দুর্দান্তই ছিল তাসকিনের। ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচে ২৮ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন। ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করা ভারত মাত্র ১০৫ রানে অল-আউট হয়। পরে ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ৫৮ রানে গুটিয়ে বৃষ্টি আইনে ম্যাচ হারে বাংলাদেশ। তবে দারুন শুরুর পরও ইনজুরির কারণে ক্যারিয়ারে বার বার হোঁচট খেয়েছেন। ইনজুরি থেকে সুস্থ হয়ে ২০১৭ সালে টেস্ট দলে ডাক পান তিনি। হায়দারাবাদের ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে গতির দাপট দেখিয়েছিলেন তাসকিন; যা ছিল বিশ্বমানের। 

ওই সিরিজের পর ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছিল, যে কোনো ফরম্যাটে অধিনায়কের পছন্দের বোলার হতে পারেন তাসকিন। কিন্তু এমনটা হয়নি। আরও একটি ইনজুরি তাকে দল থেকে ছিটকে দেয় এবং পরবর্তীতে ছন্দ ফিরে পেতে কঠোর পরিশ্রম করছেন। ২০১৯ সালের বিপিএলে কিংবদন্তি পেসার ওয়াকার ইউনিসের সাথে কাজ করেছেন এবং বিশ্বকাপের সুযোগ পাওয়ার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেন। কিন্তু আরও একটি ইনজুরিতে ছিটকে পড়েন দল থেকে।

তাসকিন জানান, লকডাউন চলাকালীন ভার্চুয়ালি কোচদের সাথে কাজ করেছেন এবং ব্যক্তিগত অনুশীলন শুরুর পর পুনরায় ছন্দ ফিরে পেতে তাকে অনেক সহায়তা করে। তার ভাষায়, 'অতীতে চেয়ে এখন ভালো ছন্দে আছি এবং এখন বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি। আমি আমার গতি ও সিমের অবস্থান নিয়ে কোচদের সাথে কঠোর পরিশ্রম করছি। সুস্থ ও ফিট থাকলে আশা করছি ছন্দ ফিরে পাব। ছন্দের পাশাপাশি নিখুঁত হতে এবং সিমের অবস্থান ও গতিও ভালো হবে আশা করছি।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা