kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সালাহউদ্দিন সাহেবের অনেক শক্তি; আমাকে কেন হয়রানি করছেন : বাদল রায়

অনলাইন ডেস্ক   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ১৮:৪৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সালাহউদ্দিন সাহেবের অনেক শক্তি; আমাকে কেন হয়রানি করছেন : বাদল রায়

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) এবারের নির্বাচনে কাজী সালাহউদ্দিনের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হয়েছিল সাবেক ফুটবল সুপারস্টার বাদল রায়কে। কিন্তু তিনি শেষ মুহূর্তে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। নির্ধারিত সময়ের ঘণ্টাখানেক পর এই ঘোষণা দেওয়ায় বাফুফের নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি। এখন নির্বাচন না করলেও ৩ অক্টোবর ব্যালট পেপারে তার নাম থাকবে। এর আগেই আজ সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাদল রায়। কাউকে ভোট দিতেও তিনি বারণ করেছেন।

মোহামেডান ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাদল রায় কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, 'ফুটবল থেকে আমাকে সরে যেতে হচ্ছে তাতে আমি খুবই কষ্ট পাচ্ছি। ফুটবলের জন্য কাজ করতেই সভাপতি পদে নির্বাচন করতে চেয়েছিলাম। অনেক কষ্ট ও দুঃখ নিয়ে আজ আপনাদের ডেকেছি। আমার অনেক কষ্ট লাগছে যে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি। আমার শরীরের ওপর দিয়ে অনেক চাপ যাচ্ছে। করোনাভাইরাস থেকে সেরে উঠলেও এখনও দুর্বলতা কাটেনি। তো কিভাবে আমি নির্বাচনের ক্যাম্পিং করব? আমার মেয়ে ও স্ত্রী সবাই বলল, ইলেকশন করার দরকার নেই, তোমার ভালো থাকার দরকার। তুমি আমাদের জন্য বেঁচে থাক। তারপর আমি ভোট না করার সিদ্ধান্ত নেই।'

গত এক যুগ ধরে বাফুফেতে কাজী সালাউদ্দিনের একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় আছে। অনেকেই মনে করছেন, বাদল রায়কে সরে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে বাদল রায় বলেন, 'অনেকে মনে করছেন আমার ওপর চাপ আছে। আসলে কোনো চাপ নেই। নিজের কাছেই আমার চাপ। আমি তৃণমূলের সংগঠকদের নিয়ে বেশি ভাবি। তারা খুব অসহায়। নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার কারণে তাদের কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমি কাউন্সিলরদের অনুরোধ করব, আপনারা চিন্তাভাবনা করে ভোট দেবেন। আমি চাই ফুটবল ফেডারেশনে শক্তিশালী কমিটি আসুক। এমন কাউকে ভোট দিয়েন না যারা ফুটবলের জন্য কাজ করবে না।’

সংবাদ সম্মেলনে বাদল রায়ের পাশে ছিলেন তার সহধর্মীনী মাধুরী রায়। যিনি স্বামীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেয়ার পর বলেছিলেন, কোনো কাউন্সিলর যেন বাদল রায়কে ভোট না দেন। কিন্তু বাফুফে এটা মানেনি। বিষয়টি নিয়ে বাদল রায়ের মুখে শোনা গেল ক্ষোভের কথা, 'হ্যাঁ, আবেদন করতে বিলম্ব হয়েছে। তাতে আইনগতভাবে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছে। সালাউদ্দিন সাহেব চাইলেই এটা এড়িয়ে যেতে পারতেন। তার তো অনেক শক্তি...! আমাকে কেন হয়রানি করছেন, জানি না।'

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা